শেয়ারFacebookWhatsApp

'B [গণিত] ও 'D [গণিত] স্থানদ্বয়ের বৃষ্টিপাতের ধরন কি অভিন্ন? যুক্তিসহ মতামত দাও।

উত্তর: চিত্রের 'B [গণিত] ও 'D [গণিত] স্থানদ্বয়ের বৃষ্টিপাতের ধরন একই প্রকৃতির নয়। 'B [গণিত] স্থানে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয় এবং 'D [গণিত] স্থানে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়। নিচে যুক্তিসহ মতামত দেওয়া হলো- বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে বলে প্রচুর জলীয়বাষ্প ধারণ করে। এ জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতে বাধা পেয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের ৮০ ভাগ বর্ষাকালেই সংঘটিত হয়। গ্রীষ্মকালে সূর্য মকরকান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এ সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস। সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরভাগে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের দক্ষিণ দিক হতে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ অধিক উত্তাপের প্রভাবে উপরে উঠে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে মিলিত হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। এ সময় বজ্রসহ ঝড় বৃষ্টি হয় যা কালবৈশাখী নামে পরিচিত। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের ২০ ভাগ হয়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি যে, 'B [গণিত] ও 'D [গণিত] স্থানের বৃষ্টিপাত অভিন্ন নয়।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

'B ও 'D স্থানদ্বয়ের বৃষ্টিপাতের ধরন কি অভিন্ন? যুক্তিসহ মতামত দাও।

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2025

উত্তর

বায়ুর তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। বায়ুর এ গতিশীল অবস্থাকে বায়ুপ্রবাহ বলে।

উত্তর

দক্ষিণ অক্ষাংশে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাধিক। দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগ বেশি বলে পশ্চিমা, বায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়। এজন্য এ বায়ুকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে। ৪০° থেকে ৪৭° অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। তাই এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বলা হয়।

উত্তর

'A′A^{\prime} স্থানের দিকে বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয়। জুন মাসে বাংলাদেশের উপর সূর্যের অবস্থানের কারণে বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর থেকে আগত দক্ষিণ-পশ্চিম অয়ন বায়ু প্রবাহিত হতে শুরু করলে বর্ষাকাল আরম্ভ হয়। দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হয়। এ বায়ু ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্পসমৃদ্ধ থাকে। জলীয়বাষ্পপূর্ণ এ বায়ু বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতে বাধা পেয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়।

উত্তর

চিত্রের 'B′B^{\prime} ও 'D′D^{\prime} স্থানদ্বয়ের বৃষ্টিপাতের ধরন একই প্রকৃতির নয়। 'B′B^{\prime} স্থানে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয় এবং 'D′D^{\prime} স্থানে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়। নিচে যুক্তিসহ মতামত দেওয়া হলো- বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে বলে প্রচুর জলীয়বাষ্প ধারণ করে। এ জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতে বাধা পেয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের ৮০ ভাগ বর্ষাকালেই সংঘটিত হয়। গ্রীষ্মকালে সূর্য মকরকান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এ সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস। সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরভাগে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের দক্ষিণ দিক হতে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ অধিক উত্তাপের প্রভাবে উপরে উঠে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে মিলিত হয়ে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়। এ সময় বজ্রসহ ঝড় বৃষ্টি হয় যা কালবৈশাখী নামে পরিচিত। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের ২০ ভাগ হয়। অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি যে, 'B′B^{\prime} ও 'D′D^{\prime} স্থানের বৃষ্টিপাত অভিন্ন নয়।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।