সূচিতে দাম ৪০ ও ১২০ টাকা অবস্থায় ভারসাম্য দাম ও পরিমাণের ওপর কীরূপ প্রভাব পড়বে? চিত্রের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের সূচি থেকে বাজার ভারসাম্যের চিত্র অঙ্কন করে ৪০ ও ১২০ টাকা দামের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো- [চিত্র] চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) চিনির দাম (টাকায়) নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্রে DD হলো নিম্নগামী চাহিদারেখা এবং SS হলো ঊর্ধ্বগামী জোগানরেখা। চিত্র অনুযায়ী, চিনির দাম যখন ৮০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ও জোগানের পরিমাণ উভয়ই ৩০ একক, যা পরস্পর সমান। অর্থাৎ, এই দামে চাহিদা = জোগান (৩০ একক) এবং বাজার স্থিতিশীল। চিত্রে DD চাহিদারেখা এবং SS জোগানরেখা পরস্পরকে E বিন্দুতে ছেদ করেছে, যা বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব, ভারসাম্য দাম হলো ৮০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ৩০ একক। ভারসাম্য দামের বাইরে ৪০ ও ১২০ টাকা দামে বাজারে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে চরম ভারসাম্যহীনতা বা অসংগতি সৃষ্টি হয়। চিনির দাম যখন ৪০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ৪৫ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ১৫ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান হওয়ায় বাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দেবে এবং ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম বৃদ্ধি পেতে থাকবে। অন্যদিকে, চিনির দাম যখন ১২০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ১৫ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ৪৫ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় বাজারে চিনির উদ্বৃত্ত দেখা দেবে এবং অবিক্রীত চিনি বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম হ্রাস পেতে থাকবে। অর্থাৎ, ৪০ টাকা ও ১২০ টাকা দামে সৃষ্ট এই ঘাটতি ও উদ্বৃত্ত বাজার প্রক্রিয়ার দর-কষাকষির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় ৮০ টাকা ভারসাম্য দামের দিকেই ধাবিত হবে।
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
সূচিতে দাম ৪০ ও ১২০ টাকা অবস্থায় ভারসাম্য দাম ও পরিমাণের ওপর কীরূপ …
উদ্দীপক

Jessore · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) জোগানের পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) চিনির দাম (টাকায়) নির্দেশ করা হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, চিনির দাম যখন ৪০ টাকা তখন জোগানের পরিমাণ ১৫ একক, যার সমন্বয় বিন্দু a। চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৮০ টাকা ও ১২০ টাকা হলে জোগানের পরিমাণও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৩০ একক ও ৪৫ একক হয়, যাদের সমন্বয় বিন্দু যথাক্রমে b এবং c।
এখন a, b এবং c বিন্দুগুলো যোগ করলে যে SS রেখাটি পাওয়া যায় তা বাম থেকে ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী। এই রেখাটিই হলো উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে অঙ্কিত জোগানরেখা।উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) চিনির দাম (টাকায়) নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্রে DD হলো নিম্নগামী চাহিদারেখা এবং SS হলো ঊর্ধ্বগামী জোগানরেখা।
চিত্র অনুযায়ী, চিনির দাম যখন ৮০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ও জোগানের পরিমাণ উভয়ই ৩০ একক, যা পরস্পর সমান। অর্থাৎ, এই দামে চাহিদা = জোগান (৩০ একক) এবং বাজার স্থিতিশীল। চিত্রে DD চাহিদারেখা এবং SS জোগানরেখা পরস্পরকে E বিন্দুতে ছেদ করেছে, যা বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব, ভারসাম্য দাম হলো ৮০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ৩০ একক।
ভারসাম্য দামের বাইরে ৪০ ও ১২০ টাকা দামে বাজারে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে চরম ভারসাম্যহীনতা বা অসংগতি সৃষ্টি হয়। চিনির দাম যখন ৪০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ৪৫ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ১৫ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান হওয়ায় বাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দেবে এবং ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম বৃদ্ধি পেতে থাকবে। অন্যদিকে, চিনির দাম যখন ১২০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ১৫ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ৪৫ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় বাজারে চিনির উদ্বৃত্ত দেখা দেবে এবং অবিক্রীত চিনি বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম হ্রাস পেতে থাকবে। অর্থাৎ, ৪০ টাকা ও ১২০ টাকা দামে সৃষ্ট এই ঘাটতি ও উদ্বৃত্ত বাজার প্রক্রিয়ার দর-কষাকষির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় ৮০ টাকা ভারসাম্য দামের দিকেই ধাবিত হবে।