উদ্দীপকের লেনদেনটিতে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১ এর প্রয়োগ হবে।
বাণিজ্যিক বা আর্থিক লেনদেনে অর্থ নয় কিন্তু শর্তসাপেক্ষে অর্থ হিসেবে গ্রহণযোগ্য লিখিত দলিলকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা হয়। শব্দগত অর্থে, হাতে হাতে প্রদান করে যে দলিলের মালিকানা স্বত্ত্ব হস্তান্তর করা যায় তাকে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলে।
উদ্দীপকে রহিম ট্রেডার্স করিম ট্রেডার্সের কাছে বাকিতে পণ্য বিক্রয় করে। পরে ৩,০০,০০০ টাকার বিনিময় বিল এবং ১,০০,০০০ টাকার চেক পায়। কিন্তু চেকটি ব্যাংক কর্তৃক অমর্যাদা হয়। ফলে রহিম ট্রেডার্স আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করছে। এক্ষেত্রে রহিম ট্রেডার্স আইনগত দিক দিয়ে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১ এর প্রয়োগ করতে পারবে।
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন অনুযায়ী, অঙ্গীকারপত্র, বিনিময় বিল এবং চেককে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলা হয়। উল্লিখিত তিনটি দলিলই শর্তহীন প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরূপ দলিলের বড় বৈশিষ্ট্য এটি আদালতে প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই দলিলগুলো নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১ অনুসরণ করতে হয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত লেনদেনটি আর্থিক বাজারের মুদ্রা বাজার অংশের সাথে জড়িত। এ বাজারে স্বল্পমেয়াদি (১ বছর বা তার চেয়ে কম) অর্থ ও আর্থিক সম্পদ কেনা-বেচা হয়। আর্থিক বাজারের হাতিয়ারসমূহ হলো ট্রেজারি বিল, বাণিজ্যিক কাগজ, হস্তান্তরযোগ্য আমানত সার্টিফিকেট ইত্যাদি।