শেয়ারFacebookWhatsApp

ঘটনা-২ এ জনাব মাইকেলের পদত্যাগে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা শুরু হয়- বক্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর: ঘটনা-২ এ জনাব মাইকেলের পদত্যাগে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়।- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলন ছিল বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বৃহৎ গণআন্দোলন ছিল ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট এরশাদ সরকারের পতন ঘটে এবং দেশ গণতন্ত্রের পথে পুনরায় পরিচালিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এর জনাব মাইকেল 'ক' দেশের নিরাপত্তা বাহিনী প্রধান। একদা তিনি দেশের ক্ষমতা দখল করেন এবং নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন। কিন্তু দেশের জনগণ তিনটি দলে ভাগ হয়ে জনাব মাইকেলের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে তিনি পদত্যাগ করেন। এরূপ ঘটনা ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের পতনকে নির্দেশ করে। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তখন থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক-বেসামরিক আদলে কার্যত সামরিক শাসন চলে। সেনাশাসক এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি সকল দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক ধারা চালু হয়। বাংলাদেশের জনগণ একটি স্থায়ী গণতান্ত্রিক ধারা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হয়। এ অভিযাত্রায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিচালনার পথ উন্মুক্ত হয়। শাসনব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক করতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বাতিল করে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, কৃষক, শ্রমিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আইনজীবীসহ সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করে। তাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়। সুতরাং বলা যায়, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল, ১৯৯০ এর গণআন্দোলনে তার অবসান ঘটে। ফলে বাংলাদেশ সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

ঘটনা-২ এ জনাব মাইকেলের পদত্যাগে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা শু…

উদ্দীপক

ঘটনা-১: 'ক' দেশে অবৈধভাবে প্রেসিডেন্ট হয়ে মি. ডেভিড ক্ষমতার মোহে এতই অন্ধ হয়ে যান যে, তিনি অন্যান্য রাজনীতিবিদদের উপস্থিতি সহ্য করতে পারতেন না। সেজন্য তিনি চার প্রধান রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠান এবং পরিশেষে তাদের হত্যা করেন। ঘটনা-২: জনাব মাইকেল 'ক' দেশের নিরাপত্তা বাহিনী প্রধান। একদা তিনি দেশের ক্ষমতা দখল করেন এবং নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন। কিন্তু দেশের জনগণ তিনটি দলে ভাগ হয়ে জনাব মাইকেলের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে তিনি পদত্যাগ করেন।

Dhaka · 2023

উত্তর

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে বলেন, 'এই সংবিধান শহিদের রক্তে লিখিত, এই সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্তপ্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।'

উত্তর

জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ নিরস্ত্র জনগণের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালালে বাঙালি ছাত্র, জনতা, পুলিশ, ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) সাহসিকতার সাথে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, বিনা প্রতিরোধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বাঙালিরা ছাড় দেয়নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে বহু মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন রণাঙ্গনে শহিদ হন, আবার অনেকে গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হন। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের এ ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না।

উত্তর

ঘটনা-১ এ জনাব ডেভিডের কার্যকলাপ আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৭০ সালের ৩রা ডিসেম্বর জেলখানায় পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর গভীর রাতে ১৫ই আগস্ট হত্যাকাণ্ডের খুনিচক্র সেনাসদস্যরা দেশত্যাগের পূর্বে খন্দকার মোশতাকের অনুমতি নিয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে সেখানে বন্দি অবস্থায় থাকা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। শুরু হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আর একটি কলঙ্কময় অধ্যায়ের। এ পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড দেশের জনগণ এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এ ঘটনা মোশতাকের পতন ত্বরান্বিত করে। খুনিরা দেশত্যাগে বাধ্য হয়। এ হত্যাকাণ্ড ছিল ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত, স্বাধীনতাবিরোধী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সম্মিলিত ষড়যন্ত্র ও নীলনক্সার বাস্তবায়ন। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এর 'ক' দেশে অবৈধভাবে প্রেসিডেন্ট হয়ে মি. ডেভিড ক্ষমতার মোহে এতই অন্ধ হয়ে যান যে, তিনি অন্যান্য রাজনীতিবিদদের উপস্থিতি সহ্য করতে পারতেন না। সেজন্য তিনি চার প্রধান রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠান এবং পরিশেষে তাদের হত্যা করেন। এরূপ ঘটনা স্পষ্টভাবে ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং দেশকে নেতৃত্বশূন্য করে পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।

উত্তর

ঘটনা-২ এ জনাব মাইকেলের পদত্যাগে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়।- মন্তব্যটি যথার্থ। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলন ছিল বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বৃহৎ গণআন্দোলন ছিল ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। এর মাধ্যমে স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট এরশাদ সরকারের পতন ঘটে এবং দেশ গণতন্ত্রের পথে পুনরায় পরিচালিত হওয়ার সুযোগ লাভ করে। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এর জনাব মাইকেল 'ক' দেশের নিরাপত্তা বাহিনী প্রধান। একদা তিনি দেশের ক্ষমতা দখল করেন এবং নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন। কিন্তু দেশের জনগণ তিনটি দলে ভাগ হয়ে জনাব মাইকেলের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে তিনি পদত্যাগ করেন। এরূপ ঘটনা ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরশাসক এরশাদ সরকারের পতনকে নির্দেশ করে। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তখন থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক-বেসামরিক আদলে কার্যত সামরিক শাসন চলে। সেনাশাসক এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি সকল দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক ধারা চালু হয়। বাংলাদেশের জনগণ একটি স্থায়ী গণতান্ত্রিক ধারা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হয়। এ অভিযাত্রায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিচালনার পথ উন্মুক্ত হয়। শাসনব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক করতে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বাতিল করে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, কৃষক, শ্রমিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আইনজীবীসহ সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করে। তাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়। সুতরাং বলা যায়, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল, ১৯৯০ এর গণআন্দোলনে তার অবসান ঘটে। ফলে বাংলাদেশ সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয়।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।