শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের 'ক' বিভাগের দ্বারা 'খ' বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয়"- উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো।

উত্তর: "উদ্দীপকের 'ক' বিভাগ (আইনবিভাগ) দ্বারা 'খ' বিভাগ (নির্বাহী, বিভাগ) নিয়ন্ত্রিত হয়"- উক্তিটি বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ যথার্থ এবং যৌক্তিক। আইনবিভাগ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় বিধি বা আইন প্রণয়ন করে, যা বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, নির্বাহী বা শাসনবিভাগ সেই প্রণীত আইনগুলোকে দেশে বাস্তবায়ন করে এবং দৈনন্দিন শাসনকার্য পরিচালনা করে। সংসদীয় ব্যবস্থায় এই নির্বাহী বিভাগ বা মন্ত্রিপরিষদ তাদের সকল কাজের জন্য সর্বদা আইনবিভাগ অর্থাৎ সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। উদ্দীপকের ছকে 'ক' বিভাগের কাজ বিধি প্রণয়ন এবং 'খ' বিভাগের কাজ বিধি-বিধান বাস্তবায়ন হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা যথাক্রমে সরকারের আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগকে নির্দেশ করে। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবে। আইনবিভাগ বা জাতীয় সংসদ বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, সংসদীয় কমিটি এবং সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে শাসনবিভাগের ওপর নিজেদের শক্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। শাসনবিভাগ চাইলেই যেকোনো খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, কারণ তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য আইনসভায় জবাবদিহি করতে হয়। আইনবিভাগ চাইলে নির্বাহী বিভাগের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও আনতে পারে। সংসদ কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করলে সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। অর্থাৎ শাসনবিভাগের টিকে থাকা সরাসরি আইনবিভাগের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং, এই সুদৃঢ় জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার কারণেই উক্তিটি সঠিক যে, নির্বাহী বিভাগ সর্বদা আইনবিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের 'ক' বিভাগের দ্বারা 'খ' বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয়"- উক্তিটির যথ…

উদ্দীপক

question image

Sylhet · 2026

উত্তর

শাসন বিভাগ মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

উত্তর

অভিশংসন হলো সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর কোনো অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করার একটি বিশেষ সংসদীয় পদ্ধতি। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাধারণত আদালতের উর্ধ্বে থাকেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা যায় না। তবে তিনি যদি সংবিধান লঙ্ঘন করেন বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তখন জাতীয় সংসদ এই অভিশংসন পদ্ধতির মাধ্যমে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে পদচ্যুত করতে পারে।

উত্তর

উদ্দীপকে 'গ' দ্বারা বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের অন্যতম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বিচারবিভাগ'-কে নির্দেশ করা হয়েছে। সরকারের যে বিভাগ রাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনা করে, আইনের সঠিক ব্যাখ্যা দেয় এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে, তাকে বিচারবিভাগ বলে। সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে এই বিভাগ গঠিত। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারবিভাগ দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখে, অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করে এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। উদ্দীপকের ছকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'গ' বিভাগের প্রধান কাজ হলো বিধি-বিধান রক্ষা করা এবং আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করা। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আইনের যেকোনো জটিল বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদান করে এবং হাইকোর্ট বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বা বিধি-বিধান রক্ষায় কাজ করে। যেহেতু উদ্দীপকের 'গ' বিভাগের কার্যাবলি সরাসরি বিচারবিভাগের প্রধান কাজগুলোর সাথে হুবহু মিলে যায়, তাই এটি নিশ্চিতভাবে সরকারের - বিচারবিভাগকেই তুলে ধরেছে।

উত্তর

"উদ্দীপকের 'ক' বিভাগ (আইনবিভাগ) দ্বারা 'খ' বিভাগ (নির্বাহী, বিভাগ) নিয়ন্ত্রিত হয়"- উক্তিটি বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ যথার্থ এবং যৌক্তিক। আইনবিভাগ রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় বিধি বা আইন প্রণয়ন করে, যা বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত। অন্যদিকে, নির্বাহী বা শাসনবিভাগ সেই প্রণীত আইনগুলোকে দেশে বাস্তবায়ন করে এবং দৈনন্দিন শাসনকার্য পরিচালনা করে। সংসদীয় ব্যবস্থায় এই নির্বাহী বিভাগ বা মন্ত্রিপরিষদ তাদের সকল কাজের জন্য সর্বদা আইনবিভাগ অর্থাৎ সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। উদ্দীপকের ছকে 'ক' বিভাগের কাজ বিধি প্রণয়ন এবং 'খ' বিভাগের কাজ বিধি-বিধান বাস্তবায়ন হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা যথাক্রমে সরকারের আইনবিভাগ ও শাসনবিভাগকে নির্দেশ করে। আমাদের সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবে। আইনবিভাগ বা জাতীয় সংসদ বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, সংসদীয় কমিটি এবং সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে শাসনবিভাগের ওপর নিজেদের শক্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। শাসনবিভাগ চাইলেই যেকোনো খেয়ালখুশিমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, কারণ তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য আইনসভায় জবাবদিহি করতে হয়। আইনবিভাগ চাইলে নির্বাহী বিভাগের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবও আনতে পারে। সংসদ কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করলে সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। অর্থাৎ শাসনবিভাগের টিকে থাকা সরাসরি আইনবিভাগের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং, এই সুদৃঢ় জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার কারণেই উক্তিটি সঠিক যে, নির্বাহী বিভাগ সর্বদা আইনবিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাঅধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।