শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত পানির এরূপ আচরণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সকাল বেলায় সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে উপরে উঠে অর্থাৎ জোয়ার এবং সন্ধ্যার সময় তা আবার নেমে গেছে অর্থাৎ ভাটা। কয়েকটি কারণে মূলত পানিতে জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। নিচে তা আলোচনা করা হলো- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণেই মূলত জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়। চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী প্রত্যেকটি গ্রহ-উপগ্রহের একে অপরের মধ্যে আকর্ষণ বিদ্যমান। চন্দ্র এবং সূর্যের আকর্ষণে পানিরাশি এ রকম স্ফীত হয়ে উঠে। তবে সূর্য পৃথিবী থেকে দূরে থাকায় এর আকর্ষণ ক্ষমতা কম। পক্ষান্তরে, চন্দ্র পৃথিবীর নিকটবর্তী হওয়ায় এর আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি। বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে যখন সন্ধ্যা হয়ে রাত হয় তখন চন্দ্র সমুদ্রের পানিকে আকর্ষণ করে ফলে পানি ধীরে ধীরে উপরের দিকে স্ফীত হতে থাকে। এ রকম স্ফীত হতে হতে সকাল বেলায় একটা পূর্ণাঙ্গ জোয়ারের সৃষ্টি হয়ে পানি অধিক স্ফীত হয়ে উপরে উঠে আসে। আবার যখন সূর্য উঠে তখন চন্দ্র বিপরীত পাশে থাকে। যেহেতু সূর্যের আকর্ষণ কম এবং চন্দ্রের আকর্ষণ বেশি, এ কারণে তখন কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের স্ফীতকৃত পানি ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে থাকে এবং সন্ধ্যার সময় সম্পূর্ণ পানি নিচে নেমে যাওয়ায় ভাটার সৃষ্টি করে। এভাবে পানি স্থলভাগের উপর উঠানামা করে থাকে।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত পানির এরূপ আচরণের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

তুহিন তার বাবার সঙ্গে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে যায়। সকাল বেলায় তারা দেখতে পায় সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে উপরে উঠে এসেছে কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় পর পানি আবার নেমে গেছে।

উত্তর

চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ বলে।

উত্তর

সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ। বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি হয়। এর ফলেই সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সকাল বেলায় সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে উপরে উঠে অর্থাৎ জোয়ার এবং সন্ধ্যার সময় তা আবার নেমে গেছে অর্থাৎ ভাটা। কয়েকটি কারণে মূলত পানিতে জোয়ারভাটা সংঘটিত হয়। নিচে তা আলোচনা করা হলো- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণেই মূলত জোয়ারভাটার সৃষ্টি হয়। চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী প্রত্যেকটি গ্রহ-উপগ্রহের একে অপরের মধ্যে আকর্ষণ বিদ্যমান। চন্দ্র এবং সূর্যের আকর্ষণে পানিরাশি এ রকম স্ফীত হয়ে উঠে। তবে সূর্য পৃথিবী থেকে দূরে থাকায় এর আকর্ষণ ক্ষমতা কম। পক্ষান্তরে, চন্দ্র পৃথিবীর নিকটবর্তী হওয়ায় এর আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি। বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে যখন সন্ধ্যা হয়ে রাত হয় তখন চন্দ্র সমুদ্রের পানিকে আকর্ষণ করে ফলে পানি ধীরে ধীরে উপরের দিকে স্ফীত হতে থাকে। এ রকম স্ফীত হতে হতে সকাল বেলায় একটা পূর্ণাঙ্গ জোয়ারের সৃষ্টি হয়ে পানি অধিক স্ফীত হয়ে উপরে উঠে আসে। আবার যখন সূর্য উঠে তখন চন্দ্র বিপরীত পাশে থাকে। যেহেতু সূর্যের আকর্ষণ কম এবং চন্দ্রের আকর্ষণ বেশি, এ কারণে তখন কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের স্ফীতকৃত পানি ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে থাকে এবং সন্ধ্যার সময় সম্পূর্ণ পানি নিচে নেমে যাওয়ায় ভাটার সৃষ্টি করে। এভাবে পানি স্থলভাগের উপর উঠানামা করে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তুহিনের দেখা বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পানির এরূপ আচরণ অর্থাৎ জোয়ারভাটাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। জোয়ারভাটার মাধ্যমে ভূখণ্ড হতে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়। এ প্রক্রিয়ার ফলে নদীর মোহনাও পরিষ্কার থাকে। দৈনিক দুবার জোয়ারভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না। জোয়ারভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। জোয়ারের পানি নদীর মাধ্যমে সেচকার্যে সহায়তা করে এবং অনেকসময় খাল খনন করে জোয়ারের পানি আটকিয়ে সেচকার্যে ব্যবহার করা হয়। শীতপ্রধান দেশে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জোয়ারের সাহায্যে নদীতে প্রবেশ করে এবং এর ফলে নদীর পানি সহজে জমে না। জোয়ারভাটার ফলে নৌযান চলাচলের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের 'সুবিধা হয়। জোয়ারের সময় নদীর মোহনায় ও তার অভ্যন্তরে পানি অধিক হয় বলে বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজের পক্ষে নদীতে প্রবেশ করা সুবিধা হয়। আবার ভাটার টানে ঐ জাহাজ অনায়াসে সমুদ্রে নেমে আসতে পারে। বাংলাদেশের দুটি প্রধান সামুদ্রিক বন্দর পতেঙ্গা ও মংলা এবং অন্যান্য উপকূলবর্তী নদীবন্দর সচল রাখতে জোয়ারভাটার ভূমিকা রয়েছে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার তিথিতে নদীতে জোয়ারের সময় বান ডাকার ফলে অনেক সময় নৌকা, লঞ্চ প্রভৃতি ডুবে যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এতে নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় জানমালের ক্ষতি হয়। সুতরাং বলা যায়, জোয়ারভাটার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক দিক দিয়ে যথেষ্ট কল্যাণ বয়ে আনে।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.জোয়ার ও ভাটা কাকে বলে?

জোয়ার ও ভাটা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার প্রভাব লেখ।

সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার প্রভাব লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.গভীর সমুদ্রখাত কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

গভীর সমুদ্রখাত কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিমজ্জিত শৈলশিরা কী?

নিমজ্জিত শৈলশিরা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?

কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জোয়ারভাটা কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।

জোয়ারভাটা কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সমুদ্রস্রোতের কারণ ব্যাখ্যা করো।

সমুদ্রস্রোতের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের উপকূল ও জাপান উপকূলে পৃথিবীর অধিকাংশ মাছ ধরা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের উপকূল ও জাপান উপকূলে পৃথিবীর অধিকাংশ মাছ ধরা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।