শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের রহিম মিয়াকে কি সংগঠক বলা যায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: হ্যাঁ, উদ্দীপকের রহিম মিয়াকে সংগঠক বলা যায়। উৎপাদন ক্ষেত্রে ভূমি, শ্রম, মূলধন ইত্যাদি উপকরণের সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করাকে সংগঠন বলে। আর এ কাজটি যে ব্যক্তি সম্পাদন করে থাকেন তাকে সংগঠক বলা হয়। একজন সফল সংগঠক নিজেই উৎপাদনের সকল পরিকল্পনা প্রণয়ন নীতি নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী কারবার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ সংগ্রহ এবং সেগুলোর সমন্বয় করে উৎপাদন করেন। একজন সংগঠক কারবার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সকল দায়িত্ব ও ঝুঁকি বহন করে থাকেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, রহিম মিয়া একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। পরবর্তীতে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির সুবিধা পাওয়ায় তিনি আরও একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। এ কারখানায় অনেক শ্রমিক নিয়োগ দেন। তিনি শ্রমিকদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেন। দক্ষতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে শ্রমিক ও মালিক উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে এবং উভয়ই লাভবান হয়। তাই রহিম মিয়াকে সংগঠক বলা যায়।

SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৪ : উৎপাদন ও সংগঠন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৪ : উৎপাদন ও সংগঠন · সৃজনশীল

উদ্দীপকের রহিম মিয়াকে কি সংগঠক বলা যায়? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

রহিম মিয়া তাঁর এলাকায় একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। পরবর্তীতে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির সুবিধা পাওয়ায় তিনি আরও একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। ফলে অনেক শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পায়। তিনি শ্রমিকদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেন। দক্ষতার সাথে উনার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে শ্রমিক ও মালিক উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে এবং উভয়ই লাভবান হন।

Rajshahi · 2023

উত্তর

কোনো উৎপাদনী প্রতিষ্ঠান ভাড়া বা উপকরণ বা শ্রমশক্তি ক্রয়ের জন্য দৃশ্যমান যে ব্যয় করেন এদের সমষ্টিই হলো প্রকাশ্য ব্যয়।

উত্তর

কোনো অর্থনৈতিক দ্রব্য ও সেবার মালিকানা পরিবর্তন করে যে অতিরিক্ত উপযোগ সৃষ্টি করা হয় তাকে মালিকানাগত উপযোগ বলে। অনেক সময় কোনো অর্থনৈতিক দ্রব্য বা সেবার মালিকানা পরিবর্তন করলে পূর্বের থেকে বেশি উপযোগ সৃষ্টি হয়। যেমন: অব্যবহৃত জমি কিনে একজন কৃষক চাষাবাদ করে উৎপাদন করতে পারে।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের রহিম মিয়াকে সংগঠক বলা যায়। উৎপাদন ক্ষেত্রে ভূমি, শ্রম, মূলধন ইত্যাদি উপকরণের সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করাকে সংগঠন বলে। আর এ কাজটি যে ব্যক্তি সম্পাদন করে থাকেন তাকে সংগঠক বলা হয়। একজন সফল সংগঠক নিজেই উৎপাদনের সকল পরিকল্পনা প্রণয়ন নীতি নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী কারবার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ সংগ্রহ এবং সেগুলোর সমন্বয় করে উৎপাদন করেন। একজন সংগঠক কারবার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সকল দায়িত্ব ও ঝুঁকি বহন করে থাকেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, রহিম মিয়া একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। পরবর্তীতে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির সুবিধা পাওয়ায় তিনি আরও একটি তাঁত শিল্প চালু করেন। এ কারখানায় অনেক শ্রমিক নিয়োগ দেন। তিনি শ্রমিকদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেন। দক্ষতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এতে শ্রমিক ও মালিক উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে এবং উভয়ই লাভবান হয়। তাই রহিম মিয়াকে সংগঠক বলা যায়।

উত্তর

নিম্নে উদ্দীপকের আলোকে সংগঠকের বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করা হলো– ১. ব্যবসার উদ্দেশ্য ও প্রকৃতি : সংগঠনের প্রথম ধাপে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য কী হবে তা নির্ধারণ করতে হয়। ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবসায়ের সাংগঠনিক রূপ তৈরি করতে হয়। ২. ব্যবসায়ের কার্যাবলি নির্ধারণ : ব্যবসায়ের উদ্দেশ্য ও প্রকৃতি ঠিকমতো নির্ধারণ করার পর ব্যবসায়ের সমগ্র কার্যাবলি বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন- উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয়, অর্থসংস্থান, শ্রমিক-কর্মী নিয়োগ, শ্রমিক-কর্মী সম্পর্ক প্রভৃতি। ৩. কার্যাবলির বিভাগ : কার্যাবলি বিশ্লেষণের পর কাজের ধরন ও উদ্দেশ্যের মিল অনুযায়ী কাজগুলোকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। একই বিভাগের সহায়ক কাজগুলোকে আবার উপবিভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- উৎপাদন বিভাগ, ক্রয় বিভাগ, বিক্রয় বিভাগ, হিসাবরক্ষণ বিভাগ, প্রচার বিভাগ ইত্যাদি। ৪. কর্তব্য বণ্টন : ব্যবসায়ের প্রতিটি কর্মীর ওপর একটি নির্দিষ্ট কাজের ভার অর্পণ করা হয়। অভিজ্ঞতা, ক্ষমতা ও দক্ষতা অনুসারে প্রতিটি বিভাগ ও উপবিভাগের প্রতিটি কর্মীর সুনির্দিষ্ট কর্তব্য স্থির করা হয় এবং যে কর্মী যে কাজে অভিজ্ঞ ও দক্ষ তাকে সেই কাজই দেওয়া হয়। ৫. অধিকার ও ভার বণ্টন: ভার অর্পণ বলতে কর্তব্য পালনের উপযুক্ত কার্যনির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করাকে বুঝায়। প্রতিটি কর্মীকে স্বাধীনভাবে, নির্বিঘ্নে এবং যথাযথভাবে কাজ করার অধিকার দিতে হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার কর্তৃত্ব বা ক্ষমতার একাংশ তার অধস্তন কর্মীকে অর্পণ করেন। দুটি ভিন্নমুখী প্রবাহ অব্যাহত থাকলে সংগঠন সফল হয়।
SSCঅর্থনীতিঅধ্যায়-৪ : উৎপাদন ও সংগঠন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সংগঠককে সমন্বয়কারী বলা হয় কেন?

সংগঠককে সমন্বয়কারী বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.উৎপাদিত দ্রব্যের বিনিময় মূল্য থাকতে হবে কেন?

উৎপাদিত দ্রব্যের বিনিময় মূল্য থাকতে হবে কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কীভাবে মালিকানাগত উপযোগ সৃষ্টি হয়?

কীভাবে মালিকানাগত উপযোগ সৃষ্টি হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উৎপাদন ও উৎপাদকের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উৎপাদন ও উৎপাদকের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.রূপগত উপযোগ সম্পর্কে ধারণা দাও।

রূপগত উপযোগ সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সামাজিক ব্যয় বলতে কী বোঝায়?

সামাজিক ব্যয় বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'সময়গত উপযোগ'- ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

'সময়গত উপযোগ'- ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রান্তিক উৎপাদন সম্পর্কে ধারণা দাও।

প্রান্তিক উৎপাদন সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যয় কী?

ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যয় কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.গড় উৎপাদন কাকে বলে? গড় উৎপাদনের সূত্রটি লেখো।

গড় উৎপাদন কাকে বলে? গড় উৎপাদনের সূত্রটি লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।