বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কী শাস্তির আওতায় পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি অবশ্যই শাস্তির আওতায় পড়বে। কোনো একটি দেশ থেকে অন্য দেশে সরাসরি অর্থ স্থানান্তর করা যায় না। তাই অনেকে অবৈধ উপায়ে অর্থ স্থানান্তর করে। হুন্ডি হলো এমনই একটি অবৈধ পন্থা। এই সকল অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন ও অর্থ স্থানান্তরকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে প্রায় সকল দেশেই 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন' রয়েছে। উদ্দীপকের মাহিন সাহেব হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ প্রেরণ করেন। অর্থাৎ অবৈধ পন্থায় বিদেশে অর্থ স্থানান্তর করে তিনি মানি লন্ডারিং আইন লঙ্ঘন করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরে তদন্ত করে। তদন্তে প্রতিষ্ঠানটি দোষী সাব্যস্ত হয়। উদ্দীপকের মাহিন সাহেবের প্রতিষ্ঠানটি 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২'-এর আওতায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত প্রতিষ্ঠান যথাযথ শাস্তি পাবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মাহিন সাহেবের ন্যূনতম ৪ বছর থেকে অনধিক ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তাছাড়াও তিনি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারেন। এক্ষেত্রে মাহিন সাহেবের অর্থদণ্ডের পরিমাণ হবে বিদেশে প্রেরণকৃত অর্থের দ্বিগুণ পরিমাণ বা ১০ লক্ষ টাকার মধ্যে যেটি অধিক। তিনি ১০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করেছেন। তাই তার অর্থদন্ডের পরিমাণ হবে ১০ কোটি টাকার দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০ কোটি টাকা হতে পারে। সুতরাং, মাহিন সাহেব কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ কোটি টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
HSC Finance 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Finance 1st Paper · সৃজনশীল
বর্তমান প্রচলিত আইনে প্রতিষ্ঠানটি কী শাস্তির আওতায় পড়বে? বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
Sylhet · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর