“উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার যে ব্যক্তির মিল রয়েছে তিনিই শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি"- যুক্তি সহকারে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উক্তিটি মূলত বাংলাদেশের 'প্রধানমন্ত্রী'-কে নির্দেশ করে যা অত্যন্ত যথার্থ। বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রকৃত সরকার প্রধান এবং শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর নেতৃত্বে দেশের সম্পূর্ণ নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সহযোগিতায় শাসনসংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়, এ কারণে তাঁকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদক যেমন সভাপতির আস্থাভাজন হিসেবে নিয়োগ পেয়ে মূল দায়িত্ব পালন করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও রাষ্ট্রপতির নিকট সংসদ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রতীয়মান হয়ে নিয়োগ লাভ করেন। শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা অপরিহার্য; তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যা নির্ধারণ ও তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন এবং এটি প্রমাণ করে যে তিনি শাসনব্যবস্থার প্রকৃত পরিচালক। পরিশেষে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী একই সাথে সংসদের নেতা এবং নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। দেশের যেকোনো জরুরি অবস্থায় তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারেন এবং তাঁর মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির মধ্যে সমন্বয় ঘটে। সুতরাং, রাষ্ট্রপতির নামে শাসনকার্য চললেও প্রকৃত ক্ষমতার প্রয়োগ ও সফল পরিচালনার মূল কারিগর বা মধ্যমণি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা · সৃজনশীল
“উদ্দীপকের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার যে ব্যক…
উদ্দীপক
Mymensingh · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর