দ্রব্যের দাম যখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তখন চাহিদা ও যোগানের অবস্থা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: দ্রব্যের দাম যখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন অর্থাৎ ১৫০ ও ৫০ তখন চাহিদা ও যোগানের অবস্থা উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো- [চিত্র] উদ্দীপকের চিত্রে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা দামে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ২০ ও ৮০ কেজি। এ দামে চাহিদা অপেক্ষা যোগানের পরিমাণ বেশি। চাহিদা অপেক্ষা যোগান বেশি হলে দাম কমবে। ফলে দাম কমে ১৫০ থেকে ১০০-তে আসবে। যেখানে চাহিদা ও যোগান সমান হবে। আবার দাম যদি সর্বনিম্ন ৫০ টাকা হয় তাহলে যোগানের পরিমাণ ২০ কেজি এবং চাহিদার পরিমাণ ৮০ কেজি। অর্থাৎ এখানে যোগানের তুলনায় চাহিদার পরিমাণ বেশি। ফলে দ্রব্যের দাম অবশ্যই বাড়বে এবং দাম ১০০-তে গিয়ে স্থির হবে। যেখানে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ পরস্পর সমান। এভাবে দেখা যায়, দাম যখন ১০০ হয়, কেবল তখনই চাহিদা ও যোগানের মোট পরিমাণ সমান, অর্থাৎ ৫০ কেজি।.
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
দ্রব্যের দাম যখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তখন চাহিদা ও যোগানের অবস্থা উ…
উদ্দীপক

Chittagong · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
বাজারের একটি সাধারণ দৃশ্য হলো ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে দ্রব্যের দাম নিয়ে দর কষাকষি করা। ক্রেতা চেষ্টা করে সর্বনিম্ন দামে দ্রব্যটি ক্রয় করতে। আবার বিক্রেতা চেষ্টা করে সর্বোচ্চ দামে দ্রব্যটি বিক্রয় করতে। ক্রেতা-বিক্রেতার দর কষাকষির ফলে এমন একটি দামে দ্রব্যটি ক্রয়-বিক্রয় হয়, যেখানে চাহিদা ও যোগান পরস্পর সমান। যে দামে দ্রব্যটির চাহিদা ও যোগান সমান হয় তাকে ভারসাম্য দাম বলে।
ভারসাম্য দামে যে পরিমাণ দ্রব্য কেনাবেচা হয় তাকে ভারসাম্য পরিমাণ বলে। উদ্দীপকের চিত্রে চাহিদা ও যোগান রেখা DD ও SS পরস্পর E বিন্দুতে ছেদ করায় E বিন্দু হলো ভারসাম্য বিন্দু। এই ভারসাম্য বিন্দু অনুসারে দ্রব্যের দাম ১০০ টাকা এবং ভারসাম্য চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ ৫০ কেজি।উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা দামে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ২০ ও ৮০ কেজি। এ দামে চাহিদা অপেক্ষা যোগানের পরিমাণ বেশি। চাহিদা অপেক্ষা যোগান বেশি হলে দাম কমবে। ফলে দাম কমে ১৫০ থেকে ১০০-তে আসবে। যেখানে চাহিদা ও যোগান সমান হবে। আবার দাম যদি সর্বনিম্ন ৫০ টাকা হয় তাহলে যোগানের পরিমাণ ২০ কেজি এবং চাহিদার পরিমাণ ৮০ কেজি। অর্থাৎ এখানে যোগানের তুলনায় চাহিদার পরিমাণ বেশি। ফলে দ্রব্যের দাম অবশ্যই বাড়বে এবং দাম ১০০-তে গিয়ে স্থির হবে। যেখানে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ পরস্পর সমান। এভাবে দেখা যায়, দাম যখন ১০০ হয়, কেবল তখনই চাহিদা ও যোগানের মোট পরিমাণ সমান, অর্থাৎ ৫০ কেজি।.