শেয়ারFacebookWhatsApp

জামালের দেশে কোন অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের জামালের দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। কেননা জামালের দেশে শিল্পকারখানা ও যেকোনো বৈধ অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন করতে কোনো সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন হয় না, যা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ধনতান্ত্রিক দেশে কলকারখানা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্থাপনায় সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। বাজারে চাহিদা ও যোগান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারণ করে। প্রত্যেক ভোক্তা তার নিজস্ব পছন্দ, ইচ্ছা ও রুচি অনুযায়ী অবাধে দ্রব্য ক্রয় ও ভোগ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যায়, যে অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং প্রধানত বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থার মাধ্যমে যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাকে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ বা উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে। ব্যক্তি এগুলো হস্তান্তর ও ভোগ করে থাকে। অধিকাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন-উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন, ভোগ প্রভৃতি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়। এসব উদ্যোগে সরকারের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের আলোকে দেখা যায়, জামালের দেশের সাথে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। তাই জামালের দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থবস্থা বিদ্যমান।

SSC অর্থনীতি অধ্যায়-২ : অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ধারণাসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-২ : অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ধারণাসমূহ · সৃজনশীল

জামালের দেশে কোন অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান তা ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

জামাল ও তার প্রবাসী বন্ধু কামালের কথোপকথন- জামাল: আমাদের দেশে শিল্পকারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিতে হয় না। যেকোনো ব্যক্তি ইচ্ছা করলে যেকোনো বৈধ অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন করতে পারে। কামাল: কিন্তু আমাদের দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিল্পকারখানা স্থাপন করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্র শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা ও নিয়ন্ত্রণ করে।

Dhaka · 2019

উত্তর

দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যস্তর বেড়ে যাওয়ার অবস্থাই মুদ্রাস্ফীতি।

উত্তর

কোনো একটি জিনিস পাওয়ার জন্য অন্য একটিকে ত্যাগ করতে হয়। এ ত্যাগকৃত পরিমাণই হলো অন্য দ্রব্যটির সুযোগ ব্যয়। মানুষের অভাব অসীম। কিন্তু সেই অভাব পূরণের সম্পদ সীমিত। এ সীমিত সম্পদ থেকে অসীম অভাব পূরণের ক্ষেত্রে মানুষকে নির্বাচন করতে হয়। এখান থেকেই সুযোগ ব্যয় ধারণাটির উদ্ভব।

উত্তর

উদ্দীপকের জামালের দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। কেননা জামালের দেশে শিল্পকারখানা ও যেকোনো বৈধ অর্থনৈতিক কার্যাবলি সম্পাদন করতে কোনো সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন হয় না, যা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। ধনতান্ত্রিক দেশে কলকারখানা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্থাপনায় সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। বাজারে চাহিদা ও যোগান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারণ করে। প্রত্যেক ভোক্তা তার নিজস্ব পছন্দ, ইচ্ছা ও রুচি অনুযায়ী অবাধে দ্রব্য ক্রয় ও ভোগ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যায়, যে অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং প্রধানত বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থার মাধ্যমে যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাকে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ বা উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে। ব্যক্তি এগুলো হস্তান্তর ও ভোগ করে থাকে। অধিকাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেমন-উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন, ভোগ প্রভৃতি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়। এসব উদ্যোগে সরকারের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের আলোকে দেখা যায়, জামালের দেশের সাথে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। তাই জামালের দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থবস্থা বিদ্যমান।

উত্তর

উদ্দীপকের জামালের দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা হলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা আয় বৈষম্য সৃষ্টি করে বিষয়টির সাথে আমি একমত। সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা থাকার কারণে এখানে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত প্রভৃতি শ্রেণির উদ্ভব হয়। এরূপ সমাজে উচ্চবিত্তগণ শোষক এবং নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্তগণ দিন দিন দরিদ্র থেকে হতদরিদ্রে পরিণত হয়। শ্রেণিবিভক্তি ধনতন্ত্রের ফলস্বরূপ। মুনাফা আহরণকে সামনে রেখে ধনতন্ত্রে উৎপাদনকার্য পরিচালিত হয়। যেসব ক্ষেত্রে মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। ধনতন্ত্রে আয় ও সম্পদ বণ্টনে অসমতা বা বৈষম্য দেখা যায়। ব্যক্তিমালিকানা থাকায় সম্পদের বণ্টন অসম হয় এক্ষেত্রে যার সম্পদ যত বেশি তার আয় তত বেশি। ধনতন্ত্রে পুঁজিপতিরা উৎপাদনের উদ্বৃত্তের মালিক। শ্রমিকদেরকে শোষণ করে দিন দিন তাদের পুঁজি কেন্দ্রীভূতকরণ করে। উৎপাদন ও পুঁজির কেন্দ্রীভূতকরণের মাধ্যমে দিন দিন তাদের সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে জামালের দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা অর্থাৎ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা আয় বৈষম্য বৃদ্ধি করে।
SSCঅর্থনীতিঅধ্যায়-২ : অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ধারণাসমূহ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সকল দ্রব্য পণ্য নয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

সকল দ্রব্য পণ্য নয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মধ্যবর্তী দ্রব্য সম্পর্কে ধারণা দাও।

মধ্যবর্তী দ্রব্য সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণকে অর্থনীতিতে সম্পদ নয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণকে অর্থনীতিতে সম্পদ নয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পানি সম্পদ সম্পর্কে লেখো।

পানি সম্পদ সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.হস্তান্তরযোগ্যতা বলতে কী বোঝ?

হস্তান্তরযোগ্যতা বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সঞ্চয় সম্পর্কে লেখো।

সঞ্চয় সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নদীর পানি কোন ধরনের দ্রব্য? ব্যাখ্যা করো।

নদীর পানি কোন ধরনের দ্রব্য? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মূলধনি দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?

মূলধনি দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রামাণিক মুদ্রা কাকে বলে?

প্রামাণিক মুদ্রা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.চয়ন বলতে কী বোঝায়?

চয়ন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সুযোগ ব্যয় কী?

সুযোগ ব্যয় কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অপ্রাচুর্যতা সম্পর্কে লেখো।

অপ্রাচুর্যতা সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।