শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত মিছিলের ঘটনাটিই কি গণতন্ত্র পুনঃযাত্রার একমাত্র নিয়ামক ছিল? তোমার মতামতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: দৃশ্যপট-২ এর উল্লিখিত মিছিলের ঘটনাটি গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রার একমাত্র নিয়ামক ছিল না বলে আমি মনে করি। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত ছিল। ১৯৯০ সালে ৬ই ডিসেম্বর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ২৭শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, স্বৈরশাসক দ্বারা পরিচালিত একটি দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছিল। একদিন মিছিলে এক যুবক তার বুকে ও পিঠে কিছু লিখে শ্লোগান দিচ্ছিল। হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো যুবকটি। এ ঘটনাটি ছাড়াও আরো অনেক ঘটনা গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রায় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। তিনি তার দীর্ঘ নয় বছর শাসনকালে প্রবল গণআন্দোলনের সম্মুখীন হন। এ আন্দোলনে রাজনৈতিক দল ছাড়াও ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিক, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করে। ১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে এবং শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশ সরকারি সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়, সেখানে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পান। এর বিরুদ্ধে দেশের জনগণ প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯০ সালের ১০ই অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলো সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে সেখানে ৫ জন নিহত হয়। সর্বশেষ ২৭শে নভেম্বর ডা. মিলনের মৃত্যুবরণের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন চরম রূপ নেয়। ২৯শে নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ একযোগে পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংগঠিত হয় এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। ফলে এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল একজন আন্দোলনকারী গুলি করে হত্যার ঘটনার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ছাড়াও উপর্যুক্ত আন্দোলনগুলোও ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত মিছিলের ঘটনাটিই কি গণতন্ত্র পুনঃযাত্রার একমা…

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: "মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি"- আপেল মাহমুদের গাওয়া গানটি ১৯৭১ সালে সাধারণ মানুষকে এতটাই অনুপ্রাণিত করেছিল যে তারা ঘরে বসে না থেকে সম্মুখযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দৃশ্যকল্প-২: স্বৈরশাসক দ্বারা পরিচালিত একটি দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছিল। একদিন মিছিলে এক যুবক তার বুকে ও পিঠে কিছু লিখে শ্লোগান দিচ্ছিল। হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো যুবকটি।

Rajshahi · 2023

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত মিছিলের ঘটনাটিই কি গণতন্ত্র পুনঃযাত্রার একমাত্র নিয়ামক ছিল? তোমার মতামতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে স্বাধিকার সংগ্রামে নামে। সে সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। তাই স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক মুক্তিযোদ্ধাদের জাতি সূর্যসন্তান হিসেবে স্মরণ করবে।

উত্তর

আপেল মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমে কাজ করতেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা ছিল ব্যাপক। সংবাদপত্র ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রামের বেতার শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন। পরবর্তীতে এটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র নামে মুজিবনগর সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, "মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি"- আপেল মাহমুদের গাওয়া এ গানটি ১৯৭১ সালে সাধারণ মানুষকে এতোটাই অনুপ্রাণিত করেছিল যে তারা ঘরে বসে না থেকে সম্মুখযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অর্থাৎ আপেল মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধে একজন গণমাধ্যম কর্মী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে এ মাধ্যমটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বেতার কেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা, রণাঙ্গণের নানা ঘটনা ইত্যাদি দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মনোবল চাঙ্গা রাখতো। তাছাড়া মুজিবনগর সরকারের প্রচার সেলের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত পত্রিকাগুলো মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

উত্তর

দৃশ্যপট-২ এর উল্লিখিত মিছিলের ঘটনাটি গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রার একমাত্র নিয়ামক ছিল না বলে আমি মনে করি। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত ছিল। ১৯৯০ সালে ৬ই ডিসেম্বর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ২৭শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, স্বৈরশাসক দ্বারা পরিচালিত একটি দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন করছিল। একদিন মিছিলে এক যুবক তার বুকে ও পিঠে কিছু লিখে শ্লোগান দিচ্ছিল। হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো যুবকটি। এ ঘটনাটি ছাড়াও আরো অনেক ঘটনা গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রায় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। তিনি তার দীর্ঘ নয় বছর শাসনকালে প্রবল গণআন্দোলনের সম্মুখীন হন। এ আন্দোলনে রাজনৈতিক দল ছাড়াও ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিক, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করে। ১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে এবং শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশ সরকারি সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়, সেখানে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পান। এর বিরুদ্ধে দেশের জনগণ প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯০ সালের ১০ই অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলো সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে সেখানে ৫ জন নিহত হয়। সর্বশেষ ২৭শে নভেম্বর ডা. মিলনের মৃত্যুবরণের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন চরম রূপ নেয়। ২৯শে নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ একযোগে পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংগঠিত হয় এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। ফলে এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল একজন আন্দোলনকারী গুলি করে হত্যার ঘটনার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ছাড়াও উপর্যুক্ত আন্দোলনগুলোও ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।