তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটি তথা লীগ অব নেশনস কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।
কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও লীগ অন নেশসন গঠিত হওয়ার পরবর্তী এক দশক এটি একটি সফল আন্তর্জাতিক সংস্থার মর্যাদা লাভ করে। এ সময়টিকে লীগের সুবর্ণ যুগ বলা হয়। এসময় বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো স্বার্থঘটিত দ্বন্দ্ব না হওয়ায় লীগের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়। ফলে এটি একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক সংগঠন বলে প্রতিপন্ন হয়। এ সময়ের মধ্যে লীগ এলাড় দীপপুঞ্জ সংক্রান্ত বিরোধ, সাইলেশিয়া সংকট, ইরান-রুশ সংকট, রুশ-তুরস্ক, জার্মানি-পোল্যান্ড, গ্রিস-আলবেনিয়া, গ্রিস-বুলগেরিয়া বিরোধ পোল্যান্ড লিথুনিয়া সংকট সমাধান করতে সমর্থ হয়। কিন্তু হিটলার মুসোলিনীর নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ এবং জাপানের সমরবাদ বিশ্বের মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে জাতিপুঞ্জ আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হতে থাকে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তোষণনীতির ফলে জাতিপুঞ্জ একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ে। তা সত্ত্বেও তৎকালীন সময়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিপুঞ্জের সমকক্ষ অন্য কোনো সংগঠন ছিল না। তাই বলা যায়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সময়ে লীগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিল।