শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের তারিখসমূহ ঋতু পরিবর্তনের সাথেও সম্পর্কযুক্ত- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিখগুলো মূলত পৃথিবীর বার্ষিক গতির চারটি বিশেষ অবস্থান, যা সরাসরি পৃথিবীর বুকে ঋতু পরিবর্তনের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। পৃথিবীর বার্ষিক গতি এবং মেরুরেখার হেলানো অবস্থানের কারণে এই চারটি নির্দিষ্ট তারিখে ভূপৃষ্ঠে সূর্যরশ্মির পতন কোণের ব্যাপক তারতম্য ঘটে। তাপমাত্রার এই পার্থক্যের ফলেই মূলত পৃথিবীতে ঋতু চক্রাকারে আবর্তিত হয়। ২১ জুন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে সেখানে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল থাকে। আবার, ২২ ডিসেম্বর সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এর ঠিক বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে, অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হয়। অন্যদিকে, ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং পৃথিবীর উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরত্বে থাকে। ফলে ২১ মার্চের দিকে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল থাকে এবং ২৩ সেপ্টেম্বরের দিকে উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল দেখা যায়। সুতরাং বিশ্লেষণ শেষে এটি সুস্পষ্ট যে, উদ্দীপকের তারিখগুলো ঋতু পরিবর্তনের মূল ভিত্তি।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-৩ : সৌরজগৎ ও ভূমন্ডল CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-৩ : সৌরজগৎ ও ভূমন্ডল · সৃজনশীল

উদ্দীপকের তারিখসমূহ ঋতু পরিবর্তনের সাথেও সম্পর্কযুক্ত- বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

নিম্নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ উল্লেখ করা হলো- (i) ২১ মার্চ (ii) ২১ জুন (iii) ২৩ সেপ্টেম্বর (iv) ২২ ডিসেম্বর

Mymensingh · 2026

উত্তর

নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগের ওপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে অর্ধবৃত্তাকার কাল্পনিক রেখাগুলো টানা হয়েছে, তাদের দ্রাঘিমা রেখা বলে।

উত্তর

অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র এবং সূর্যের মিলিত প্রবল আকর্ষণে সমুদ্রে যে শক্তিশালী জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে। অমাবস্যা তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর দুই বিপরীত পাশে অবস্থান করে। উভয় ক্ষেত্রেই চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় (সমসূত্রে) থাকার কারণে এদের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব বহুগুণ বেড়ে যায়, যার ফলে সমুদ্রের পানি অন্যান্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ফুলে উঠে এই প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি করে।

উত্তর

উদ্দীপকের ২১ মার্চ, ২১ জুন, ২৩ সেপ্টেম্বর এবং ২২ ডিসেম্বর তারিখসমূহ পৃথিবীর 'বার্ষিক গতি' ও কক্ষপথে এর ফলে সৃষ্ট বিশেষ অবস্থানগুলোকে নির্দেশ করে। মহাকর্ষ শক্তির আকর্ষণে পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ঘুরতে ঘুরতে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। পৃথিবীর এই পরিক্রমণ গতিকেই বার্ষিক গতি বলে। সূর্যকে একবার পূর্ণ প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এই বার্ষিক গতির কারণে কক্ষপথে পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরুরেখা সবসময় ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে। ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যরশ্মি ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তির্যকভাবে পড়ে। উদ্দীপকে উল্লিখিত চারটি তারিখ মূলত সূর্যকে পরিক্রমণকালে কক্ষপথে পৃথিবীর এমন চারটি বিশেষ অবস্থানকে নির্দেশ করে, যখন সূর্যরশ্মির পতন কোণের এই তারতম্যের কারণে পৃথিবীতে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে থাকে, যা মূলত পৃথিবীর বার্ষিক গতিরই ফলাফল। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিখসমূহ মূলত পৃথিবীর বার্ষিক গতিকে নির্দেশ করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিখগুলো মূলত পৃথিবীর বার্ষিক গতির চারটি বিশেষ অবস্থান, যা সরাসরি পৃথিবীর বুকে ঋতু পরিবর্তনের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। পৃথিবীর বার্ষিক গতি এবং মেরুরেখার হেলানো অবস্থানের কারণে এই চারটি নির্দিষ্ট তারিখে ভূপৃষ্ঠে সূর্যরশ্মির পতন কোণের ব্যাপক তারতম্য ঘটে। তাপমাত্রার এই পার্থক্যের ফলেই মূলত পৃথিবীতে ঋতু চক্রাকারে আবর্তিত হয়। ২১ জুন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে সেখানে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল থাকে। আবার, ২২ ডিসেম্বর সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এর ঠিক বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে, অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হয়। অন্যদিকে, ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং পৃথিবীর উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরত্বে থাকে। ফলে ২১ মার্চের দিকে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল থাকে এবং ২৩ সেপ্টেম্বরের দিকে উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল দেখা যায়। সুতরাং বিশ্লেষণ শেষে এটি সুস্পষ্ট যে, উদ্দীপকের তারিখগুলো ঋতু পরিবর্তনের মূল ভিত্তি।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-৩ : সৌরজগৎ ও ভূমন্ডল
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিরক্ষরেখা বলতে কী বোঝ?

নিরক্ষরেখা বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.প্রমাণ সময় বলতে কী বোঝ?

প্রমাণ সময় বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।

অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলতে কী বোঝায়?

কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.বার্ষিক গতির ফলাফল ব্যাখ্যা করো।

বার্ষিক গতির ফলাফল ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.প্রমাণ সময় বলতে কী বোঝ?

প্রমাণ সময় বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.শুক্র গ্রহটির বায়ুমণ্ডল প্রাণী বসবাসের অনুপযোগী কেন?

শুক্র গ্রহটির বায়ুমণ্ডল প্রাণী বসবাসের অনুপযোগী কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলতে কী বোঝায়?

কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এক নয় কেন?

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এক নয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা হয় কেন?

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।

অধিবর্ষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।