শেয়ারFacebookWhatsApp

ছক-১-এ কাকে নির্দেশ করে? তার ক্ষমতা ও কাজ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ছক-১-এ রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের ছক-১-এর তথ্যগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সেগুলো দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। কেননা, রাষ্ট্রপতি শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে নানারকম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ ও কাজ করে থাকেন। বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন। অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী, রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা যেমন-মহাহিসাবরক্ষক, রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনীর প্রধানকে নিয়োগ করেন। সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না। বরেণ্য ব্যক্তিদের খেতাব, পদক প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। তিনি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। তার অনুমতি ব্যতীত দেশের কোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের দেওয়া সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না। যুদ্ধ বা অন্য দেশ কর্তৃক আক্রান্ত হলে বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বিনষ্ট হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। এছাড়া দেশকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি সর্বশেষ পিলার হিসেবে কাজ করে।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা · সৃজনশীল

ছক-১-এ কাকে নির্দেশ করে? তার ক্ষমতা ও কাজ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2024

উত্তর

বাংলাদেশ সরকারের যে বিভাগের ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হয় তাকে শাসন বিভাগ বলে।

উত্তর

অভিশংসন (Impeachment) হলো গুরুতর অপরাধে জাতীয় সংসদ কর্তৃক রাষ্ট্রপতির অপসারণ পদ্ধতি। বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে আদালতে কোনো অভিযোগ আনা যায় না। তবে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর কোনো অভিযোগে জাতীয় সংসদ অভিশংসনের মাধ্যমে তাকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অপসারণ করতে পারে। রাষ্ট্রপতির অপসারণের এরূপ বিশেষ পদ্ধতিকে বলা হয় অভিশংসন।

উত্তর

ছক-১-এ রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের ছক-১-এর তথ্যগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সেগুলো দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। কেননা, রাষ্ট্রপতি শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে নানারকম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ ও কাজ করে থাকেন। বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন। অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী, রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা যেমন-মহাহিসাবরক্ষক, রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনীর প্রধানকে নিয়োগ করেন। সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বিলটি আইনে পরিণত হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না। বরেণ্য ব্যক্তিদের খেতাব, পদক প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। তিনি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। তার অনুমতি ব্যতীত দেশের কোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের দেওয়া সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না। যুদ্ধ বা অন্য দেশ কর্তৃক আক্রান্ত হলে বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বিনষ্ট হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। এছাড়া দেশকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি সর্বশেষ পিলার হিসেবে কাজ করে।

উত্তর

২নং চার্ট-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাজের মাধ্যমেই সরকারের সফলতা বা বিফলতা নির্ভর করে- উক্তিটি যথার্থ। উদ্দীপকের ২নং চার্টের তথ্যে বলা হয়েছে, সংসদ নেতা, কার্যকাল ৫ বছর, তার সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হয় না। এসব তথ্যগুলোর আলোকে' সহজেই অনুমান করা যায় তিনি বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থার প্রধানমন্ত্রী। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার প্রধানমন্ত্রী। তিনি একই সাথে জাতীয় সংসদের নেতা। তিনি এবং তার মন্ত্রিসভা নির্বাহী বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা প্রয়োগ করে। এই মন্ত্রিসভার মেয়াদকাল ৫ বছর। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও নির্দেশনায় সকলেই রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্রের সকল কাজ পরিচালনা করেন। তিনিই মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ ও তাদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন এবং তাদের কাজের তদারক, মূল্যায়ন ও সমন্বয় করেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদকে পরামর্শ এবং অনুমোদন দান করেন। তিনি হলেন জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। সংসদীয় সরকারব্যবস্থার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে কেন্দ্র করে দেশ, জাতি ও সরকার, পরিচালিত হয়। এজন্য তাকে শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি বলা হয়। অতএব উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারব্যবস্থার সকল কাজের একমাত্র দিকনির্দেশক। এ কারণে তার উপরেই দেশের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। সুতরাং তার পদক্ষেপের মধ্যেই মূলত সরকারের সফলতা ও বিফলতা নির্ভর করে থাকে।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাঅধ্যায়-৬ : বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

প্রশাসনকে কেন হৃৎপিন্ডের সাথে তুলনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

সচিবালয়কে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

সুপ্রিম কোর্টের অধীনে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভূমিকা সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোটি ছকচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

মন্ত্রিপরিষদ বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার স্তম্ভ বলা হয়- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।