চিত্রের সাহায্যে উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্য ব্যবহার করে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ণয় করো।
উত্তর: উদ্দীপকের সূচির আলোকে রেখাচিত্র অঙ্কন করে পণ্যটির ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ নির্ণয় করা হলো- যে দামে দ্রব্যটির চাহিদা ও যোগান সমান হয় তাকে ভারসাম্য দাম বলে। ভারসাম্য দামে যে পরিমাণ দ্রব্য কেনা-বেচা হয় তাকে ভারসাম্য পরিমাণ বলে। [চিত্র] চিত্রে ভূমি অক্ষে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে পণ্যের দাম নির্দেশ করা হয়েছে। আর DD [গণিত] ও SS [গণিত] হলো যথাক্রমে বিবেচ্য চাহিদা ও যোগান রেখা। দ্রব্যের দাম ৪ টাকা হলে এর চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ২৪ ও ৮ একক। এখানে চাহিদার পরিমাণ বেশি তবে দ্রব্যের যোগান কম। ফলে দাম বাড়বে। আবার, দাম যখন ১২ টাকা তখন চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ৮ ও ২৪ একক। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি। সুতরাং, এক্ষেত্রে দাম কমবে। কিন্তু দাম যখন ৮ টাকা তখন চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ সমান অর্থাৎ ১৬ একক, যা E বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ পরস্পর সমান হওয়ায় E বিন্দুতে ভারসাম্য অর্জিত হবে। এক্ষেত্রে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ হবে যথাক্রমে ৮ টাকা ও ১৬ একক।
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
চিত্রের সাহায্যে উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্য ব্যবহার করে ভারসাম্য দাম ও …
উদ্দীপক

Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে চাহিদার পরিমাণ ও লম্ব অক্ষে দ্রব্যের দাম নির্দেশিত। দ্রব্যের দাম যখন ৪ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ ২৪ একক। যা a বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। দাম বেড়ে যখন ৮ ও ১২ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ যথাক্রমে ১৬ ও ৮ একক। যা b ও c বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। এখন a, b ও c বিন্দুগুলো যোগ করে DD রেখা পাওয়া যায়।
DD রেখাই প্রদত্ত সূচির আলোকে অঙ্কিত চাহিদা রেখা।উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে পণ্যের দাম নির্দেশ করা হয়েছে। আর ও হলো যথাক্রমে বিবেচ্য চাহিদা ও যোগান রেখা। দ্রব্যের দাম ৪ টাকা হলে এর চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ২৪ ও ৮ একক। এখানে চাহিদার পরিমাণ বেশি তবে দ্রব্যের যোগান কম। ফলে দাম বাড়বে। আবার, দাম যখন ১২ টাকা তখন চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ৮ ও ২৪ একক। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় যোগান বেশি। সুতরাং, এক্ষেত্রে দাম কমবে। কিন্তু দাম যখন ৮ টাকা তখন চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ সমান অর্থাৎ ১৬ একক, যা E বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ পরস্পর সমান হওয়ায় E বিন্দুতে ভারসাম্য অর্জিত হবে। এক্ষেত্রে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ হবে যথাক্রমে ৮ টাকা ও ১৬ একক।