উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের যে দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে তা হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কথা বলা হয়েছে। বসনিয়ার জাতীয়তাবাদী গ্রুপ ব্ল্যাক হ্যান্ডের সদস্য গাভরিলো প্রিন্সিপ সারায়েভোতে ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয় সিংহাসনের উত্তরাধিকারী অস্ট্রিয়ার আর্চডিউক ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী কাউন্টেস সোফিয়াকে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ। সারায়েভোের হত্যাকাণ্ড অস্ট্রিয়াকে ক্ষিপ্ত করে তোলে এবং অস্ট্রিয়ার সরকার এ হত্যাকান্ডের জন্য সার্বিয়াকেই দায়ী করে। অস্ট্রিয়ার সরকার জার্মানির সাহায্যের গোপন প্রতিশ্রুতি পেয়ে ১৯১৪ সালের ২৩ জুলাই সার্বিয়ার সরকারের নিকট কতকগুলো শর্ত সংবলিত এক চরমপত্র প্রেরণ করেন। ১৫ জুলাই চরমপত্রের উত্তর দেয় সার্বিয় সরকার কিন্তু এটি অস্ট্রিয়া সম্রাটের মনঃপুত না হলে অস্ট্রিয়া ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই মারিয়ার বিকাশ বিশ্ব। দুটি ভাগে ভাগ হয়েছিল। এক পক্ষে ছিল অস্ট্রিয়া, জার্মানি, তুরস্ক, বুলগেরিয়া ও রুমানিয়া; অন্য পক্ষে ছিল সার্বিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও। মন রাশিয়া। এ যুদ্ধে সার্বিয়া, জার্মানি ও তুরস্কের পরাজয় ঘটে এবং ত্রিশস্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া জয়লাভ করে।
পরিশেষে বলা যায়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের একটি ভয়ানক ঘটনা। এ যুদ্ধে সেন্ট্রাল পাওয়ার্স জার্মানি, সার্বিয়া ও হাঙ্গেরির নি পরাজয় ঘটে এবং তাদেরকে চরমমূল্য দিতে হয়েছিল।