শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যকল্প-১ তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: দৃশ্যকল্প-১ এ আমার পঠিত বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে একটি শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'দ্বিতীয় বিপ্লব' কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে বন্যায় দেশে খাদ্যোৎপাদন দারুণভাবে ব্যাহত হয়। এসবের ফলে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি দেশের অভ্যন্তরে মজুতদার, দুর্নীতিবাজ এবং ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তৎপর হতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দল নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করে। গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু নতুন একটি ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন। এটিকে জাতির পিতা 'দ্বিতীয় বিপ্লব' বলে অভিহিত করেন। উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত 'ক' দেশটি পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বিভিন্ন দলের সমন্বয়ে একটি নতুন দল গঠন করেন। দলটি গঠনের উদ্দেশ্য ছিল- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং শোষণহীন সমাজ গঠন। একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তি ও শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতি সাধিত হয়।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

দৃশ্যকল্প-১ তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: যুদ্ধবিধ্বস্ত 'ক' দেশটি পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বিভিন্ন দলের সমন্বয়ে একটি নতুন দল গঠন করেন। দলটি গঠনের উদ্দেশ্য ছিল- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং শোষণমুক্ত সমাজ গঠন। দৃশ্যকল্প-২ : 'ক' দেশের 'খ' অঞ্চলের জনপ্রিয় নেতা নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করতে না পারায় বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানান। তিনি এক ঐতিহাসিক মাঠে বিশাল জনসভায় স্বাধীনতাকামী জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষন দেন। জনগণ তার ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং একসময় স্বাধীনতা অর্জন করে।

Rajshahi · 2023

উত্তর

যে যুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করে তাকে গণযুদ্ধ বলে।

উত্তর

স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ নীরব ছিল কারণ ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্রের বাইরে জাতিসংঘের নিজস্ব উদ্যোগে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা ছিল সীমিত। বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলেও ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। বরং যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। প্রকৃতপক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি দেশের (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জাতিসংঘের নিজস্ব উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা ছিল না। এজন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ নীরব ছিল।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ আমার পঠিত বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে একটি শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'দ্বিতীয় বিপ্লব' কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও তেলের মূল্য বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে বন্যায় দেশে খাদ্যোৎপাদন দারুণভাবে ব্যাহত হয়। এসবের ফলে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি দেশের অভ্যন্তরে মজুতদার, দুর্নীতিবাজ এবং ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তৎপর হতে থাকে। বঙ্গবন্ধুর সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দল নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করে। গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু নতুন একটি ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন। এটিকে জাতির পিতা 'দ্বিতীয় বিপ্লব' বলে অভিহিত করেন। উদ্দীপকে দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে যুদ্ধ বিধ্বস্ত 'ক' দেশটি পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বিভিন্ন দলের সমন্বয়ে একটি নতুন দল গঠন করেন। দলটি গঠনের উদ্দেশ্য ছিল- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং শোষণহীন সমাজ গঠন। একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তি ও শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতি সাধিত হয়।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের কথা বলা হয়েছে। এ ভাষণের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ই মার্চের ভাষণ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ থেকে জাতীয় পরিষদে অধিবেশন ডেকেও ১লা মার্চ তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। তার এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকা ও ৩রা মার্চ সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। এরকম একটি পরিস্থিতিতে ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ বলা হয়েছে, 'ক' দেশের 'খ' অঞ্চলের জনপ্রিয় নেতা নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করতে না পারায় বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানান। তিনি এক ঐতিহাসিক মাঠে বিশাল জনসভায় স্বাধীনতাকামী জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। জনগণ তাঁর ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এক সময় স্বাধীনতা অর্জন করে। এরূপ বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। দেশব্যাপী নানা রকমের উদ্বেগ, উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের এ ভাষণ ছিল জাতির জন্য একটি সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা। এই ভাষণে তিনি কৌশলগত কারণে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং জনগণকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল স্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অবশেষে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়। আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বের ইতিহাসে ৭ মার্চের ভাষণ হলো একটি সঞ্জীবনী শক্তি। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধুর তেজদীপ্ত কণ্ঠে নিরীহ বাঙালি জাতি বীরের জাতিতে পরিণত হয়। এই ভাষণের দিক-নির্দেশনায় বাঙালি যার কাছে যা ছিল তাই নিয়ে শুত্রসেনাদের মুখোমুখি হয়। ছিনিয়ে আনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্য। সুতরাং এটা স্পষ্ট হয় ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমেই সূচিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক যাত্রা।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

দৃশ্যকল্প-১ তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর। | Prosthuti