শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তুমি 'A [গণিত] না 'B [গণিত] দেশের ভূমিকাকে অগ্রগণ্য মনে কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দেখাও।

উত্তর: উদ্দীপকের 'A [গণিত] দ্বারা প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং 'B [গণিত] দ্বারা রাশিয়াকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়ার চেয়ে ভারতের ভূমিকা অগ্রগণ্য মনে করি। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারত। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতাকে বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করতে সহায়তা করে ভারত। লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, অস্ত্র সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, একটি দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে। উদ্দীপকের দেশটির এই কার্যক্রম মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সরকার ও জনগণের সহযোগিতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত সুস্পষ্ট সমর্থন জানায়। দীর্ঘ নয় মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নারকীয় গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। ভারতীয় প্রচার মাধ্যম ও সংবাদ এটি বিশ্ববাসীর নিকট উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীকে রুখে দাঁড়ালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে সাহায্য করে। এপ্রিলের শেষ দিকে ত্রিপুরাসহ ভারতের মাটিতে বাঙালি তরুণ-যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়, যা নভেম্বর পর্যন্ত চালু ছিল। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম অত্যাচার থেকে বাঁচতে গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি বাঙালি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। এসব বাঙালি শরণার্থীকে সাহায্যের জন্য ভারত সরকার তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। পাশাপাশি কলকাতায় অবস্থান করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। আবার, মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় বাহিনী মিলিত হয়ে যৌথকমান্ড গঠন করে। এই যৌথবাহিনীর তীব্র আক্রমণের ফলে কোণঠাসা হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের দেশ অর্থাৎ ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল যা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তুমি 'A না 'B দেশের ভূমিকাকে অগ্রগণ্য…

উদ্দীপক

ঘটনা-১: বিদিতা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি বিদিতাকে তার ডাক্তার পিতা ও শিক্ষক মাতার গল্প শোনান। তারা দুজনেই ১৯৭১ সালে চাকরির মায়া ত্যাগ করে গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধে আহত অনেককেই তারা দুজন মিলে সেবা-শুশ্রুষা করেন। ঘটনা-২: 'A′A^{\prime} নামক প্রতিবেশী দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেন এবং তৎকালীন গণহত্যার বিবরণ বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরেন। 'B′B^{\prime} নামক ভেটোপ্রদানকারী দেশ উক্ত সময় বিভিন্নভাবে সহায়তা কার্যক্রমকে এগিয়ে দেয়।

Sylhet · 2023

উত্তর

বাংলাদেশ সংবিধানের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি লিখিত সংবিধান।

উত্তর

শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তনকারী শিক্ষানীতিটি হলো জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়নের ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। সৃজনশীল পদ্ধতির মূল্যায়ন ব্যবস্থা, শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও নতুন পাঠ্যপুস্তক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। বর্তমান সরকার একসাথে ২৫ হাজারের অধিক রেজিস্ট্রার্ড প্রাইমারি এবং প্রায় ৩ শত কলেজ সরকারিকরণ করেছে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন সাধনে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার পাসের হার অনেক বেড়েছে, শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমেছে ও শ্রেণিতে নারী শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার বেড়েছে। এছাড়া একীভূত শিক্ষা গ্রহণ করার ফলে 'সবার জন্য শিক্ষা' কার্যক্রম সফলতা পেয়েছে।

উত্তর

বিদিতার দাদা-দাদি মুক্তিযুদ্ধকালীন পেশাজীবীদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সাধারণ অর্থে যারা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত তারাই হলেন পেশাজীবী। পেশাজীবীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদের ভূমিকা ছিল অনন্য ও গৌরবদীপ্ত। পেশাজীবীদের বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এর বিদিতার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি বিদিতাকে তার ডাক্তার পিতা ও শিক্ষক মাতার গল্প শোনান। তারা দুজনেই ১৯৭১ সালে চাকরির মায়া ত্যাগ করে গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধে আহত অনেককেই তারা দুজন মিলে সেবা-শুশ্রুষা করেন। এরূপ ঘটনা থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে, বিদিতার দাদা-দাদি মুক্তিযুদ্ধকালীন পেশাজীবী শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পেশাজীবীরা মুজিবনগর সরকারের অধীনে পরিকল্পনা সেল গঠন করে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সরবরাহ, সাহায্যের আবেদন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বক্তব্য প্রদান, শরণার্থীদের উৎসাহ প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পেশাজীবীদের মধ্যে চিকিৎসকগণ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

উত্তর

উদ্দীপকের 'A′A^{\prime} দ্বারা প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং 'B′B^{\prime} দ্বারা রাশিয়াকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়ার চেয়ে ভারতের ভূমিকা অগ্রগণ্য মনে করি। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারত। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতাকে বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করতে সহায়তা করে ভারত। লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, অস্ত্র সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, একটি দেশ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে। উদ্দীপকের দেশটির এই কার্যক্রম মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সরকার ও জনগণের সহযোগিতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত সুস্পষ্ট সমর্থন জানায়। দীর্ঘ নয় মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নারকীয় গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। ভারতীয় প্রচার মাধ্যম ও সংবাদ এটি বিশ্ববাসীর নিকট উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীকে রুখে দাঁড়ালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে সাহায্য করে। এপ্রিলের শেষ দিকে ত্রিপুরাসহ ভারতের মাটিতে বাঙালি তরুণ-যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়, যা নভেম্বর পর্যন্ত চালু ছিল। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম অত্যাচার থেকে বাঁচতে গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি বাঙালি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। এসব বাঙালি শরণার্থীকে সাহায্যের জন্য ভারত সরকার তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। পাশাপাশি কলকাতায় অবস্থান করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। আবার, মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় বাহিনী মিলিত হয়ে যৌথকমান্ড গঠন করে। এই যৌথবাহিনীর তীব্র আক্রমণের ফলে কোণঠাসা হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের দেশ অর্থাৎ ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল যা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।