শেয়ারFacebookWhatsApp

“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: '১৯৭১' উপন্যাসে নীলগঞ্জ গ্রামের নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের নির্মম নির্যাতনের চিত্র-উপস্থাপন করা হয়েছে। '১৯৭১' উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র জয়নাল মিয়া। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নীলগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে ক্যাম্প স্থাপন করলে সে 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' স্লোগানে মিছিল করে পাকবাহিনীর ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয়। মিলিটারিদের প্রতি জয়নাল মিয়ার প্রচ্ছন্ন ভীতি থাকলেও সে বাইরে প্রকাশ করে না। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সে মিলিটারি আসার পর করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করে এবং নীলু সেনের সঙ্গে পরামর্শ করতে চায়। জয়নাল মিয়া গ্রামের জঙ্গলা মাঠে প্রায় একশ মুক্তিযোদ্ধার লুকিয়ে থাকার খবর জানলেও গোপন রেখেছিল। গ্রামের ইমাম সাহেব ও আজিজ মাস্টারকেও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টি সে জানায়নি। স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে জয়নাল মিয়া দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিসংগ্রামে অবদান রেখেছে। গ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তি জয়নাল দেশের ক্রান্তিলগ্নে প্রবল ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। কারণ মৃত্যুর মুখোমুখি হলে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা যায় না। উপন্যাসটিতে আজিজ মাস্টার মেজর এজাজের অমানবিক অত্যাচারের শিকার হয়। মেজর এজাজ তাকে নানা রকম প্রশ্ন করে, কিন্তু মাস্টার সেগুলোর উত্তর দিতে না পারায় মেজর তাকে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে আজিজ মাস্টারকে উলঙ্গ করে তার পুরুষাঙ্গে ইট বেঁধে সারা গ্রাম ঘোরাতে বলে। নিরুপায় আজিজ মাস্টার জীবন বাঁচানোর সর্বশেষ উপায় হিসেবে এভাবে অপমানিত হওয়াকে বেছে নেয়। আজিজ মাস্টারের এরূপ আচরণে মেজর বিদ্রূপ করে বলে যে, বাঙালিদের কোনো আত্মসম্মানবোধ নেই। তার এ কথায় রফিক অপমানিত বোধ করে। কারণ সে নিজেও একজন বাঙালি। রফিক তখন প্রতিবাদ করে বলে, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ালে মানুষ যেকোনো কিছু করতে পারে। এ সময় কে কী আচরণ করবে তা আগে থেকে বলার কোনো উপায় নেই। মৃত্যুর মুখোমুখি হলে মেজর নিজেও কাপুরুষের মতো আচরণ করতে পারে। এভাবে রফিক মেজরের মুখের ওপর অপমানের জবাব দেয়। মৃত্যুর ভয়াবহতার কাছে যে আত্মসম্মানবোধ তুচ্ছ, সেই বিষয়টি মেজরকে বোঝানোর জন্যই রফিক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।

SSC বাংলা ১ম পত্র ১৯৭১ (উপন্যাস) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · ১৯৭১ (উপন্যাস) · সৃজনশীল

“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যট…

Dinajpur · 2026

উত্তর

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কারণ আজিজ মাস্টার ছিল একজন সহজ-সরল নির্বিবাদী মানুষ। সে সত্য কথা অকপটে বলে দিত। হুমায়ূন আহমেদের '১৯৭১' উপন্যাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো আজিজ মাস্টার। সে নীলগঞ্জ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। গ্রামে একদল মিলিটারি আসার পর সেই দলের প্রধান মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে তলব করেন। আজিজ মাস্টার ছিল একজন সহজ-সরল ভীতু প্রকৃতির লোক। মেজর এজাজ তাকে নানা প্রকার প্রশ্ন করেন। আজিজ মাস্টার তার প্রশ্নের সহজ-সরল উত্তর দেয়। বিশেষ করে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শোনার ব্যাপারে তার উত্তর ছিল আরও বেশি সরল। মেজর এজাজ বলেন স্বাধীন বাংলা বেতার পাকিস্তানিদের নামে আজগুবি গল্প ছড়াচ্ছে। সেগুলো আজিজ মাস্টারের বিশ্বাস হয় কি না। তখন আজিজ মাস্টার সহজ স্বীকারোক্তি দেয় যে তার মাঝে মাঝে বিশ্বাস হয়। এই সহজ-সরল স্বীকারোক্তিমূলক স্বভাবের কারণেই মূলত মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন।

উত্তর

মধুবন বাজারে বদিউজ্জামানের একটি মনিহারি দোকান আছে। সেখানে যেতে তার সাত মাইল হাঁটতে হতো। সে একদিন বগলে ছাতা নিয়ে হনহন করে আসার সময় ছাতিম গাছের নিচে একসঙ্গে অনেক মানুষকে দেখে হকচকিয়ে যায়। পরে জয়নাল মিয়ার কথায় জানতে পারে গ্রামে মিলিটারি এসেছে। তাই নিজের দোকানটির খোঁজ নিতে সে মধুবন বাজারে যেতে থাকে। বদিউজ্জামান সেখানে যাওয়ার জন্য হনহন করে হাঁটতে থাকে। তখন পুরো গ্রামে মিলিটারির আসায় ভয় ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। তাদের নৃশংস আচরণ সম্পর্কে বদি খুব ভালোভাবেই অবগত ছিল। ফলে হাঁটতে হাঁটতে বদিউজ্জামান অনেক আশঙ্কার কথা ভাবতে থাকে। সে ভাবতে থাকে মিলিটারির অবস্থানের কথা। যে সময়টায় সে হনহন করে হেঁটে চলেছে সেটি তার জন্য মোটেই কল্যাণকর নয়। যেকোনো সময় মিলিটারি তার প্রাণ কেড়ে নিতে পারে। এসব শঙ্কা ও ক্ষতির আশঙ্কার কথা ভেবেই বদিউজ্জামান একসময় উপলব্ধি করে খারাপ সময়টায় তার বাড়ি থেকে বের হওয়া ঠিক হয়নি। তাই সে মাঝামাঝি পথে মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল।

উত্তর

স্থানীয় লোকেরা রুয়াইল বাজার নিয়ে খুব অহংকার করতেন। কারণ সেই বাজারে স্থানীয়দের প্রয়োজনীয় সবকিছু পাওয়া যেত। '১৯৭১' উপন্যাসে বর্ণিত নান্দাইল রোড এলাকার সবচেয়ে বড়ো বাজার রুয়াইল। এটি নান্দাইল রোড স্টেশন থেকে সোজা দশ মাইল উত্তরে অবস্থিত। বাজারটি অন্য সব গ্রামের বাজারের মতো। স্থানীয়দের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই এখানে পাওয়া যায়। এখানে ধান-চালের আড়ত আছে। পাটের গুদাম আছে। ধান ভাঙানোর কল আছে। আছে চায়ের দোকান। এমনকি রেডিও সারানোর একজন কারিগরও আছে। গ্রামাঞ্চলের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু পাওয়া যেত বলে রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকেরা খুব অহংকার করতেন।

উত্তর

আলোচ্য উক্তিটি করা হয়েছে যখন গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে, তখন চিত্রা বুড়ির ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নীলগঞ্জ গ্রামের পাশেই কৈবর্তদের বসবাস। গ্রামের সঙ্গে তাদের খুব একটা যোগাযোগ নেই। কৈবর্তপাড়ার এক বাসিন্দা চিত্রা বুড়ি। গত বছর মনা কৈবর্তর হাতে তার ছেলে খুন হয়েছে। গ্রামের সম্ভ্রান্ত লোক ও পুলিশের কাছে ছেলের খুনের বিচার চাওয়ায় কৈবর্তরা চিত্রা বুড়িকে সমাজচ্যুত করেছে। কোনো উপায় না পেয়ে চিত্রা বুড়ি ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নেয়। কৈবর্তপাড়ায় তার স্থান না হওয়ায় সে সেনবাড়ির মন্দিরে থাকতে শুরু করে। কিন্তু যে সম্প্রদায় তাকে ত্যাগ করেছে বিপদের সময় সে তাদেরকেই রক্ষা করার জন্য ছুটে গিয়েছে। গ্রামে মিলিটারি এলে চিত্রা বুড়ি কৈবর্তদের কাছে ছুটে গিয়ে তাদের নিরাপদে থাকার জন্য সতর্ক করেছে। তাই লেখক আলোচ্য মন্তব্যটি করেছেন।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসে রফিকের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে বলা যায় যে, “দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়” মন্তব্যটি যথার্থ। '১৯৭১' উপন্যাসে রফিক চরিত্রটি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেজর এজাজ আহমেদের বাঙালি সহকারী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি মিলিটারির কমান্ডিং অফিসার মেজর এজাজ তার সেনাদল নিয়ে নীলগঞ্জ গ্রামে প্রবেশ করে প্রাইমারি স্কুলে সেনাক্যাম্প স্থাপন করে গ্রামের মানুষের প্রতি নৃশংস নিপীড়ন শুরু করেন। রফিক মেজর এজাজের সহকারী হলেও বাঙালিদের প্রতি তার সহানুভূতি ছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষ যেমন- ইমাম, আজিজ মাস্টার, জয়নালসহ অন্যান্য মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মেজরের দোভাষীর ভূমিকা পালন করেছে সে। উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহে রফিকের ব্যক্তিজীবনের তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। সে একজন শিক্ষিত যুবক অথচ তার পরিবার, বাড়ি কিংবা পেশার বিষয়টিও রহস্যময় করে উপস্থাপন করেছেন ঔপন্যাসিক। আপাতদৃষ্টিতে নিতান্ত সাধারণ চরিত্র হলেও বাঙালিদের প্রতি তার সহানুভূতি এবং নীলগঞ্জ গ্রামটিকে পাকবাহিনীর আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার প্রচ্ছন্ন ভূমিকার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উপন্যাসে। নীলগঞ্জ গ্রামের মানুষদের সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সে গোপন করেছে মেজর এজাজ আহমেদের কাছে। বাঙালিদের প্রতি পাকিস্তানিদের নেতিবাচক মনোভাব, জাতিগত বিদ্বেষ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে অস্তিত্বের সংকটের প্রশ্নে মেজর এজাজ আহমেদের সঙ্গে রীতিমতো বিতর্কে অবতীর্ণ হয়েছে রফিক। উপন্যাসের ক্লাইম্যাক্সের দিকে তার চরিত্রটি হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটিয়ে রফিক চরিত্রটি অসীম সাহসী হয়ে ওঠে। গ্রামের জঙ্গলে অবস্থান নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, রসদ সরবরাহের বিষয়টি জানত রফিক। এমনকি কৈবর্তপাড়ায় তল্লাশি চালাতে নিরুৎসাহিত করেছে মেজরকে। মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য না দিয়ে সে মেজরকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছে। ঝড়ের সময় একটা পাগলের বনের ভেতরে ছুটে যাওয়া দেখে রফিকের উল্লসিত হয়ে ওঠা তার চরিত্রকে রহস্যময় করে তুলেছে। রফিকের প্রতি মেজরের সন্দেহজনক মনোভাব থাকলেও তার প্রতি নির্ভরশীলতা ছিল। উপন্যাসের শেষ পর্যায়ে রফিক নতুনরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। রফিক প্রবল আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী সত্তায় পরিণত হয়েছে। একজন বাঙালি হয়ে সে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মেজরকে এ দেশ থেকে জীবিত ফিরে যাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনার কথা উচ্চারণ করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। লেখক রফিক চরিত্রটিকে সাধারণ চরিত্র থেকে সংবেদনশীল, দেশপ্রেমিক ও বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষাবলম্বনকারী সত্তায় বিবর্তিত করেছেন। রফিক চরিত্রের এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসে নীলগঞ্জ গ্রামের নিরপরাধ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের নির্মম নির্যাতনের চিত্র-উপস্থাপন করা হয়েছে। '১৯৭১' উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র জয়নাল মিয়া। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নীলগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে ক্যাম্প স্থাপন করলে সে 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' স্লোগানে মিছিল করে পাকবাহিনীর ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয়। মিলিটারিদের প্রতি জয়নাল মিয়ার প্রচ্ছন্ন ভীতি থাকলেও সে বাইরে প্রকাশ করে না। গ্রামের মানুষের সঙ্গে সে মিলিটারি আসার পর করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করে এবং নীলু সেনের সঙ্গে পরামর্শ করতে চায়। জয়নাল মিয়া গ্রামের জঙ্গলা মাঠে প্রায় একশ মুক্তিযোদ্ধার লুকিয়ে থাকার খবর জানলেও গোপন রেখেছিল। গ্রামের ইমাম সাহেব ও আজিজ মাস্টারকেও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টি সে জানায়নি। স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে জয়নাল মিয়া দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিসংগ্রামে অবদান রেখেছে। গ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তি জয়নাল দেশের ক্রান্তিলগ্নে প্রবল ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। কারণ মৃত্যুর মুখোমুখি হলে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা যায় না। উপন্যাসটিতে আজিজ মাস্টার মেজর এজাজের অমানবিক অত্যাচারের শিকার হয়। মেজর এজাজ তাকে নানা রকম প্রশ্ন করে, কিন্তু মাস্টার সেগুলোর উত্তর দিতে না পারায় মেজর তাকে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে আজিজ মাস্টারকে উলঙ্গ করে তার পুরুষাঙ্গে ইট বেঁধে সারা গ্রাম ঘোরাতে বলে। নিরুপায় আজিজ মাস্টার জীবন বাঁচানোর সর্বশেষ উপায় হিসেবে এভাবে অপমানিত হওয়াকে বেছে নেয়। আজিজ মাস্টারের এরূপ আচরণে মেজর বিদ্রূপ করে বলে যে, বাঙালিদের কোনো আত্মসম্মানবোধ নেই। তার এ কথায় রফিক অপমানিত বোধ করে। কারণ সে নিজেও একজন বাঙালি। রফিক তখন প্রতিবাদ করে বলে, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ালে মানুষ যেকোনো কিছু করতে পারে। এ সময় কে কী আচরণ করবে তা আগে থেকে বলার কোনো উপায় নেই। মৃত্যুর মুখোমুখি হলে মেজর নিজেও কাপুরুষের মতো আচরণ করতে পারে। এভাবে রফিক মেজরের মুখের ওপর অপমানের জবাব দেয়। মৃত্যুর ভয়াবহতার কাছে যে আত্মসম্মানবোধ তুচ্ছ, সেই বিষয়টি মেজরকে বোঝানোর জন্যই রফিক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।

উত্তর

ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ '১৯৭১' উপন্যাসে জনবিচ্ছিন্ন ক্ষুদ্র এক শান্ত গ্রামকে করেছেন উপন্যাসের পটভূমি। গ্রামটির নাম নীলগঞ্জ। এ গ্রামের মানুষ যুদ্ধ বোঝে না, সংগ্রাম কী তা জানে না। কিন্তু সেই গ্রামেই একদিন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী মানুষের জীবনে বিপর্যয় নিয়ে আসে। লেখক স্পষ্ট করে কোথাও বলেননি যে নীলগঞ্জ গ্রামে মুক্তিবাহিনী আছে, শুধু সন্দেহের বেড়াজাল বুনে গেছেন উপন্যাসজুড়ে। সন্দেহের বশেই নীলগঞ্জ গ্রামে মেজর এজাজের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়, যেটাকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রতিচ্ছবি বলা যায়। '১৯৭১' উপন্যাসে বলা হয়েছে নীলগঞ্জ গ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একদল জোয়ান পাকিস্তানি এক সেনাকে বন্দি করেছে। যার নাম মেজর বখতিয়ার। তাকে উদ্ধার করতেই মেজর এজাজ গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে প্রথম থেকেই তারা গ্রামবাসীর ওপর আগ্রাসী হয়ে ওঠে। প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার আজিজকে ধরে এনে অমানবিক অত্যাচার করে। একপর্যায়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে। শুধু এই একটি নয়, অসংখ্য বর্বরোচিত ঘটনা ঘটনায় তারা। গ্রামবাসীকে ভয়ভীতি দেখানোর জন্য এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে মনা ও বিরু কৈবর্তকে সবার সামনে গুলি করে হত্যা করে। নীলগঞ্জের সম্ভ্রান্ত হিন্দু নীলু সেনকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে হত্যা করে। বর্বর পাকিস্তানিরা গণহত্যার যে নজির স্থাপন করেছিল নীলগঞ্জেও তাই ঘটেছে। নীলগঞ্জ গ্রামের বিলকে তারা বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করেছে। শুধু পুরুষ নয়, দখলদার পিশাচ হানাদার বাহিনীর হাত থেকে গ্রামের মেয়েরাও রক্ষা পায়নি। তারা সফদরউল্লাহর স্ত্রী ও শ্যালিকার সম্ভ্রমহানি করে। মুক্তিযুদ্ধে নারী লাঞ্ছনার দিকটা এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে অন্যায় ও শোষণ কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মানুষ একসময় অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। সফদরউল্লাহ তার স্ত্রী ও শ্যালিকার লাঞ্ছনার প্রতিশোধ নিতে দা হাতে বেরিয়ে পড়ে। আজিজ মাস্টার লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন না হতে মৃত্যুকে বরণ করে। বিবেকের তাড়নায় ও প্রতিবাদস্বরূপ রফিক মেজর এজাজের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এবং মৃত্যুকে বরণ করে নেয়। প্রত্যক্ষ কোনো প্রতিরোধ না হলেও দেশপ্রেমের চেতনাবোধ জাগ্রত হয় বেশকিছু চরিত্রে, যা বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। এছাড়াও এ দেশীয় রাজাকারদের উল্লেখ রয়েছে এই উপন্যাসে। তাই বলা যায়, '১৯৭১' উপন্যাসের নীলগঞ্জ গ্রাম আসলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।

উত্তর

'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য নিপীড়িত মানুষের জীবন যন্ত্রণা- '১৯৭১' উপন্যাসের সার্বিক বিচারে আলোচ্য মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য। '১৯৭১' উপন্যাসের ক্ষেত্রভূমি নিস্তরঙ্গ অসামরিক প্রত্যন্ত গ্রাম নীলগঞ্জ। শহর, রেলস্টেশন, এমনকি বন্দর থেকে অনেক দূরের অজপাড়াগাঁ এ নীলগঞ্জ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের আভাস এমন দুর্গম অঞ্চলেও লেগেছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দুটো দল ১৯৭১ সালের ১ মে গভীর রাতে এবং সকালে এ গ্রামে হানা দেয়। মিলিটারি মেজর এজাজ আহমেদ নীলগঞ্জ গ্রামের পার্শ্ববর্তী মধুবন জঙ্গলা মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান নেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে এ অঞ্চলে আসে। মুক্তিবাহিনী ছিল কি না, এ বিষয়ে সঠিক তথ্য স্পষ্ট করেননি এ উপন্যাসের লেখক। তবে মিলিটারিদের আগমনে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। এ উপন্যাসে পাকবাহিনীর আগমনে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে গ্রামীণ বৃদ্ধ পিতার প্রতিনিধি মীর আলির জীবন। মোটামুটি সচ্ছল মধ্যবিত্ত গোছের সংসার পতিত হয়েছে অনিশ্চয়তার সাগরে। মীর আলি অন্ধ। ঝড় তার ঘরের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে। একমাত্র কর্মক্ষম ছেলেটির মিলিটারির কবলে পড়ে বাড়ি ফেরার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ক্ষুধার যন্ত্রণায় সে কাতরালেও এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সম্ভব হয়নি তার মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দেওয়া। যুদ্ধ, অনিশ্চয়তা এবং মৃত্যু-ক্ষুধার যন্ত্রণা এই চরিত্রটিকে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের বাস্তব চরিত্রের এবং মানবিক বিপর্যয়ের প্রতীক করে তুলেছে। এ উপন্যাসে নিপীড়িত মানুষের জীবন-যন্ত্রণার অন্যতম প্রতীক দুজন বিদেশি লোক হিসেবে পরিচিতি আজিজ মাস্টার ও ইমাম সাহেব। নীলগঞ্জে প্রবেশ করেই এ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মেজর এজাজ। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য না-দিতে পারায় চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয় সে। সে ইমাম সাহেবের ওপরে নির্মম নির্যাতন চালায়। আজিজ মাস্টারকে দেয় অপমানজনক শাস্তি অথবা মৃত্যুকে বেছে নেওয়ার শর্ত। শেষমেশ নিজের আত্মসম্মানবোধকে অক্ষুণ্ণ রাখতে মৃত্যুকে বেছে নেয় আজিজ মাস্টার। '১৯৭১' উপন্যাসের আরেক নিপীড়িত চরিত্র সফদরউল্লাহ। মিলিটারি ও রাজাকার কর্তৃক তার স্ত্রী ও শ্যালিকার সম্ভ্রমহানি হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে রাজাকারদের হত্যার জন্য গভীর রাতে দা হাতে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু তার এ প্রচেষ্টায় সফলতার কোনো অগ্রগতি ঔপন্যাসিক পাঠকদের জানাননি। এ উপন্যাসের আরেকটি নিপীড়িত চরিত্র রফিক। পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হয়েও সে মেজর এজাজের ক্ষোভ থেকে রক্ষা পায়নি। বাঙালিদের প্রতি পক্ষপাত তাকে মেজর এজাজের বন্ধু থেকে দুশমনে পরিণত করে। উপন্যাসের শেষে মেজর এজাজ নৃশংসভাবে হত্যা করে দেশপ্রেমিক রফিককে। তাই উপযুক্ত আলোচনা ও দৃষ্টান্ত থেকে প্রমাণিত হয় যে, " '১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা" মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।
SSCবাংলা ১ম পত্র১৯৭১ (উপন্যাস)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অংশ-(i) : পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও। অংশ-(ii): আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

Mymensingh · 2026

'প্রত্যুপকার' গল্পে বন্দি লোকটির জন্মস্থানের নাম কী?
সুভার গ্রামের নাম কী?
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে কে শেষ পর্যন্ত হজরতের মৃত্যুশয্যার পাশে ছিলেন?
'প্রবাস বন্ধু' ভ্রমণকাহিনিতে কাবুলের লোকেরা কোথা থেকে বরফ সংগ্রহ করেন?
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কার চোখে নিদ নাই?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় খেয়ানৌকাগুলো কোথায় এসে লেগেছে?
'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় মাছরাঙা কোথায় বসে থাকে?
'বোশেখ' কবিতায় কবি মহাবীর হনুমানের কথা কোথায় পড়েছেন?
মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
"বলিতে গেলে তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।”- ব্যাখ্যা করো।
"কিন্তু বেদনা কি কেহ কখনো ভোলে?"- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
মানুষের একজন হয়েও হজরত মুহম্মদ (স.) দুর্লভ কেন?
আবদুর রহমান লেখকের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাল কেন? ব্যাখ্যা করো।
'জীবন বিনিময়' কবিতায় কবি নীরবতাকে নিষ্ঠুর বলেছেন কেন?
"সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে"- কথাটির দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
"আমি স্বাপ্নিক নিয়মে এখানেই থাকি।"- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
কবি বাতাসকে তার অতীত ইতিবাচক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কেন?
“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
পাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।
'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
উদ্দীপকের অংশ-(i)-এ 'প্রত্যুপকার' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে?
“উদ্দীপকের অংশ-(ii)-এর মূলভাব ও আলী ইবনে আব্বাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি এক নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

Dinajpur · 2026

মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?
রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?
“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্র প্রসঙ্গে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
“মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে কে কী করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব”- মন্তব্যটি আজিজ মাস্টার ও জয়নাল মিয়া চরিত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।
“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণা”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে”- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছপাকবাহিনীর আগমন নীলগঞ্জের জনজীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল? আলোচনা করো।মেজর এজাজ আজিজ মাস্টারকে সৎলোক বলেছেন কেন?“নীলগঞ্জ বাংলাদেশের একটি নিভৃত গ্রামের প্রতিচ্ছবি।”- '১৯৭১' উপন্যাস অবলম্বনে মন্মেজর এজাজ মনার বিচার-দৃশ্য মাস্টার ও ইমাম সাহেবকে দেখতে বাধ্য করেছেন কেন? ব্যাখ্“'১৯৭১' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধে নিপীড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্র“বিপদের সময় নিজ গোত্রের মানুষের কথাই প্রথম মনে পড়ে।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?“নীলগঞ্জ আসলে মুক্তিযুদ্ধ কালীন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি"- ব্যাখ্যা করো।রুয়াইল বাজার নিয়ে স্থানীয় লোকরা অহংকার করতেন কেন?বদিউজ্জামান মত বদলে নীলগঞ্জে ফিরে গিয়েছিল কেন?“দেশপ্রেমের চেতনা লুকিয়ে রাখা যায় না, তা প্রকাশ পায়”– '১৯৭১' উপন্যাসের রফিক চরিত

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।