উদ্দীপকের সূচি থেকে চিত্রের সাহায্যে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ দেখাও এবং ১৫ ও ৪৫ টাকা দামে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে যে অসংগতি তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের সূচি থেকে বাজার ভারসাম্যের চিত্র অঙ্কন করে বিশ্লেষণ করা হলো- [চিত্র] চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) দ্রব্যের দাম (টাকা) নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্রে DD হলো নিম্নগামী চাহিদারেখা এবং SS হলো ঊর্ধ্বগামী জোগানরেখা। চিত্র অনুযায়ী, দ্রব্যের দাম যখন ৩০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ও জোগানের পরিমাণ উভয়ই ৪০ একক, যা পরস্পর সমান। অর্থাৎ, এই দামে চাহিদা = জোগান (৪০ একক) এবং বাজার স্থিতিশীল। চিত্রে DD চাহিদারেখা এবং SS জোগানরেখা পরস্পরকে E বিন্দুতে ছেদ করেছে। এই E বিন্দুই হলো বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব, ভারসাম্য দাম হলো ৩০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ৪০ একক। এখন দ্রব্যের দাম যখন ১৫ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ৬০ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ২০ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান (৬০ > ২০) হওয়ায় বাজারে দ্রব্যটির ঘাটতি দেখা দেবে। ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং তা পুনরায় ভারসাম্য অবস্থার দিকে ধাবিত হবে। অন্যদিকে, দ্রব্যের দাম যখন ৪৫ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ২০ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ৬০ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা (৬০ > ২০) হওয়ায় বাজারে দ্রব্যটির উদ্বৃত্ত দেখা দেবে। অবিক্রীত দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দ্রব্যের দাম হ্রাস পাবে এবং পুনরায় ভারসাম্য দামের দিকে ধাবিত হবে। অতএব, উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, ১৫ টাকা ও ৪৫ টাকা দামে বাজারে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে অসংগতি বা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়, যা কেবল ৩০ টাকা দামেই একটি স্থিতিশীল বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছায়।
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
উদ্দীপকের সূচি থেকে চিত্রের সাহায্যে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ দেখাও এব…
উদ্দীপক

Comilla · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) চাহিদার পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) দ্রব্যের দাম (টাকা) নির্দেশ করা হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, দ্রব্যের দাম যখন সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা তখন চাহিদার পরিমাণ সর্বনিম্ন ২০ একক, যার সমন্বয় বিন্দু a। দ্রব্যের দাম হ্রাস পেয়ে যখন ৩০ টাকা ও ১৫ টাকা হয়, তখন চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ৪০ একক ও ৬০ একক হয়, যাদের সমন্বয় বিন্দু যথাক্রমে b এবং c।
এখন a, b এবং c বিন্দুগুলো যোগ করলে যে DD রেখাটি পাওয়া যায়, তা বাম থেকে ডানদিকে নিম্নগামী। এই রেখাটিই হলো উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে অঙ্কিত চাহিদা রেখা।উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) চাহিদা ও জোগানের পরিমাণ (একক) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) দ্রব্যের দাম (টাকা) নির্দেশ করা হয়েছে। চিত্রে DD হলো নিম্নগামী চাহিদারেখা এবং SS হলো ঊর্ধ্বগামী জোগানরেখা।
চিত্র অনুযায়ী, দ্রব্যের দাম যখন ৩০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ও জোগানের পরিমাণ উভয়ই ৪০ একক, যা পরস্পর সমান। অর্থাৎ, এই দামে চাহিদা = জোগান (৪০ একক) এবং বাজার স্থিতিশীল। চিত্রে DD চাহিদারেখা এবং SS জোগানরেখা পরস্পরকে E বিন্দুতে ছেদ করেছে। এই E বিন্দুই হলো বাজার ভারসাম্য বিন্দু। অতএব, ভারসাম্য দাম হলো ৩০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ৪০ একক।
এখন দ্রব্যের দাম যখন ১৫ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ৬০ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ২০ একক। এক্ষেত্রে চাহিদা > জোগান (৬০ > ২০) হওয়ায় বাজারে দ্রব্যটির ঘাটতি দেখা দেবে। ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং তা পুনরায় ভারসাম্য অবস্থার দিকে ধাবিত হবে। অন্যদিকে, দ্রব্যের দাম যখন ৪৫ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ২০ একক কিন্তু জোগানের পরিমাণ ৬০ একক। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা (৬০ > ২০) হওয়ায় বাজারে দ্রব্যটির উদ্বৃত্ত দেখা দেবে। অবিক্রীত দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দ্রব্যের দাম হ্রাস পাবে এবং পুনরায় ভারসাম্য দামের দিকে ধাবিত হবে।
অতএব, উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, ১৫ টাকা ও ৪৫ টাকা দামে বাজারে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে অসংগতি বা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়, যা কেবল ৩০ টাকা দামেই একটি স্থিতিশীল বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছায়।