বাজারে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ কীভাবে নির্ধারিত হয় তা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উপরের সূচি থেকে বাজার ভারসাম্যের চিত্র অঙ্কন করে ব্যাখ্যা করা হলো- [চিত্র] চিত্রে দেখা যায়, দ্রব্যের দাম যখন ৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ৪০ একক এবং জোগানের পরিমাণ ২০ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান হওয়ায় দ্রব্যটির দাম বাড়বে। অন্যদিকে, দ্রব্যটির দাম যখন ১৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ২০ একক এবং জোগানের পরিমাণ ৪০ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় দ্রব্যটির দাম কমবে। কিন্তু দ্রব্যটির দাম যখন ১০ টাকা তখন চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ ৩০ একক, যা পরস্পর সমান। এক্ষেত্রে চাহিদা = জোগান এবং বাজার স্থিতিশীল হবে, যাকে বাজার ভারসাম্য বলে। চিত্রে বাজার চাহিদা ও জোগান রেখার ছেদ বিন্দু E হচ্ছে বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব ভারসাম্য দাম হলো ১০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ৩০।
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
বাজারে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ কীভাবে নির্ধারিত হয় তা উদ্দীপকের আলোকে…
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে চাহিদার পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দাম নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের সূচি অনুযায়ী দ্রব্যের দাম যখন ১৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ২০ একক, চিত্রে যার সমন্বয় বিন্দু a। এখন দ্রব্যের দাম কমে ১০ ও ৫ টাকা হলে চাহিদার পরিমাণ বেড়ে যথাক্রমে ৩০ ও ৪০ একক হয় যাদের সমন্বয় বিন্দুসমূহ যথাক্রমে b ও c। এখন সমন্বয় বিন্দুসমূহ a, b ও c যোগ করে DD রেখা পাওয়া যায়।
উক্ত DD রেখাই উদ্দীপকের সূচি থেকে অঙ্কিত চাহিদা রেখা।উত্তর
চিত্রে দেখা যায়, দ্রব্যের দাম যখন ৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ৪০ একক এবং জোগানের পরিমাণ ২০ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান হওয়ায় দ্রব্যটির দাম বাড়বে।
অন্যদিকে, দ্রব্যটির দাম যখন ১৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ২০ একক এবং জোগানের পরিমাণ ৪০ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় দ্রব্যটির দাম কমবে। কিন্তু দ্রব্যটির দাম যখন ১০ টাকা তখন চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ ৩০ একক, যা পরস্পর সমান। এক্ষেত্রে চাহিদা = জোগান এবং বাজার স্থিতিশীল হবে, যাকে বাজার ভারসাম্য বলে।
চিত্রে বাজার চাহিদা ও জোগান রেখার ছেদ বিন্দু E হচ্ছে বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব ভারসাম্য দাম হলো ১০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ৩০।