শেয়ারFacebookWhatsApp

'A [গণিত] ও 'C [গণিত] স্থানের ভূপ্রকৃতির মধ্যে কোনটি বসবাসের জন্য উপযোগী বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: 'A [গণিত] ও 'C [গণিত] স্থানের ভূপ্রকৃতি যথাক্রমে বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি নির্দেশ করে। এর মধ্যে সমভূমিকে আমি বসবাসের জন্য আদর্শ মনে করি। বাংলাদেশের নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমির পলল মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর। এখানে প্রতিবছর নতুন পলি পড়ে। তাই এখানকার মাটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উপরন্তু সমভূমি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সহজ। বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে সর্বত্র সড়ক যোগাযোগ বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে সড়ক ও রেল পথ। এছাড়া এ সমভূমি অঞ্চলে নদীগুলো জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন এখানে খুবই সহজ ও সাশ্রয়ী। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। যোগাযোগের এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এখানে বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। গড়ে উঠেছে বাণিজ্যকেন্দ্র, বন্দর ও নগর। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণ এ সমভূমি অঞ্চল বসবাসের জন্য সুবিধাজনক। আর এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সমভূমি অঞ্চলে ঘনসন্নিবিষ্ট বসতি গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে পাহাড়ি বন্ধুর ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন। পাহাড়ি ঢালে চাষাবাদ করাও কঠিন। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে রেলপথ নেই, সড়ক পথ অপ্রতুল। নৌ বন্দরও নেই। সেখানে বসতিগুলো বিক্ষিপ্ত। সুতরাং, উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, সমভূমিই বসবাসের জন্য আদর্শ।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

'A ও 'C স্থানের ভূপ্রকৃতির মধ্যে কোনটি বসবাসের জন্য উপযোগী বলে তু…

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2019

উত্তর

বাংলাদেশের উত্তরের (সিলেট, ময়মনসিংহ) পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে টিলা বলে।

উত্তর

বাংলাদেশের নদীগুলো বিভিন্ন কারণে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। নদী ভরাটের কারণগুলো বর্ণনা করা হলো : i. নদীর তলদেশে পলি সঞ্চিত হয়ে ভরাট হয় ও নদীর নাব্যতা কমে যায়। ii. নদীর দুই ধারে অপরিকল্পিত বাঁধ, সড়ক, কলকারখানা, আবাসিক স্থাপনা নির্মাণ ও নদী পয়ঃনিষ্কাশনের নির্গমন স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় নদী ভরাট হচ্ছে। iii. আন্তর্জাতিক নদীগুলো নিয়ে বিরোধ থাকায় এবং এ সকল নদীতে পানি প্রত্যাহারের ফলে নদীতে স্রোত কমে গেছে। ফলে নদীর মোহনায় পলি জমে চর জেগে উঠেছে।

উত্তর

'B′B^{\prime} চিহ্নিত স্থানের ভূপ্রকৃতি হলো প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোইসিনকাল বলে। উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। নিচে এসব উচ্চভূমির বর্ণনা দেওয়া হলো- i. বরেন্দ্রভূমি: দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত। প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের। ii. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর। iii. লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উত্তর

'A′A^{\prime} ও 'C′C^{\prime} স্থানের ভূপ্রকৃতি যথাক্রমে বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি নির্দেশ করে। এর মধ্যে সমভূমিকে আমি বসবাসের জন্য আদর্শ মনে করি। বাংলাদেশের নদীবিধৌত প্লাবন সমভূমির পলল মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর। এখানে প্রতিবছর নতুন পলি পড়ে। তাই এখানকার মাটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উপরন্তু সমভূমি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সহজ। বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলে সর্বত্র সড়ক যোগাযোগ বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে সড়ক ও রেল পথ। এছাড়া এ সমভূমি অঞ্চলে নদীগুলো জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন এখানে খুবই সহজ ও সাশ্রয়ী। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। যোগাযোগের এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এখানে বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। গড়ে উঠেছে বাণিজ্যকেন্দ্র, বন্দর ও নগর। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণ এ সমভূমি অঞ্চল বসবাসের জন্য সুবিধাজনক। আর এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে সমভূমি অঞ্চলে ঘনসন্নিবিষ্ট বসতি গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে পাহাড়ি বন্ধুর ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন। পাহাড়ি ঢালে চাষাবাদ করাও কঠিন। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে রেলপথ নেই, সড়ক পথ অপ্রতুল। নৌ বন্দরও নেই। সেখানে বসতিগুলো বিক্ষিপ্ত। সুতরাং, উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, সমভূমিই বসবাসের জন্য আদর্শ।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।