শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] ও 'Y [গণিত] গতির মধ্যে কোনটির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে শীত-গ্রীষ্ম সংঘটিত হয়? বিশ্লেষণ করে মতামত দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X [গণিত] গতি দ্বারা আহ্নিক গতি এবং 'Y [গণিত] গতি দ্বারা বার্ষিক গতিকে বোঝানো হয়েছে। 'Y [গণিত] গতি তথা বার্ষিক গতির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে শীত-গ্রীষ্ম সংঘটিত হয়। সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ গতিকে বার্ষিক গতি বলে। পৃথিবীর বার্ষিক গতির জন্য সূর্যকিরণ বিভিন্ন স্থানে কমবেশি পড়ার কারণে বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রার পার্থক্য ঘটছে। ফলে বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর বিভিন্নতা হয়। আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়। বার্ষিক গতির প্রভাবে তাপমাত্রার যে পার্থক্য ঘটে সেজন্য উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। এখানে জুন মাসের দিকে গরম বেশি অনুভূত হয়। এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল। তাই বলা যায়, বার্ষিক গতির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে শীত-গ্রীষ্ম সংঘটিত হয়।

SSC ভূগোল ও পরিবেশ অধ্যায়-২ : মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ভূগোল ও পরিবেশ · অধ্যায়-২ : মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X ও 'Y গতির মধ্যে কোনটির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন…

উদ্দীপক

সৌরজগতের একটি গ্রহের উপরিভাগ দেখতে চাঁদের মতো। এটি খুব অল্পসময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর নির্দিষ্ট দিকে প্রতিদিন একবার ঘুরে 'X′X^{\prime} গতির কারণে। আবার 'Y′Y^{\prime} গতির জন্য সূর্যরশ্মি পৃথিবীর কোথায়ও আড়াআড়িভাবে এবং কোথায়ও খাড়াভাবে পড়ে। এর ফলে দিন-রাতের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে।

Sylhet · 2025

উত্তর

মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু, বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে।

উত্তর

ধূমকেতু মহাকাশের অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। মহাকাশে মাঝে মাঝে এক প্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে ধূমকেতুর লেজ তত লম্বা হতে থাকে। সৌরজগতের অন্যান্য জ্যোতিষ্ক থেকে এর গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য পুরোই ভিন্ন। ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর পর পর দেখা যায়। তাই ধূমকেতুকে আকাশের এক বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রথম বাক্যে সৌরজগতের বুধ গ্রহকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়। এর মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে, এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না। এখানে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি নেই বলে প্রাণীর কোনো অস্তিত্বও নেই। বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো। ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা, এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X′X^{\prime} গতি দ্বারা আহ্নিক গতি এবং 'Y′Y^{\prime} গতি দ্বারা বার্ষিক গতিকে বোঝানো হয়েছে। 'Y′Y^{\prime} গতি তথা বার্ষিক গতির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে শীত-গ্রীষ্ম সংঘটিত হয়। সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ গতিকে বার্ষিক গতি বলে। পৃথিবীর বার্ষিক গতির জন্য সূর্যকিরণ বিভিন্ন স্থানে কমবেশি পড়ার কারণে বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রার পার্থক্য ঘটছে। ফলে বিভিন্ন স্থানে জলবায়ুর বিভিন্নতা হয়। আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়। বার্ষিক গতির প্রভাবে তাপমাত্রার যে পার্থক্য ঘটে সেজন্য উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। এখানে জুন মাসের দিকে গরম বেশি অনুভূত হয়। এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল। তাই বলা যায়, বার্ষিক গতির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে শীত-গ্রীষ্ম সংঘটিত হয়।
SSCভূগোল ও পরিবেশঅধ্যায়-২ : মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.অধিবর্ষ কী?

অধিবর্ষ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?

প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নীহারিকা বলতে কী বোঝ?

নীহারিকা বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পৃথিবীর আবর্তন ও পরিক্রমণের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

পৃথিবীর আবর্তন ও পরিক্রমণের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?

মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলতে কী বোঝায়?

অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নক্ষত্র বলতে কী বোঝ?

নক্ষত্র বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.বার্ষিক গতি বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

বার্ষিক গতি বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ছায়াপথ কাকে বলে?

ছায়াপথ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সূর্যকে কেন নক্ষত্র বলা হয়- ব্যাখ্যা কর।

সূর্যকে কেন নক্ষত্র বলা হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ঋতু পরিবর্তনের ২টি প্রভাব লেখ।

ঋতু পরিবর্তনের ২টি প্রভাব লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?

প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X ও 'Y গতির মধ্যে কোনটির প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন… | Prosthuti