E-মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের E মৌলটি হলো কপার ( [গণিত] )। [গণিত] -এর ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো— ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়ম অনুসারে, পরমাণুতে ইলেকট্রনসমূহ বিভিন্ন অরবিটালে (উপশক্তিস্তরে) তাদের শক্তির নিম্নক্রম থেকে উচ্চক্রম অনুসারে প্রবেশ করে। এ নিয়ম অনুযায়ী অরবিটালসমূহের শক্তিক্রম নিম্নরূপ : [গণিত] ... ইত্যাদি। সাধারণ নিয়ম অনুসারে, প্রধান শক্তিস্তরের সকল উপস্তরকে পাশাপাশি লিখে [গণিত] মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস দাঁড়ায়— [গণিত] কিন্তু সাধারণভাবে দেখা গেছে যে, হুন্ডের নীতি অনুসারে সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটালসমূহ অর্ধপূর্ণ বা সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ হলে সে ইলেকট্রন বিন্যাস অধিকতর সুস্থিতি অর্জন করে। এর ফলে [গণিত] এর পরিবর্তে [গণিত] বিন্যাস অধিকতর স্থায়ী হয়। কারণ [গণিত] এর বেলায় d অরবিটাল অর্ধপূর্ণ বা পূর্ণ কোনো অবস্থায় পড়ে না। তাই 4s থেকে 1টি ইলেকট্রন [গণিত] এ চলে এসে [গণিত] হয়, যা পূর্ণ। এটি অধিকতর স্থায়ী হয়। এ কারণেই [গণিত] মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস ব্যতিক্রম নিয়মে হয়। এ নিয়ম অনুযায়ী [গণিত] এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ : [গণিত]
SSC রসায়ন অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · রসায়ন · অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন · সৃজনশীল
E-মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম কেন? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক
Sylhet · 2026
উত্তর
উত্তর

উত্তর
উত্তর
চিত্র: যৌগ গঠন
আবার, উত্তেজিত অবস্থায় P এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ :
উত্তেজিত অবস্থায় P এর ফাঁকা d অরবিটালে ইলেকট্রন প্রবেশ করে। ফলে বিজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা হয় ৫টি। তাই একটি P পরমাণু ৫টি ক্লোরিন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়। তখন প্রতিটি ক্লোরিন পরমাণু তার সর্বশেষ স্তরে ৪টি ইলেকট্রন অর্জন করলেও P পরমাণুর সর্বশেষ স্তরে 10টি ইলেকট্রন অর্জিত হয়। অর্থাৎ গঠনকালে অষ্টক সম্প্রসারণ ঘটে।
চিত্র: যৌগ গঠন
অতএব, সামগ্রিক আলোচনার পরিশেষে বলা যায় যে, অষ্টক মৌলসমূহের নিয়ম মেনে চলে কিন্তু অষ্টক নিয়ম মেনে চলে না।