শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ 'ক' দেশের (প্রণীত) বাজেটটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহায়ক নয়- তুমি কি এ ব্যাপারে একমত? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ 'ক' দেশের প্রণীত বাজেটটি একটি সুষম বাজেট। "এই বাজেটটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহায়ক নয়”- আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত মোট আয় এবং সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের পরিমাণ পরস্পর সমান হলে তাকে সুষম বাজেট বলে। এই বাজেটে আয়ের সাথে সংগতি রেখে ব্যয় করা হয় বলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং মুদ্রাস্ফীতি ঘটার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের অনগ্রসরতা দূর করতে, ব্যাপক বেকারত্ব দূরীকরণে, জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সুষম বাজেট মোটেও সহায়ক নয়। উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে প্রচুর পরিমাণে উন্নয়নমূলক ব্যয়ের প্রয়োজন হয়, যা সুষম বাজেট নীতির মাধ্যমে সম্ভব হয় না। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ উল্লিখিত 'ক' দেশের বাজেটে মোট প্রত্যাশিত আয় ২০০ কোটি ডলার এবং মোট প্রত্যাশিত ব্যয়ও ২০০ কোটি ডলার। এখানে আয় ও ব্যয়ের পরিমাণ সম্পূর্ণ সমান অর্থাৎ (মোট আয় - মোট ব্যয়) = ০, যা একটি আদর্শ সুষম বাজেটের গাণিতিক। রূপকে প্রকাশ করে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সুষম বাজেট অপেক্ষা ঘাটতি বাজেট অনেক বেশি কল্যাণকর ও মঙ্গলজনক। বাংলাদেশের মতো দেশে রাস্তাঘাট, সেতু, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের জন্য যে বিপুল পরিমাণের অর্থের প্রয়োজন হয়, তা কেবল সাধারণ রাজস্ব আয় দিয়ে মেটানো সম্ভব হয় না। এই' অনগ্রসরতা কাটিয়ে উঠতে সরকারকে আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে হয় এবং ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হয়। এই অতিরিক্ত ব্যয় অর্থনীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগপ্রবণতা বৃদ্ধি করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখে। পক্ষান্তরে, 'ক' দেশের মতো সুষম বাজেট নীতি অনুসরণ করলে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। সুতরাং পরিশেষে বলা যায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বেকারত্ব হ্রাস ও দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের্ জন্য 'ক' দেশের সষম বাজেটটি কোনোভাবেই সহায়ক বা যৌক্তিক নয়।।

SSC অর্থনীতি অধ্যায়-৬ : জাতীয় আয় ও এর পরিমাপ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · অর্থনীতি · অধ্যায়-৬ : জাতীয় আয় ও এর পরিমাপ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ 'ক' দেশের (প্রণীত) বাজেটটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়ন…

উদ্দীপক

ঘটনা-১: জনাব তমাল একটি প্লাস্টিক কারখানার মালিক। সাম্প্রতিককালে প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনের ফলে বায়ু দূষণ হওয়ায় সরকার তার উৎপাদিত পণ্যের ওপর এক ধরনের কর আরোপ করেছে। ঘটনা-২ : 'ক' দেশের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মোট প্রত্যাশিত আয় ২০০ কোটি ডলার এবং মোট প্রত্যাশিত ব্যয়ও ২০০ কোটি ডলার।

Barisal · 2026

উত্তর

সরকার জনগণের নিকট হতে বাধ্যতামূলকভাবে যে অর্থ আদায় করে কিন্তু তার বিনিময়ে জনগণ সরকার থেকে সরাসরি বিশেষ কোনো সুযোগ-সুবিধা আশা করতে পারে না, তাকে কর বলে।

উত্তর

সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে বই বিতরণ বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের 'শিক্ষা ও প্রযুক্তি' খাতকে নির্দেশ করে। সরকার মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ ও গুণগত মান উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার এবং নারী শিক্ষার উন্নয়নে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। এই কার্যক্রমের যাবতীয় ব্যয় সরাসরি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ জনাব তমালের উৎপাদিত পণ্যের ওপর আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। এটি সরকারের কর রাজস্বের একটি অন্যতম প্রধান উৎস। সাধারণ রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও সমাজে বিভিন্ন ক্ষতিকর বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক দ্রব্যের উৎপাদন ও ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও সরকার আবগারি শুল্ক ধার্য করে থাকে। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ দেখা যায়, জনাব তমাল একটি প্লাস্টিক কারখানার মালিক। তার কারখানায় প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি তথা বায়ু দূষণ হচ্ছে। এই ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস করার উদ্দেশ্যে সরকার তার উৎপাদিত পণ্যের ওপর এক ধরনের কর আরোপ করেছে। যেহেতু পণ্যটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত হচ্ছে এবং এর পরিবেশগত নেতিবাচক প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যে এই কর ধার্য করা হয়েছে, যা সরাসরি আবগারি শুল্কের মূল উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে। সুতরাং দেখা যায়, জনাব তমালের উৎপাদিত পণ্যের ওপর আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ 'ক' দেশের প্রণীত বাজেটটি একটি সুষম বাজেট। "এই বাজেটটি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহায়ক নয়”- আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত মোট আয় এবং সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের পরিমাণ পরস্পর সমান হলে তাকে সুষম বাজেট বলে। এই বাজেটে আয়ের সাথে সংগতি রেখে ব্যয় করা হয় বলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং মুদ্রাস্ফীতি ঘটার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের অনগ্রসরতা দূর করতে, ব্যাপক বেকারত্ব দূরীকরণে, জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সুষম বাজেট মোটেও সহায়ক নয়। উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে প্রচুর পরিমাণে উন্নয়নমূলক ব্যয়ের প্রয়োজন হয়, যা সুষম বাজেট নীতির মাধ্যমে সম্ভব হয় না। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ উল্লিখিত 'ক' দেশের বাজেটে মোট প্রত্যাশিত আয় ২০০ কোটি ডলার এবং মোট প্রত্যাশিত ব্যয়ও ২০০ কোটি ডলার। এখানে আয় ও ব্যয়ের পরিমাণ সম্পূর্ণ সমান অর্থাৎ (মোট আয় - মোট ব্যয়) = ০, যা একটি আদর্শ সুষম বাজেটের গাণিতিক। রূপকে প্রকাশ করে। উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সুষম বাজেট অপেক্ষা ঘাটতি বাজেট অনেক বেশি কল্যাণকর ও মঙ্গলজনক। বাংলাদেশের মতো দেশে রাস্তাঘাট, সেতু, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মতো বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণের জন্য যে বিপুল পরিমাণের অর্থের প্রয়োজন হয়, তা কেবল সাধারণ রাজস্ব আয় দিয়ে মেটানো সম্ভব হয় না। এই' অনগ্রসরতা কাটিয়ে উঠতে সরকারকে আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করতে হয় এবং ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হয়। এই অতিরিক্ত ব্যয় অর্থনীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগপ্রবণতা বৃদ্ধি করে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং উৎপাদন বাড়িয়ে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখে। পক্ষান্তরে, 'ক' দেশের মতো সুষম বাজেট নীতি অনুসরণ করলে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে। সুতরাং পরিশেষে বলা যায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বেকারত্ব হ্রাস ও দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের্ জন্য 'ক' দেশের সষম বাজেটটি কোনোভাবেই সহায়ক বা যৌক্তিক নয়।।
SSCঅর্থনীতিঅধ্যায়-৬ : জাতীয় আয় ও এর পরিমাপ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.প্রযুক্তি GDP বা দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিতে কীভাবে সহায়তা করে?

প্রযুক্তি GDP বা দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধিতে কীভাবে সহায়তা করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.দ্বৈত গণনা সমস্যা বলতে কী বোঝায়?

দ্বৈত গণনা সমস্যা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.একটি দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি কীসের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়?

একটি দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি কীসের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আয় পদ্ধতিতে GDP কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

আয় পদ্ধতিতে GDP কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মাথাপিছু জিডিপি (GDP) বলতে কী বোঝায়?

মাথাপিছু জিডিপি (GDP) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.GNI, GDP থেকে কখন বেশি হয়?

GNI, GDP থেকে কখন বেশি হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.GNI, NNI, CCA, GDP-এর পূর্ণরূপ লেখো।

GNI, NNI, CCA, GDP-এর পূর্ণরূপ লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মাথাপিছু আয় ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

মাথাপিছু আয় ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.GDP এবং GNP-এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।

GDP এবং GNP-এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.প্রবাসীদের আয় জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয় না কেন?

প্রবাসীদের আয় জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয় না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতীয় আয় কীভাবে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে?

জাতীয় আয় কীভাবে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা দাও।

মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।