শেয়ারFacebookWhatsApp

ছকের 'ক' দ্বারা কোন ঐতিহাসিক ঘটনাটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের ছকের 'ক' দ্বারা ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ই মার্চের ভাষণ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ থেকে জাতীয় পরিষদে অধিবেশন ডেকেও ১লা মার্চ তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। তার এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকা ও ৩রা মার্চ সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। উদ্দীপকের 'ক' সম্পর্কে বলা হয়েছে, রেসকোর্স ময়দান, ১৯৭১; বাঙালির শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস বর্ণনা; ইউনেস্কো কর্তৃক 'প্রামাণ্য দলিল' হিসেবে স্বীকৃত। এসব তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে ১৯৭১ সালের ৭মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র তুলে ধরে। এ ভাষণে তিনি বাঙালির শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরেন। এ ভাষণে আন্দোলিত হয়ে বাঙালি স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা অর্জন করে। পরবর্তীতে এই ভাষণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

ছকের 'ক' দ্বারা কোন ঐতিহাসিক ঘটনাটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2023

উত্তর

ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল হলো শহরাঞ্চলের কর্মজীবী মায়েদের অর্থ সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত একটি তহবিল।

উত্তর

প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। বিভিন্ন দেশে তারা মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায়ে পার্লামেন্ট সদস্যদের নিকট ছুটে গিয়েছেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় প্রতিনিধি দল প্রেরণ করেছেন, পাকিস্তানকে অস্ত্রগোলাবারুদ সরবরাহ না করতে সরকারের নিকট আবেদন করেছেন। এক্ষেত্রে ব্রিটেন ও আমেরিকার প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে তারা কাজ করেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকের ছকের 'ক' দ্বারা ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ই মার্চের ভাষণ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ থেকে জাতীয় পরিষদে অধিবেশন ডেকেও ১লা মার্চ তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। তার এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকা ও ৩রা মার্চ সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। উদ্দীপকের 'ক' সম্পর্কে বলা হয়েছে, রেসকোর্স ময়দান, ১৯৭১; বাঙালির শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস বর্ণনা; ইউনেস্কো কর্তৃক 'প্রামাণ্য দলিল' হিসেবে স্বীকৃত। এসব তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে ১৯৭১ সালের ৭মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণের চিত্র তুলে ধরে। এ ভাষণে তিনি বাঙালির শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরেন। এ ভাষণে আন্দোলিত হয়ে বাঙালি স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা অর্জন করে। পরবর্তীতে এই ভাষণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উত্তর

ছক-খ তে উল্লিখিত তথ্যগুলো মুজিবনগর সরকারকে তুলে ধরে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত করতে এ সরকারের কার্যক্রম ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের মূল উদ্দেশ্য। উদ্দীপকের ছক-খ এর তথ্যগুলো মুজিবনগর সরকারকে উপস্থাপন করে। মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে। এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। মুজিবনগর সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব নেতৃত্ব ও জনমতের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে। ১১ই এপ্রিল তা পুননির্ধারিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাগণ মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে দেশকে পাকিস্তানিদের দখলমুক্ত করতে যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। তাই বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে উল্লিখিত বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।