শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ঘটনা-১ এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের 'ঘটনা-১' অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক দিনটিকে নির্দেশ করে, যা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করা এবং বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ঐ দিনই ঘোষিত হয় স্বাধীনতার ঘোষণার আদেশ। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এই সরকারের সঠিক নেতৃত্বেই সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ১৭ই এপ্রিলের এই ঘটনাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। শপথ গ্রহণের পর মুজিবনগর সরকার প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে যুদ্ধ পরিচালনা করে। বহির্বিশ্বে মিশন স্থাপন করে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করে। সাধারণ মানুষ ও পেশাজীবীদের নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠন ও তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। মূলত ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শপথ নেওয়া এই সরকারের দক্ষ নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনার ফলেই বাংলার মুক্তিকামী জনতা চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ঘটনা-১ এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2026

উত্তর

ইপিআর (EPR)-এর পূর্ণরূপ হলো 'ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস' (East Pakistan Rifles)।

উত্তর

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঘুমন্ত ও নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর যে বর্বরোচিত গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল, সামরিক ভাষায় তাকেই 'অপারেশন সার্চলাইট' বলা হয়। এটি ছিল স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার এক গোপন সামরিক নীলনকশা। এর আওতায় পাকিস্তানি সেনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও পিলখানায় অতর্কিত হামলা চালায়। এর ফলে অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রাণ হারায় এবং পুরো দেশে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ঘটনা-১' অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক দিনটিকে নির্দেশ করে, যা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করা এবং বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ঐ দিনই ঘোষিত হয় স্বাধীনতার ঘোষণার আদেশ। ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এই সরকারের সঠিক নেতৃত্বেই সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ১৭ই এপ্রিলের এই ঘটনাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। শপথ গ্রহণের পর মুজিবনগর সরকার প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে যুদ্ধ পরিচালনা করে। বহির্বিশ্বে মিশন স্থাপন করে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করে। সাধারণ মানুষ ও পেশাজীবীদের নিয়ে মুক্তিবাহিনী গঠন ও তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। মূলত ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল শপথ নেওয়া এই সরকারের দক্ষ নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনার ফলেই বাংলার মুক্তিকামী জনতা চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল।

উত্তর

হ্যাঁ, উদ্দীপকের 'ঘটনা-২' অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের চূড়ান্ত বিজয়ের ঘটনাটি আজও বিশ্বের নিপীড়িত ও স্বাধীনতাকামী জনগণকে অনুপ্রাণিত করে, আমি এই বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। এই দিনেই পৃথিবীর মানচিত্রে 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে শোষিত, বাঙালির এক অবিস্মরণীয় বিজয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৬ই ডিসেম্বরের এই বিজয় বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিল। সাধারণ মানুষ অসীম সাহসিকতায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের চরম আত্মত্যাগের ফলেই ১৬ই ডিসেম্বর এই বিজয় অর্জিত হয়, যা প্রমাণ করে জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে অত্যাচারী শাসক নতি স্বীকার করতে বাধ্য। পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় বিশ্বের পরাধীন জাতিকে ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করার সাহস যোগায়। এটি শেখায় যে, স্বাধীনতার প্রবল আকাঙ্ক্ষা থাকলে কোনো অপশক্তিই দমিয়ে রাখতে পারে না। তাই এই দিনটি সারা বিশ্বের শোষিত ও মুক্তিকামী মানুষের অধিকার আদায়ের এক চিরন্তন প্রেরণা।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।