শেয়ারFacebookWhatsApp

নাঈমের নিজ এলাকায় কোন ধরনের ভূপ্রকৃতি পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: নাঈমের নিজ এলাকা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত যা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশের ৮০% ভূভাগ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি; যা সাম্প্রতিককালে সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। এ অঞ্চলের সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর। এ অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে রয়েছে। এতে কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, হাওর ও ঝিল বলে। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির ভূমিগুলোকে কয়েকটি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এসব ভাগগুলো করা হয়েছে মূলত উচ্চতা ও মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্রোতজ সমভূমি যেখানে বঙ্গোপসাগরের লবণাক্ত জোয়ারের পানি আসার ফলে ঐ অঞ্চলের মাটি লবণাক্ত এবং এ কারণে এ অঞ্চলকে স্রোতজ সমভূমি বলে। খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়ংদশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এভাবে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির ভূমিগুলোর ভিন্নতার কারণে এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতিসমূহ বৈচিত্র্যময়।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

নাঈমের নিজ এলাকায় কোন ধরনের ভূপ্রকৃতি পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

সাকিব, নাঈম, তনয় তিন বন্ধু। সাকিব এর বাড়ি পার্বত্য চট্টগ্রামে। নাঈমের নিজবাড়ি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। সে তনয় এর বাড়ি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বেড়াতে গিয়ে এক বিশেষ প্রকৃতির ভূমিরূপ দেখতে পেল।

Jessore · 2019

উত্তর

যেদেশে অসংখ্য নদ-নদী ছড়িয়ে ছিটিয়ে মানুষের জীবনের সাথে জড়িয়ে রয়েছে সেসব দেশকে নদীমাতৃক দেশ বলে। যেমন- বাংলাদেশ।

উত্তর

একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের শস্য আবাদ করার প্রক্রিয়াটিই হলো শস্য বহুমুখীকরণ। জমিতে একই শস্যের চাষ মাটির পুষ্টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিন্তু বিভিন্ন শস্য চাষ করলে এসব শস্যের নানা অংশ মাটিতে জৈব সার যোগ করে মাটির পুষ্টি ঘাটতি রোধ করে। এভাবে শস্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে কৃষক নিজের এবং পরিবেশের উপকার সাধন করে।

উত্তর

নাঈমের নিজ এলাকা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত যা সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশের ৮০% ভূভাগ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি; যা সাম্প্রতিককালে সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন। এ অঞ্চলের সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর। এ অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে রয়েছে। এতে কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, হাওর ও ঝিল বলে। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির ভূমিগুলোকে কয়েকটি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এসব ভাগগুলো করা হয়েছে মূলত উচ্চতা ও মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্রোতজ সমভূমি যেখানে বঙ্গোপসাগরের লবণাক্ত জোয়ারের পানি আসার ফলে ঐ অঞ্চলের মাটি লবণাক্ত এবং এ কারণে এ অঞ্চলকে স্রোতজ সমভূমি বলে। খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়ংদশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এভাবে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির ভূমিগুলোর ভিন্নতার কারণে এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতিসমূহ বৈচিত্র্যময়।

উত্তর

সাকিব ও তনয়ের এলাকার ভূপ্রকৃতি যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ও প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকা। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অঞ্চলে পাহাড় হতে বনজঙ্গল কেটে কৃষিকাজ করা যায়। এ পদ্ধতিকে জুম চাষ বলে। জুম চাষ পদ্ধতিতে পাহাড় হতে জনজঙ্গল কেটে কৃষিকাজ করা এবং কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর উক্ত জমি ত্যাগ করে অন্যস্থান পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। এখানে ধান, চা, কলা, আনারস প্রভৃতি ফসল ভালো জন্মে। এছাড়াও পাহাড়ের গায়ে রাবার ও তুলা চাষ করা হয়। অপরদিকে, প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকা তথা বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড় এলাকার মাটির রং লাল ও কংকরময় বলে এ অঞ্চল শস্য চাষের উপযোগী নয়। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকায় কৃষি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি করেও অধিক ফসল উৎপাদন সম্ভব নয়। কিন্তু টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহে মৃত্তিকা উর্বর বলে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অথবা বনজঙ্গল কেটে কৃষিজমির পরিমাণ বৃদ্ধি করে অধিক ফসল উৎপাদন সম্ভব।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।