শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির কৃষি প্রকৃতি নির্ভর বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো বাংলাদেশ যেখানের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এদেশের কৃষি এখনও প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক হারে প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। বর্তমানে বীজতলা থেকে শুরু করে ফসল উত্তোলন পর্যন্ত সবক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে উন্নত বিশ্ব। পাওয়ার টিলার, আধুনিক ট্রাক্টর, ব্রডকাস্ট সিডরি পাওয়ার রিপার মেশিন, কম্বাইন্ড হার্ডেপার প্রভৃতি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব কৃষি ব্যবস্থায়। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি নামানোর প্রযুক্তিও আবিষ্কৃত হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ এখনও বৃষ্টিপাতের জন্য প্রকৃতির অপেক্ষায় থাকে। এখনও মেশিননির্ভর কৃষিব্যবস্থা গড়ে উঠেনি বাংলাদেশে। মৌসুমি বায়ু প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এ দেশের কৃষিব্যবস্থা। রাসায়নিক সারের পাশাপাশি এখন জৈব সারেরও প্রচলন রয়েছে। এখনও কোথাও কোথাও লঙলের মাধ্যমে হাল চাষ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে চাষাবাদের জন্য সেলবার্ড লাঙল, ট্রাক্টর, পাওয়ার পাম্প, ড্রিল হ্যান্ড, থ্রেসার প্রভৃতি আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এখনও এদেশে বীজতলা থেকে শুরু করে ফসল উত্তোলন পর্যন্ত সরাসরি মানবশক্তির প্রয়োজন। বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলেও উন্নত বিশ্বের তুলনায় তা অনেক কম। তাই বলা যায় বাংলাদেশের কৃষি এখনও প্রকৃতিনির্ভর।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির কৃষি প্রকৃতি নির্ভর বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এ দেশের কৃষি প্রকৃতি নির্ভর। কিন্তু বর্তমানে সামান্য বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সরকার নদীগুলো খননের কাজ শুরু করেছে।

উত্তর

পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাতকে হাওড় বলে।

উত্তর

যে কৃষি ব্যবস্থা অনুকূল পরিবেশ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির দ্বারা একই জমি থেকে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপন্ন করা হয়, তাকে শস্যবহুমুখীকরণ বলে। একই জমিতে একই ফসলের চাষ করতে সার প্রয়োগ করতে হয়। এতে জমি উর্বরতা শক্তি হ্রাস পায়। কিন্তু সার প্রয়োগ না করেও বিভিন্ন শস্য গাছের অংশ নানা ধরনের জৈব মাটিতে যোগ করে জমির উর্বরতা বজায় রাখা সম্ভব হয়। তাই একই জমিতে বিভিন্ন প্রকার ফসল চাষের ব্যবস্থাকে শস্যবহুমুখীকরণ বলে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি হলো বাংলাদেশ যেখানের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এদেশের কৃষি এখনও প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক হারে প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। বর্তমানে বীজতলা থেকে শুরু করে ফসল উত্তোলন পর্যন্ত সবক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে উন্নত বিশ্ব। পাওয়ার টিলার, আধুনিক ট্রাক্টর, ব্রডকাস্ট সিডরি পাওয়ার রিপার মেশিন, কম্বাইন্ড হার্ডেপার প্রভৃতি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব কৃষি ব্যবস্থায়। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি নামানোর প্রযুক্তিও আবিষ্কৃত হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশ এখনও বৃষ্টিপাতের জন্য প্রকৃতির অপেক্ষায় থাকে। এখনও মেশিননির্ভর কৃষিব্যবস্থা গড়ে উঠেনি বাংলাদেশে। মৌসুমি বায়ু প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এ দেশের কৃষিব্যবস্থা। রাসায়নিক সারের পাশাপাশি এখন জৈব সারেরও প্রচলন রয়েছে। এখনও কোথাও কোথাও লঙলের মাধ্যমে হাল চাষ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে চাষাবাদের জন্য সেলবার্ড লাঙল, ট্রাক্টর, পাওয়ার পাম্প, ড্রিল হ্যান্ড, থ্রেসার প্রভৃতি আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এখনও এদেশে বীজতলা থেকে শুরু করে ফসল উত্তোলন পর্যন্ত সরাসরি মানবশক্তির প্রয়োজন। বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলেও উন্নত বিশ্বের তুলনায় তা অনেক কম। তাই বলা যায় বাংলাদেশের কৃষি এখনও প্রকৃতিনির্ভর।

উত্তর

উদ্দীপকে বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সরকার যে নদী খননের কাজ শুরু করেছে তা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ'। নিচে এর সপক্ষে আমার মতামত তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল কৃষিনির্ভর দেশ। এদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। ফলে নগরায়ণের, হারও বেশি। বাংলাদেশে নব্য সৃষ্ট এ নগরায়ণ সুপরিকল্পিত নয়। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে নগরে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়া কিছু মানবসৃষ্ট এবং প্রাকৃতিক কারণে অতিরিক্ত পলি সঞ্চিত হয়ে আমাদের নদীগুলো দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের সৃষ্ট জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার নদী খননের কাজ শুরু করেছে যা একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। খননের ফলে নদীতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং বৃষ্টির পানি সহজেই বের হয়ে' যেতে পারবে। ফলে পানি আর এক জায়গায় আটকে থাকবে না। এতে নগরের জলাবদ্ধতা দূর হবে। নদী খননের ফলে নদীতে অতিরিক্ত পলি পড়বে না এবং বৃষ্টির পানি নদীতে এসে পড়বে। এতে নদীর প্রাকৃতিক গতি প্রবাহ ফিরে পাবে। শুধু তাই নয়, নদীর পানিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিতে সেচের ব্যবস্থাও করা হবে।ফলে কৃষিকাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে এতে ভূমি মরুকরণের আশঙ্কা দূর হবে। তাই বাংলাদেশের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সরকার যে নদী খননের কাজ শুরু করেছে তা সার্বিক বিবেচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে জলাবদ্ধতা দূরীকরণের পাশাপাশি কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-১০ : বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

বাংলাদেশকে কেন নদীমাতৃক দেশ বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্তের নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো কোথায় পতিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

মৌসুমি জলবায়ু বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়েছে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

বাংলাদেশের জলবায়ু কোন জলবায়ু নামে পরিচিত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কীভাবে গঠিত হয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।