তুমি কি মনে করো, রাজু ও দোকানদার পেঁয়াজের বাজারে ভারসাম্য দামে পৌঁছাতে পেরেছে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি মনে করি রাজু ও দোকানদার পেঁয়াজের বাজারে একটি নির্দিষ্ট ভারসাম্য দামে পৌঁছাতে পেরেছে। নিচে এটি যৌক্তিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলো- ক্রেতা ও বিক্রেতার দরকষাকষির ফলে যে দামে দ্রব্যের চাহিদা ও জোগান পরস্পর সমান হয়, তাকে ভারসাম্য দাম বলে। উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে রাজুর (ক্রেতা) চাহিদা এবং দোকানদারের (বিক্রেতা) জোগানের একটি সূচি নিচে তৈরি করা হলো- [চিত্র] সূচি অনুযায়ী, পেঁয়াজের দাম যখন ৫০ টাকা, তখন রাজুর চাহিদার পরিমাণ ১৩০ কেজি কিন্তু দোকানদারের জোগানের পরিমাণ ১৭০ কেজি। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় বাজারে ৪০ কেজি পেঁয়াজের উদ্বৃত্ত দেখা দেবে এবং অবিক্রীত পেঁয়াজ বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম হ্রাস পাবে। অন্যদিকে, দাম কমে যখন ৪০ টাকা হয়, তখন রাজুর চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০ কেজি হয় এবং দোকানদারের জোগানের পরিমাণ হ্রাস পেয়ে ১৫০ কেজি হয়। অর্থাৎ, এই ৪০ টাকা দামে ক্রেতার চাহিদা ও বিক্রেতার জোগান উভয়ই পরস্পর সমান (১৫০ কেজি) হয়ে যায়। অতএব, উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, রাজু ও দোকানদার পেঁয়াজের বাজারে ৪০ টাকা দামে এবং ১৫০ কেজি পরিমাণে একটি নিখুঁত বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৩ : উপযোগ, চাহিদা, যোগান ও ভারসাম্য · সৃজনশীল
তুমি কি মনে করো, রাজু ও দোকানদার পেঁয়াজের বাজারে ভারসাম্য দামে পৌঁছ…
উদ্দীপক
Mymensingh · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX অক্ষে) পেঁয়াজের জোগানের পরিমাণ (কেজি) এবং লম্ব অক্ষে (OY অক্ষে) দাম (টাকায়) নির্দেশ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী, পেঁয়াজের দাম যখন ৪০ টাকা তখন দোকানদারের জোগানের পরিমাণ ১৫০ কেজি, যার সমন্বয় বিন্দু a। দাম বৃদ্ধি পেয়ে যখন ৫০ টাকা হয়, তখন বেশি লাভের আশায় দোকানদার জোগানের পরিমাণ বাড়িয়ে ১৭০ কেজি করে, যার সমন্বয় বিন্দু b।
এখন a এবং b বিন্দু দুটি যোগ করলে যে SS রেখাটি পাওয়া যায় তা বাম থেকে ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী। এই রেখাটিই হলো উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে অঙ্কিত পাইকারি বাজারের দোকানদারের জোগান রেখা।উত্তর
সূচি অনুযায়ী, পেঁয়াজের দাম যখন ৫০ টাকা, তখন রাজুর চাহিদার পরিমাণ ১৩০ কেজি কিন্তু দোকানদারের জোগানের পরিমাণ ১৭০ কেজি। এক্ষেত্রে জোগান > চাহিদা হওয়ায় বাজারে ৪০ কেজি পেঁয়াজের উদ্বৃত্ত দেখা দেবে এবং অবিক্রীত পেঁয়াজ বিক্রয়ের জন্য বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে দাম হ্রাস পাবে।
অন্যদিকে, দাম কমে যখন ৪০ টাকা হয়, তখন রাজুর চাহিদার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০ কেজি হয় এবং দোকানদারের জোগানের পরিমাণ হ্রাস পেয়ে ১৫০ কেজি হয়। অর্থাৎ, এই ৪০ টাকা দামে ক্রেতার চাহিদা ও বিক্রেতার জোগান উভয়ই পরস্পর সমান (১৫০ কেজি) হয়ে যায়।
অতএব, উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, রাজু ও দোকানদার পেঁয়াজের বাজারে ৪০ টাকা দামে এবং ১৫০ কেজি পরিমাণে একটি নিখুঁত বাজার ভারসাম্য অবস্থায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।