শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার যে ব্যক্তির মিল রয়েছে তিনিই শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি"- যুক্তি সহকারে বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উক্তিটি মূলত বাংলাদেশের 'প্রধানমন্ত্রী'-কে নির্দেশ করে যা অত্যন্ত যথার্থ। বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রকৃত সরকার প্রধান এবং শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর নেতৃত্বে দেশের সম্পূর্ণ নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সহযোগিতায় শাসনসংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়, এ কারণে তাঁকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদক যেমন সভাপতির আস্থাভাজন হিসেবে নিয়োগ পেয়ে মূল দায়িত্ব পালন করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও রাষ্ট্রপতির নিকট সংসদ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রতীয়মান হয়ে নিয়োগ লাভ করেন। শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা অপরিহার্য; তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যা নির্ধারণ ও তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন এবং এটি প্রমাণ করে যে তিনি শাসনব্যবস্থার প্রকৃত পরিচালক। পরিশেষে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী একই সাথে সংসদের নেতা এবং নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। দেশের যেকোনো জরুরি অবস্থায় তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারেন এবং তাঁর মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির মধ্যে সমন্বয় ঘটে। সুতরাং, রাষ্ট্রপতির নামে শাসনকার্য চললেও প্রকৃত ক্ষমতার প্রয়োগ ও সফল পরিচালনার মূল কারিগর বা মধ্যমণি হলেন প্রধানমন্ত্রী।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার যে ব্যক…

উদ্দীপক

'ভাওড়া' গ্রামের জনসাধারণ এলাকার উন্নয়নের জন্য শাপলা শালুক নামে একটি সংঘ গড়ে তুলে। উক্ত সংঘের জন্য গ্রামের অধিকাংশের মতামতের ভিত্তিতে কয়েকজন সদস্য নির্বাচিত হয় এবং সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে একজন সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সভাপতি সাহেব, সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন। সংঘটির যাবতীয় কর্মকাণ্ড সভাপতির নামে পরিচালিত হলেও মূলত সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য সদস্যগণ মূল দায়িত্ব পালন করেন।

Mymensingh · 2026

উত্তর

বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

উত্তর

বাংলাদেশকে গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলা হয় কারণ এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক হলো জনগণ। প্রজাতন্ত্র হিসেবে এই রাষ্ট্রে কোনো বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্র নেই; বরং জনগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংবিধানেও এই জনমালিকানার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মূলত জনগণের কল্যাণ সাধন করা, তাই একে গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'শাপলা শালুক' সংঘের সভাপতির সাথে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সম্মানীয় ব্যক্তি 'রাষ্ট্রপতির' পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে। বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন। তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাঁর নামে রাষ্ট্রের শাসনসংক্রান্ত সকল কাজ পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের নিয়োগ দান করেন। উদ্দীপকের সংঘের সভাপতি যেমন সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন এবং তাঁর নামে সকল কাজ পরিচালিত হয়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিও ঠিক একইভাবে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতির প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করা, স্থগিত রাখা কিংবা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দেওয়া। তিনি সংসদে গৃহীত বিলে সম্মতি দান করে তা আইনে পরিণত করেন এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ দেন। মূলত রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক সম্মতির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদিত হয়।

উত্তর

উক্তিটি মূলত বাংলাদেশের 'প্রধানমন্ত্রী'-কে নির্দেশ করে যা অত্যন্ত যথার্থ। বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রকৃত সরকার প্রধান এবং শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর নেতৃত্বে দেশের সম্পূর্ণ নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সহযোগিতায় শাসনসংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়, এ কারণে তাঁকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদক যেমন সভাপতির আস্থাভাজন হিসেবে নিয়োগ পেয়ে মূল দায়িত্ব পালন করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও রাষ্ট্রপতির নিকট সংসদ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রতীয়মান হয়ে নিয়োগ লাভ করেন। শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা অপরিহার্য; তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যা নির্ধারণ ও তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন এবং এটি প্রমাণ করে যে তিনি শাসনব্যবস্থার প্রকৃত পরিচালক। পরিশেষে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী একই সাথে সংসদের নেতা এবং নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। দেশের যেকোনো জরুরি অবস্থায় তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারেন এবং তাঁর মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির মধ্যে সমন্বয় ঘটে। সুতরাং, রাষ্ট্রপতির নামে শাসনকার্য চললেও প্রকৃত ক্ষমতার প্রয়োগ ও সফল পরিচালনার মূল কারিগর বা মধ্যমণি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাঅধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।