শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে যেটিকে বুঝিয়েছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেটির ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র 'সোভিয়েত ইউনিয়ন' বা বর্তমান রাশিয়াকে বুঝিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধে যাদের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ভারত ছাড়া সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি বাংলাদেশের পক্ষ অবলম্বন করে। তারা পাকিস্তানি সামরিক জান্তাকে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানায় এবং নিজেদের প্রচারমাধ্যমের সাহায্যে বিশ্বজনমত গড়ে তোলে। উদ্দীপকের সেক্টর কমান্ডার জাতিসংঘে ভেটো প্রদানের যে কথা বলেছেন, তা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে 'ভেটো' দিয়ে তা বাতিল করে দেয়। এই ভেটোর কারণেই স্বাধীনতাবিরোধী আন্তর্জাতিক চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যায় এবং মিত্রবাহিনীর চূড়ান্ত বিজয় ত্বরান্বিত হয়। আলোচনার, শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) কথা উল্লেখ করেছেন। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে যেটিকে ব…

উদ্দীপক

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে একজন সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধবন্ধের প্রস্তাব দেয় তখন একটি দেশ ভেটো প্রদান করে তা বাতিল করে দেয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটেনসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের ভূমিকা ছিল অসাধারণ।

Mymensingh · 2026

উত্তর

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই হলো জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

উত্তর

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে এদেশের নারী সমাজের অসামান্য আত্মত্যাগ ও প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কারণেই তাঁদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান, খাবার সরবরাহ, আহতদের সেবা-শুশ্রুষা এবং গোপনে তথ্য আদান-প্রদানের মতো চরম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন। এছাড়া অসংখ্য নারী সরাসরি অস্ত্র চালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে সম্মুখ সমরেও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছেন।

উত্তর

উদ্দীপকে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র 'সোভিয়েত ইউনিয়ন' বা বর্তমান রাশিয়াকে বুঝিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধে যাদের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ভারত ছাড়া সোভিয়েত ইউনিয়ন সরাসরি বাংলাদেশের পক্ষ অবলম্বন করে। তারা পাকিস্তানি সামরিক জান্তাকে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানায় এবং নিজেদের প্রচারমাধ্যমের সাহায্যে বিশ্বজনমত গড়ে তোলে। উদ্দীপকের সেক্টর কমান্ডার জাতিসংঘে ভেটো প্রদানের যে কথা বলেছেন, তা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে 'ভেটো' দিয়ে তা বাতিল করে দেয়। এই ভেটোর কারণেই স্বাধীনতাবিরোধী আন্তর্জাতিক চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যায় এবং মিত্রবাহিনীর চূড়ান্ত বিজয় ত্বরান্বিত হয়। আলোচনার, শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডার ভেটো প্রদানকারী দেশ বলতে মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান রাশিয়া) কথা উল্লেখ করেছেন। আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

উত্তর

"বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটেনসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের ভূমিকা ছিল অসাধারণ"- উদ্দীপকে সম্মানিত সেক্টর কমান্ডারের এই মন্তব্যটি ঐতিহাসিক বাস্তবতার নিরিখে সম্পূর্ণ যথার্থ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ শুরু হলে ব্রিটেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেয়। তাদের দেশের সরকার, প্রচারমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণ বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালিদের ওপর চলা নির্যাতনের খবর তুলে ধরে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে সহায়তা করে। উদ্দীপকের মন্তব্যে এই অবদানের কথাই স্মরণ করা হয়েছে। সে সময় লন্ডন ছিল বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র। বিবিসি এবং ব্রিটিশ পত্রিকাগুলো মুক্তিযুদ্ধের সংবাদ ব্যাপকভাবে প্রচার করে। এছাড়া ব্রিটিশ নাগরিক জর্জ হ্যারিসন 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর আয়োজন করে বিশ্বব্যাপী বিপুল জনমত ও তহবিল গঠন করেন। পশ্চিম জার্মানি, ফ্রান্স, ও ইতালির প্রচারমাধ্যমগুলোও আমাদের পক্ষে ব্যাপক সোচ্চার ছিল। পরিশেষে বলা যায়, পরাশক্তি ও ইউরোপীয় দেশগুলোর এই নৈতিক, কূটনৈতিক এবং তথ্যগত সহায়তার ফলেই মাত্র নয় মাসে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করা সম্ভব হয়েছিল। বিশ্বমঞ্চে এই সমর্থন না পেলে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন দীর্ঘায়িত ও আরও কঠিন হতো। তাই সেক্টর কমান্ডারের মূল্যায়নটি শতভাগ সঠিক ও যৌক্তিক।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে গণযুদ্ধ বলা হয় কেন?মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।'অপারেশন সার্চলাইট' বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হকাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।