শেয়ারFacebookWhatsApp

ছকে নির্দেশিত 'খ' ঋতুতে বাংলাদেশে অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ছকে নির্দেশিত 'খ' ঋতুটি হলো বর্ষাকাল। বর্ষাকালে বাংলাদেশে অধিক তাপমাত্রা অনুভূত না হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থাৎ গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষা ঋতু বলে। জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষা ঋতু শুরু হয়ে যায়। বর্ষাকালে সূর্য বাংলাদেশে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, ফলে এ সময় অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় না। গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস। বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্পে সমৃদ্ধ থাকে। এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়। জুন মাসে বাংলাদেশের উপর সূর্যের অবস্থানের কারণে বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হয়। বর্ষাশেষে বাংলাদেশে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

ছকে নির্দেশিত 'খ' ঋতুতে বাংলাদেশে অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় না কেন? …

উদ্দীপক

question image

উত্তর

আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।

উত্তর

প্লাবন সমভূমির প্রায় সমস্ত অঞ্চলই নদীবিধৌত সমভূমি'। অসংখ্য ছোট-বড় নদী সমতলভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলি মাটি সঞ্চিত হয়ে নদীগুলোর নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে।

উত্তর

ছকে নির্দেশিত 'খ' ঋতুটি হলো বর্ষাকাল। বর্ষাকালে বাংলাদেশে অধিক তাপমাত্রা অনুভূত না হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল। অর্থাৎ গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষা ঋতু বলে। জুন মাসের প্রথম দিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বর্ষা ঋতু শুরু হয়ে যায়। বর্ষাকালে সূর্য বাংলাদেশে প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, ফলে এ সময় অধিক তাপমাত্রা অনুভূত হয় না। গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস। বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় প্রচুর জলীয়বাষ্পে সমৃদ্ধ থাকে। এ জলীয়বাষ্প শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এ সময়ে হয়। জুন মাসে বাংলাদেশের উপর সূর্যের অবস্থানের কারণে বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে পরিণত হয়। বর্ষাশেষে বাংলাদেশে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উত্তর

চিত্রে নির্দেশিত 'ক' ও 'গ' ঋতুদ্বয় হলো যথাক্রমে গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল। নিচে ঋতুদ্বয়ের তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো- বাংলাদেশে মার্চ থেকে মে মাস (ফাল্গুন- জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল। এ সময় সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে এ ঋতুতে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। এ সময়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস। এপ্রিল উষ্ণতম মাস। এ সময় বাংলাদেশে দক্ষিণ দিক' থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়। কালবৈশাখী ঝড় গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের শতকরা প্রায় ২০ ভাগ গ্রীষ্মকালে হয়। অন্যদিকে, সাধারণত বাংলাদেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক – ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে। আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস। জানুয়ারি শীতলতম মাস। শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে বায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু শীতল ও শুষ্ক থাকে বলে শীতকালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।