শেয়ারFacebookWhatsApp

উপরের অনুচ্ছেদের 'লক্ষ' হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' বাক্যাংশ অবলম্বনে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্দে বর্ণিত 'বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর' প্রসঙ্গে তোমার মতামত উপস্থাপন কর।

উত্তর: ➤ উপরের অনুচ্ছেদের 'লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' বাক্যাংশ অবলম্বনে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত 'বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর' মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্যের জগৎ মূলত নিছক আনন্দের জগৎ। মহৎ কবির সৃষ্টি সর্বজনীন আবেদনে পরিপূর্ণ। তার মানসসত্তা প্রতিনিয়তই বিশ্বমানব সত্তা ও সভ্যতার সাথে নিত্যনতুন সংযোগ সাধনের সেতু নির্মাণ করে। ➤ মানুষ নিজেকে প্রকাশ করতে চায়। জয়নুল আবেদীনের মতো ছবি এঁকে, রবীন্দ্রনাথের মতো কবিতা ও গান লিখে নিজের হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা সে অন্য মনে ছড়িয়ে দিতে চায়। এভাবে সে বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ গড়ে তুলতে চায় এবং বেঁচে থাকতে চায় লক্ষ হৃদয়ের মাঝে। উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে মানুষের শিল্পরাজ্যে প্রবেশ করার উদ্দেশ্যটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। ➤ মহৎ কবিরা সাধারণের মতো আত্মকেন্দ্রিক নন। তাঁরা সর্বজনীন এবং বিশ্বনাগরিক। একজন মহৎ কবির মনে প্রতিনিয়ত যে ভাবের উদয় হয়, সেই ভাবকে তিনি কবিতার মাধ্যমে চিত্রিত করে ছড়িয়ে দেন বিশ্ববাসীর কাছে। ফলে কবিমনের সঙ্গেঙ্গ বিশ্বমানবের নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। কবির মনের কথাগুলো অসংখ্য পাঠকের মনে প্রবেশ করে। এটার একটাই লক্ষ্য- সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সৃষ্টির মধ্য দিয়ে শিল্পপ্রন্টারা তাঁদের ভাবকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্বমানবের মধ্যে বেঁচে থাকতে চান। কাজেই • উদ্দীপকের দক্ষ যুদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' কথাটি অবলম্বনে প্রবন্ধে বর্ণিত বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর' কথাটি আমার মতে যথার্থ হয়েছে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

উপরের অনুচ্ছেদের 'লক্ষ' হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' বাক্যাং…

উদ্দীপক

মানুষের একটি চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে নিজের অনুভূতি ও উপলব্ধি অন্যের কাছে প্রকাশ করা। জয়নুল আবেদীনের মতো ছবি এঁকে, কিংবা রবীন্দ্রনাথের মতো কবিতা-গান লিখে নিজ হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা সে অন্য মনে ছড়িয়ে দিতে চায়। এভাবে সে জগতের সকল মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। চায় লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকতে। এ এ কাজ তখনই সফল হয়, যখন রঙে, ঢঙে, আকারে-প্রকারে, ভাষায়-সুবে, ছন্দে, ইঙ্গিতে নিখুঁত রূপ বা অনুভূতি অন্য মনে প্রতিফলিত ও সঞ্চারিত করা যায়। এ কাজ যে পারে, শিল্পরাজ্যের সেই রাজা। ধর্মের জাতপাত, বর্ণভেদ সেখানে একাকার।

উত্তর

রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম 'নরকের দুয়ার'।

উত্তর

➤ ক্রীড়া উদ্দেশ্যহীন বলে মানুষের দেহ-মনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ। ➤ ক্রীড়া হচ্ছে সম্পূর্ণ আনন্দের ব্যাপার। মানুষ যখন খেলা করে, তখন সে একমাত্র আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা ফলের আকাঙ্ক্ষা রাখে না। যে খেলার মধ্যে আনন্দ নেই কিন্তু উপরি কোনো আশা আছে, সেটাকে লেখক খেলা নয়, জুয়াখেলা বলেছেন। যেহেতু খেলার আনন্দ নিরর্থক অর্থগত নয়, সেই কারণে সেটা কারও নিজস্ব হতে পারে না। এই আনন্দে সবার সমান অধিকার। সারকথা: খেলা উদ্দেশ্যহীন বলে মানুষের দেহ-মনের সকল ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ। মানুষ যখন। খেলা করে, তখন সে একমাত্র আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো ফলের আশা রাখে না।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের ব্রাহ্মণশূদ্রের মানবাধিকার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। ➤ শিল্পরাজ্যে খেলা করার প্রবৃত্তির মতো অধিকারও ছোট-বড় সবার সমান আছে। এই পৃথিবীতে একমাত্র খেলার ময়দানে ব্রাহ্মণ- শূদ্রের প্রভেদ নেই। রাজার ছেলের সঙ্গে দরিদ্রের ছেলেরও খেলায় যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। ➤ অনুচ্ছেদে শিল্পরাজ্যে মানবাধিকারের কথা বলা হয়েছে। এখানে জাতপাত বিচার করা হয় না। রাজার ছেলেও সাহিত্য রচনা করে, ছবি এঁকে তার মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে, আবার প্রজা বা দরিদ্র ঘরের ছেলেও তা করতে পারে। এখানে ব্রাহ্মণ- শূদ্রের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। প্রবন্ধে খেলার মাঠে এই মানবাধিকারের কথা বলা হয়েছে। পৃথিবীতে একমাত্র খেলার ময়দানে ব্রাহ্মণ-শূদ্রের প্রভেদ নেই। রাজার ছেলের সঙ্গে দরিদ্রের ছেলেরও খেলায় যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যটিতে প্রতীয়মান হয় যে খেলার ময়দানে যেমন ব্রাহ্মণ-শূদ্র, শিল্পরাজ্যেও তাদের একই অধিকার প্রতিষ্ঠিত। সারকথা: অনুচ্ছেদে শিল্পরাজ্যে ছোট-বড় সবার সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদের এই প্রবন্ধে বর্ণিত ব্রাহ্মণ-পূদ্রের সমানাধিকার প্রতীয়মান হয়। খেলার মাঠে ব্রাহ্মণ-শূদ্রের কোনো প্রভেদ নেই।

উত্তর

➤ উপরের অনুচ্ছেদের 'লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' বাক্যাংশ অবলম্বনে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত 'বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর' মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্যের জগৎ মূলত নিছক আনন্দের জগৎ। মহৎ কবির সৃষ্টি সর্বজনীন আবেদনে পরিপূর্ণ। তার মানসসত্তা প্রতিনিয়তই বিশ্বমানব সত্তা ও সভ্যতার সাথে নিত্যনতুন সংযোগ সাধনের সেতু নির্মাণ করে। ➤ মানুষ নিজেকে প্রকাশ করতে চায়। জয়নুল আবেদীনের মতো ছবি এঁকে, রবীন্দ্রনাথের মতো কবিতা ও গান লিখে নিজের হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা সে অন্য মনে ছড়িয়ে দিতে চায়। এভাবে সে বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ গড়ে তুলতে চায় এবং বেঁচে থাকতে চায় লক্ষ হৃদয়ের মাঝে। উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে মানুষের শিল্পরাজ্যে প্রবেশ করার উদ্দেশ্যটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। ➤ মহৎ কবিরা সাধারণের মতো আত্মকেন্দ্রিক নন। তাঁরা সর্বজনীন এবং বিশ্বনাগরিক। একজন মহৎ কবির মনে প্রতিনিয়ত যে ভাবের উদয় হয়, সেই ভাবকে তিনি কবিতার মাধ্যমে চিত্রিত করে ছড়িয়ে দেন বিশ্ববাসীর কাছে। ফলে কবিমনের সঙ্গেঙ্গ বিশ্বমানবের নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। কবির মনের কথাগুলো অসংখ্য পাঠকের মনে প্রবেশ করে। এটার একটাই লক্ষ্য- সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: সৃষ্টির মধ্য দিয়ে শিল্পপ্রন্টারা তাঁদের ভাবকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্বমানবের মধ্যে বেঁচে থাকতে চান। কাজেই • উদ্দীপকের দক্ষ যুদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা' কথাটি অবলম্বনে প্রবন্ধে বর্ণিত বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর' কথাটি আমার মতে যথার্থ হয়েছে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।