উদ্দীপকের সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
উত্তর: ➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপের দিক থেকে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে। ➤ নদীমাতৃক বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য নদ-নদী আলাদা বৈশিষ্ট্যে বিশেষিত। প্রচন্ড ভয়ংকর প্রমত্ত নদীর বিপরীতে শান্ত-সুন্দর নদীও আমাদের দেশে অনেক রয়েছে। ➤ উদ্দীপকে বর্ণিত তিতাস শাহি মেজাজের নদী। শুক্লপক্ষের জোয়ারে সে ফুলে ওঠে কিন্তু উদ্বেলিত হয় না। সাপের মতো তিতাসে বক্রতা নেই। তার বুকভরা ঢেউ কূলভরা জল কিন্তু সে প্রবল উচ্ছ্বাসে ভয়ংকর হয়ে ওঠে না। অন্যদিকে 'পদ্মা' কবিতায় বর্ণিত পদ্মা নদী প্রচন্ড ভয়ংকর ও প্রমত্ত। সমুদ্র ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জলদস্যুও পদ্মার তরঙ্গভঙ্গে ভীত হয়ে ওঠে। বর্ষাকালে তার স্ফীত জল ভাসিয়ে নিয়ে যায় মানুষের ঘরবাড়ি, সংসার-সম্পদ ও জীবন। পদ্মার এই ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ উদ্দীপকের তিতাস নদীতে পাওয়া যায় না। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপের দিক থেকে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। সারকথা: পদ্মা ভয়ংকর নদী। এর তীব্র স্রোত দুই পাড় প্লাবিত করে সমূহ ক্ষতি ও ধ্বংস বয়ে আনে। অন্যদিকে তিতাস শান্ত, পরিপূর্ণ ও উচ্ছ্বাসে ভরা শাহি হ মেজাজের কুটিলতাহীন নদী।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : পদ্মা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : পদ্মা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর