শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'A [গণিত] ও 'B [গণিত] চিহ্নিত স্থান দুটির কোনটি দেশের অর্থনীতিতে অধিক গুরুত্ব রাখে- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকের A চিহ্নিত অঞ্চলটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং B চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত সুন্দরবন অঞ্চল। A চিহ্নিত অঞ্চলটি পাহাড়-পর্বতবেষ্টিত ভূমিরূপ অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের বেলেপাথর ও কার্দম শিলা হতে এ ভূমিরূপের মৃত্তিকা গঠিত হয়েছে। এ অঞ্চলের মৃত্তিকায় অম্লের পরিমাণ বেশি থাকায় মৃত্তিকায় উর্বরাশক্তি খুবই কম। এ ধরনের পাহাড়িয়া অঞ্চলে চা ও জুম চাষ হয়। এছাড়া লেবু, আনারস, রাবার প্রভৃতি চাষও হয়ে থাকে। এছাড়া এ অঞ্চলের বনভূমি থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ সংগ্রহ করা হয়। এ অঞ্চলের বাঁশ ও বেতের উপর নির্ভর করে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায় একটি কাগজ কলও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অপরদিকে B চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। নদীবাহিত পলি পড়ার কারণে এ অঞ্চলের মাটি বেশ উর্বর। এ অঞ্চলে সারা বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের (যেমন, ধান, পাট) ফসলের চাষ করা হয়। এছাড়া পলি মাটির কারণে এখানে প্রচুর শাক-সবজি উৎপন্ন হয়। তবে এ অঞ্চলে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটার কারণে জমিতে লবণাক্ততাও পরিলক্ষিত হয়, যা ফসলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ অঞ্চলের লবণাক্ত পানিতে চিংড়িং ঘের তৈরি করে গলদা ও বাগদা প্রকৃতির চিংড়ি চাষ করা হয়, যা বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। এছাড়া সুন্দরবন থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি আহরণ করা হয়। সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠের উপর নির্ভর করে খুলনায় দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট কারখানা গড়ে ওঠেছে। সুতরাং উপরোক্ত আরোচনা থেকে যায় 'A [গণিত] অঞ্চল থেকে 'B [গণিত] অঞ্চলটি দেশের অর্থনীতির জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'A ও 'B চিহ্নিত স্থান দুটির কোনটি দেশের অর্থনীতিতে অধিক …

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2019

উত্তর

বস্তুর কার্যকারিতাকেই সম্পদ বলে।

উত্তর

উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন। বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য হলেও শীত ও গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো এ দেশের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয় না।

উত্তর

উদ্দীপকে 'C′C^{\prime} চিহ্নিত নদীটি হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে তিব্বতের উপর দিয়ে পূর্ব দিকে ও পরে আসামের ভিতর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে। অতঃপর কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রবেশ করেছে। এরপর দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্বে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পতিত হয়েছে। ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী। ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। করতোয়া ও আত্রাই যমনার প্রধান উপনদী।

উত্তর

উদ্দীপকের A চিহ্নিত অঞ্চলটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং B চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত সুন্দরবন অঞ্চল। A চিহ্নিত অঞ্চলটি পাহাড়-পর্বতবেষ্টিত ভূমিরূপ অঞ্চল। টারশিয়ারি যুগের বেলেপাথর ও কার্দম শিলা হতে এ ভূমিরূপের মৃত্তিকা গঠিত হয়েছে। এ অঞ্চলের মৃত্তিকায় অম্লের পরিমাণ বেশি থাকায় মৃত্তিকায় উর্বরাশক্তি খুবই কম। এ ধরনের পাহাড়িয়া অঞ্চলে চা ও জুম চাষ হয়। এছাড়া লেবু, আনারস, রাবার প্রভৃতি চাষও হয়ে থাকে। এছাড়া এ অঞ্চলের বনভূমি থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ সংগ্রহ করা হয়। এ অঞ্চলের বাঁশ ও বেতের উপর নির্ভর করে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায় একটি কাগজ কলও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অপরদিকে B চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। নদীবাহিত পলি পড়ার কারণে এ অঞ্চলের মাটি বেশ উর্বর। এ অঞ্চলে সারা বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের (যেমন, ধান, পাট) ফসলের চাষ করা হয়। এছাড়া পলি মাটির কারণে এখানে প্রচুর শাক-সবজি উৎপন্ন হয়। তবে এ অঞ্চলে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটার কারণে জমিতে লবণাক্ততাও পরিলক্ষিত হয়, যা ফসলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ অঞ্চলের লবণাক্ত পানিতে চিংড়িং ঘের তৈরি করে গলদা ও বাগদা প্রকৃতির চিংড়ি চাষ করা হয়, যা বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। এছাড়া সুন্দরবন থেকে বিভিন্ন ধরনের কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি আহরণ করা হয়। সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠের উপর নির্ভর করে খুলনায় দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট কারখানা গড়ে ওঠেছে। সুতরাং উপরোক্ত আরোচনা থেকে যায় 'A′A^{\prime} অঞ্চল থেকে 'B′B^{\prime} অঞ্চলটি দেশের অর্থনীতির জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।