সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য এ সংঘর্ষের ক্ষতি ছিল অপরিমেয়। পাঠ্যবইয়ের আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:নিজেদের শক্তিমত্তা, পুঁজিবাদীর বিস্তারসহ বিভিন্ন কারণে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে এক তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়। যা শেষপর্যন্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়। যার ফলে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আঁতাত গঠন করা হয় নিজেদের শক্তিমত্তা বৃদ্ধির জন্য। একদিকে জার্মান, অস্ট্রিয়া ও ইতালির মধ্যে আঁতাত অন্যদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে আঁতাত গঠন করলে পরস্পর বিরোধী জোট যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে অভিহিত করা হয়। এই সংঘর্ষের ফলে ইউরোপ তথা বিশ্বের ব্যাপক ক্ষতি হয় যা ছিল, অপরিমেয়। এর ফলে বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে জনজীবনে বিপর্যয় ডেকে আনে। অস্ত্র, রসদ সংগ্রহের জন্য তারা অনেক সম্পদ ব্যয় করেন। এর ফলে ব্যাপক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ইউরোপের বিভিন্ন স্থান ধ্বংসে পরিণত হয়। চারদিকে ছাইভস্ম, পোড়ামাটি, ক্ষতিবিক্ষত শহর, কলকারখানা সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। ঘরে ঘরে স্বজন হারানোর বেদনায় ইউরোপের বাতাসে তখন আর্তনাদের চিৎকার আর কান্না ভেসে বেড়ায়। মানুষের মধ্যে যুদ্ধে বিভীষিকাময় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি করে।তাই বলতে পারি সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল তার ক্ষতি ছিল অপরিমেয়।