শেয়ারFacebookWhatsApp

'A [গণিত] ও 'C [গণিত] অঞ্চল দুটির মধ্যে কোনটি মানব বসতির জন্য উপযোগী- যুক্তিসহ মতামত দাও।

উত্তর: ছকে 'A [গণিত] ও 'C [গণিত] অঞ্চল দুটি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ ও সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। অঞ্চল দুটির মধ্যে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি মানব বসতি গড়ে তোলার জন্য অধিক উপযোগী। নিচে যুক্তিসহ মতামত দেওয়া হলো- জনবসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাববিস্তার করে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত। এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। পাহাড়ি এলাকার মাটি অনুর্বর ও অসমতল হওয়ার কারণে কৃষিকাজ করা কষ্টকর। পাহাড়ে পানির উৎস সীমিত বা দূরবর্তী ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়। ভূমিধস ও ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রভৃতি বিবেচনায় বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠে। এ এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কম। অন্যদিকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ও প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। এ সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। বছরের পর বছর বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে বলে ভূমির স্তর খুব গভীর এবং মাটি খুবই উর্বর। সমতলভূমিতে বসতি স্থাপনের সকল নিয়ামক (কৃষিকাজ, যাতায়াত ব্যবস্থা, পানীয় জলের সহজলভ্যতা, যোগাযোগ প্রভৃতি) বিদ্যমান। তাই সমভূমি বসবাসের জন্য আদর্শ। সমভূমিতে সংঘবদ্ধ বা পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে উঠে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি সমভূমি অঞ্চল মানব বসতির জন্য অধিক উপযোগী।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

'A ও 'C অঞ্চল দুটির মধ্যে কোনটি মানব বসতির জন্য উপযোগী- যুক্তিসহ …

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

উত্তর

বাংলাদেশের উত্তরের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার বলে স্থানীয়ভাবে এদের টিলা বলা হয়।

উত্তর

বসতি স্থাপনের সকল নিয়ামক উপস্থিত থাকায় স্থায়ী বসবাসের জন্য সমভূমি আদর্শ। জনবসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাববিস্তার করে। সমতলভূমিতে উর্বর মাটির জন্য কৃষিকাজ, যাতায়াত ব্যবস্থা, নির্মাণ কাজ প্রভৃতি করা সহজ। এছাড়াও জলবায়ু সমভাবাপন্ন এবং পানির উৎস খুব নিকটে থাকে। ফলে সমতলভূমিতে অধিক বসতি গড়ে ওঠে।

উত্তর

ছকে 'B′B^{\prime} চিহ্নিত ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলটি হলো প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিনকালে এ অঞ্চলটি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় এ অঞ্চলের অন্তর্গত। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত। প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি লাল ও ধূসর বর্ণের। দেশের মধ্যভাগে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর। কুমিল্লা শহরের থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উত্তর

ছকে 'A′A^{\prime} ও 'C′C^{\prime} অঞ্চল দুটি হলো যথাক্রমে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ ও সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। অঞ্চল দুটির মধ্যে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি মানব বসতি গড়ে তোলার জন্য অধিক উপযোগী। নিচে যুক্তিসহ মতামত দেওয়া হলো- জনবসতি গড়ে ওঠার পেছনে ভূপ্রকৃতি ব্যাপকভাবে প্রভাববিস্তার করে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত। এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। পাহাড়ি এলাকার মাটি অনুর্বর ও অসমতল হওয়ার কারণে কৃষিকাজ করা কষ্টকর। পাহাড়ে পানির উৎস সীমিত বা দূরবর্তী ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়। ভূমিধস ও ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রভৃতি বিবেচনায় বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠে। এ এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কম। অন্যদিকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ও প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। এ সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। বছরের পর বছর বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে বলে ভূমির স্তর খুব গভীর এবং মাটি খুবই উর্বর। সমতলভূমিতে বসতি স্থাপনের সকল নিয়ামক (কৃষিকাজ, যাতায়াত ব্যবস্থা, পানীয় জলের সহজলভ্যতা, যোগাযোগ প্রভৃতি) বিদ্যমান। তাই সমভূমি বসবাসের জন্য আদর্শ। সমভূমিতে সংঘবদ্ধ বা পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে উঠে। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি সমভূমি অঞ্চল মানব বসতির জন্য অধিক উপযোগী।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।