শেয়ারFacebookWhatsApp

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: আইনের শাসন বলতে আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার এবং আইন অনুযায়ী বিচার লাভকে বোঝায়, যা প্রতিষ্ঠায় বিচারবিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যদি বিচারকগণ শাসনবিভাগ বা প্রভাবশালী কোনো মহলের চাপের মুখে থাকেন, তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। বিচারবিভাগ স্বাধীন থাকলে সংবিধানের পবিত্রতা রক্ষা পায় এবং নাগরিকগণ তাদের মৌলিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা লাভ করতে পারেন। বিচারবিভাগ মূলত আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখে। উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বা বিচারবিভাগ মূলত আইনের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করে। সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতের বিচারকগণ যদি নির্ভয়ে রায় প্রদান করতে পারেন, তবেই অপরাধীর শাস্তি এবং নিরপরাধীর মুক্তি নিশ্চিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবেন বলে অঙ্গীকারবদ্ধ। পরিশেষে বলা যায়, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ছাড়া রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব। যদি এই বিভাগ স্বাধীন না থাকে, তবে সবলরা দুর্বলদের ওপর শোষণ চালাবে এবং সংবিধান কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বিচারবিভাগের সক্রিয় ও স্বাধীন ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতাকে কোনোভাবেই অবহেলা করার সুযোগ নেই।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা · সৃজনশীল

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূ…

উদ্দীপক

'ক' বাংলাদেশে লেখাপড়া শেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারের এমন একটি বিভাগে যোগ দিলেন, যা নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে। বিভাগটি আইনের শাসন নিশ্চিত এবং সংবিধান অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে সচেতন থাকে।

Barisal · 2026

উত্তর

সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়গুলো যেখানে অবস্থিত এবং যেখান থেকে দেশের প্রশাসনিক সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে সচিবালয় বলে।

উত্তর

উপজেলার প্রশাসনিক কাজ তদারকি করা এবং সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও)। তিনি উপজেলা পর্যায়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি সরকারি অর্থের ব্যয় তত্ত্বাবধান করেন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ ও ত্রাণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন। মূলত কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনকে সচল রাখাই তাঁর কাজের মূল লক্ষ্য।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' বাংলাদেশ সরকারের বিচারবিভাগে যোগ দিয়েছেন, যা মূলত সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত। বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ স্তরের নাম হলো সুপ্রিম কোর্ট, যার দুটি বিভাগ রয়েছে- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের প্রধানকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়। এছাড়া স্থানীয় বা জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতসহ বিভিন্ন অধস্তন আদালত রয়েছে। নির্দিষ্ট প্রশাসনিক বা বিশেষ বিষয়ের বিচারের জন্য সংসদ বিশেষ ট্রাইব্যুনালও গঠন করতে পারে। উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' এমন একটি বিভাগে কাজ করেন যা নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধান অক্ষুণ্ণ রাখতে দায়বদ্ধ। এই গুরুদায়িত্বগুলো বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত। সুপ্রিম কোর্ট ও এর অধীনে থাকা সকল স্তরের বিচারকগণ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন। সুতরাং, 'ক'-এর কর্মস্থলটি দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে শুরু করে জেলা ও তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর অংশ।

উত্তর

আইনের শাসন বলতে আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার এবং আইন অনুযায়ী বিচার লাভকে বোঝায়, যা প্রতিষ্ঠায় বিচারবিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যদি বিচারকগণ শাসনবিভাগ বা প্রভাবশালী কোনো মহলের চাপের মুখে থাকেন, তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। বিচারবিভাগ স্বাধীন থাকলে সংবিধানের পবিত্রতা রক্ষা পায় এবং নাগরিকগণ তাদের মৌলিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা লাভ করতে পারেন। বিচারবিভাগ মূলত আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখে। উদ্দীপকের উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বা বিচারবিভাগ মূলত আইনের শাসন নিশ্চিত করতে কাজ করে। সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতের বিচারকগণ যদি নির্ভয়ে রায় প্রদান করতে পারেন, তবেই অপরাধীর শাস্তি এবং নিরপরাধীর মুক্তি নিশ্চিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবেন বলে অঙ্গীকারবদ্ধ। পরিশেষে বলা যায়, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ছাড়া রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব। যদি এই বিভাগ স্বাধীন না থাকে, তবে সবলরা দুর্বলদের ওপর শোষণ চালাবে এবং সংবিধান কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বিচারবিভাগের সক্রিয় ও স্বাধীন ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এই প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতাকে কোনোভাবেই অবহেলা করার সুযোগ নেই।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাঅধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূ… | Prosthuti