শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর মধ্যে কোন বৃষ্টিপাতটি আমাদের দেশের কৃষিকাজের জন্য অধিক উপযোগী তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ পরিচলন বৃষ্টিপাত নিরক্ষীয় অঞ্চলের সারা বছর বিকেলের বৃষ্টি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত পার্বত্য অঞ্চলের একপাশে বৃষ্টি -এর কথা বলা হয়েছে। আমাদের দেশ বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, যেখানে বর্ষাকালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর বৃষ্টিপাত মূলত শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কৃষিকাজের জন্য কোনটি বেশি উপযোগী তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: ১. বৃষ্টিপাতের পরিধি ও স্থায়িত্ব: পরিচলন বৃষ্টিপাত (দৃশ্যকল্প-১) সাধারণত খুব অল্প সময়ের জন্য মুষলধারে হয় এবং তা অত্যন্ত স্থানীয় প্রকৃতির। এতে অনেক সময় আকস্মিক জোলো হাওয়া বা শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি হতে পারে। পক্ষান্তরে, শৈলোৎক্ষেপ বা মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে যে বৃষ্টিপাত হয় তা দীর্ঘস্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী হয়, যা কৃষিজমির মাটিকে দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ২. ফসলের পানির চাহিদা পূরণ: বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান, পাট এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত পানির জোগান প্রয়োজন। শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় দেশজুড়ে যে দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত বৃষ্টিপাত ঘটে, তা কৃষকদের সেচ খরচ ও প্রাকৃতিক পানির অভাব দূর করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ৩. ঋতুভিত্তিক সুষম বণ্টন: আমাদের দেশের কৃষিকাজ প্রধানত বর্ষাকালের ওপর নির্ভরশীল, যেখানে শৈলোৎক্ষেপ বা মৌসুমি প্রকৃতির বৃষ্টিপাত সময়মতো কৃষিকাজ শুরু করতে ও ফসল ফলাতে সহায়তা করে।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল · সৃজনশীল

উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এর মধ্যে কোন বৃষ্টিপাতটি আমাদের দেশের কৃষি…

Mymensingh · 2022

উত্তর

জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু উপরে উঠে ঠান্ডা ও ঘনীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয় এবং পরে মাধ্যাকর্ষণ টানে তরল বিন্দুতে পরিণত হয়ে যখন ভূপৃষ্ঠে ঝরে পড়ে, তখন তাকে বৃষ্টিপাত বলে।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা যখন হিমাঙ্কের নিচে (0∘0^\circ সেলসিয়াস বা তার নিচে) নেমে যায়, তখন মেঘের জলীয় বাষ্প তরল পানিতে পরিণত না হয়ে সরাসরি বরফকণায় বা ক্রিস্টালে পরিণত হয়। এই বরফকণাগুলো যখন ভারী হয়ে নিচে নেমে আসে, তখন তাকে তুষারপাত বলে। সাধারণত শীতপ্রধান দেশগুলোতে বা অধিক উচ্চতার পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত দেখা যায়।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ অনুযায়ী লাবনীর দেখা বৃষ্টিপাতটি হলো শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত । ব্যাখ্যা: দৃশ্যকল্পে উল্লেখ আছে যে লাবনী পার্বত্য এলাকায় বেড়াতে গিয়ে দেখল পর্বতটির একপাশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে কিন্তু অন্য পাশে হচ্ছে না। এটি শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের মূল বৈশিষ্ট্য: ১. বাধা প্রাপ্ত হওয়া: জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ুপ্রবাহের গতিপথে কোনো উঁচু পর্বত বা শৈলশিরা বাধা হিসেবে দাঁড়ালে বায়ু বাধ্য হয়ে ওপরের দিকে উঠতে শুরু করে। ২. ঘনীভবন ও বৃষ্টিপাত: ওপরে ওঠার ফলে বায়ু প্রসারিত ও শীতল হয় এবং ঘনীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে, যার ফলে পর্বতের যে ঢাল দিয়ে বায়ু ওপরে ওঠে (প্রতিবাত ঢাল) সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। ৩. বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল: পর্বত পেরিয়ে বায়ু যখন অপরপাশে (অনুবাদ ঢাল) নিচে নামতে থাকে, তখন বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জলীয় বাষ্প ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং সেখানে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। এই অঞ্চলকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ পরিচলন বৃষ্টিপাত নিরক্ষীয় অঞ্চলের সারা বছর বিকেলের বৃষ্টি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত পার্বত্য অঞ্চলের একপাশে বৃষ্টি -এর কথা বলা হয়েছে। আমাদের দেশ বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, যেখানে বর্ষাকালে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর বৃষ্টিপাত মূলত শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কৃষিকাজের জন্য কোনটি বেশি উপযোগী তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: ১. বৃষ্টিপাতের পরিধি ও স্থায়িত্ব: পরিচলন বৃষ্টিপাত (দৃশ্যকল্প-১) সাধারণত খুব অল্প সময়ের জন্য মুষলধারে হয় এবং তা অত্যন্ত স্থানীয় প্রকৃতির। এতে অনেক সময় আকস্মিক জোলো হাওয়া বা শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি হতে পারে। পক্ষান্তরে, শৈলোৎক্ষেপ বা মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে যে বৃষ্টিপাত হয় তা দীর্ঘস্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী হয়, যা কৃষিজমির মাটিকে দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ২. ফসলের পানির চাহিদা পূরণ: বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান, পাট এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত পানির জোগান প্রয়োজন। শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় দেশজুড়ে যে দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত বৃষ্টিপাত ঘটে, তা কৃষকদের সেচ খরচ ও প্রাকৃতিক পানির অভাব দূর করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ৩. ঋতুভিত্তিক সুষম বণ্টন: আমাদের দেশের কৃষিকাজ প্রধানত বর্ষাকালের ওপর নির্ভরশীল, যেখানে শৈলোৎক্ষেপ বা মৌসুমি প্রকৃতির বৃষ্টিপাত সময়মতো কৃষিকাজ শুরু করতে ও ফসল ফলাতে সহায়তা করে।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-৬ : বারিমণ্ডল
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.জোয়ার ও ভাটা কাকে বলে?

জোয়ার ও ভাটা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার প্রভাব লেখ।

সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার প্রভাব লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উষ্ণ স্রোত বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.গভীর সমুদ্রখাত কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

গভীর সমুদ্রখাত কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

বারিমণ্ডল বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিমজ্জিত শৈলশিরা কী?

নিমজ্জিত শৈলশিরা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?

কেন্দ্রাতিগ শক্তি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জোয়ারভাটা কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।

জোয়ারভাটা কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সমুদ্রস্রোতের কারণ ব্যাখ্যা করো।

সমুদ্রস্রোতের কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের উপকূল ও জাপান উপকূলে পৃথিবীর অধিকাংশ মাছ ধরা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের উপকূল ও জাপান উপকূলে পৃথিবীর অধিকাংশ মাছ ধরা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।