শেয়ারFacebookWhatsApp

উন্নয়নের মাত্রার ভিত্তিতে 'ক' দেশ কোন প্রকৃতির? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উন্নয়নের মাত্রার ভিত্তিতে 'ক' দেশটি উন্নত দেশের অন্তর্ভুক্ত। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে এবং এ উন্নয়ন দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহত আছে এমন দেশকে বলে উন্নত দেশ। উন্নত দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বেশি। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারও বেশি এবং যে কারণে জীবনযাত্রা অত্যন্ত উন্নত। এসব দেশে আর্থসামাজিক অবকাঠামো অত্যন্ত উন্নত, শিল্পখাত সম্প্রসারিত, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থনীতির অনুকূল। দেশের সকল জনগণের আবাসন, শিক্ষা সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়। শিক্ষার প্রসারের ফলে জ্ঞান-বিজ্ঞানও দ্রুত প্রসার লাভ করে এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় দেশসমূহ প্রভৃতি। উদ্দীপকে জনাব হারুন 'খ' দেশের যে পরিচয় তুলে ধরেছে যেমন- প্রযুক্তির নির্ভরশীলতা; যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রভৃতি উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই 'ক' দেশটি উন্নত দেশ।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-১১ : অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-১১ : অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি · সৃজনশীল

উন্নয়নের মাত্রার ভিত্তিতে 'ক' দেশ কোন প্রকৃতির? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

ঘটনা-১: জনাব হারুন 'ক' দেশে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ করেন, জনগণ প্রযুক্তির ওপর বেশ নির্ভরশীল। যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কারণে তাদের জীবনযাত্রা অনেক সহজ হয়েছে। ঘটনা-২: বিদেশ ফেরত জনাব হানিফ এলাকার উন্নয়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তবে তিনি মনে করেন, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অশিক্ষা তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্তরায়।

Rajshahi · 2025

উত্তর

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির উপর সে দেশের মোট শ্রম ও মূলধন বিনিয়োগ করে যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার আর্থিক মূল্যকে ওই দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।

উত্তর

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের নিজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে সচেতন হওয়া আবশ্যক। এর মাধ্যমে যথার্থ পরিকল্পনার হাত ধরে উন্নয়ন কর্মসূচি সকল বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে সফলতার মুখ দেখে। দেশ অপ্রতিরোধ্যভাবে এগিয়ে যায়।

উত্তর

উন্নয়নের মাত্রার ভিত্তিতে 'ক' দেশটি উন্নত দেশের অন্তর্ভুক্ত। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে এবং এ উন্নয়ন দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহত আছে এমন দেশকে বলে উন্নত দেশ। উন্নত দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বেশি। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারও বেশি এবং যে কারণে জীবনযাত্রা অত্যন্ত উন্নত। এসব দেশে আর্থসামাজিক অবকাঠামো অত্যন্ত উন্নত, শিল্পখাত সম্প্রসারিত, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থনীতির অনুকূল। দেশের সকল জনগণের আবাসন, শিক্ষা সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়। শিক্ষার প্রসারের ফলে জ্ঞান-বিজ্ঞানও দ্রুত প্রসার লাভ করে এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় দেশসমূহ প্রভৃতি। উদ্দীপকে জনাব হারুন 'খ' দেশের যে পরিচয় তুলে ধরেছে যেমন- প্রযুক্তির নির্ভরশীলতা; যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রভৃতি উন্নত দেশের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই 'ক' দেশটি উন্নত দেশ।

উত্তর

ঘটনা-২ উল্লিখিত প্রতিবন্ধকতাটি সমাধানেই শুধু বাংলাদেশের অগ্রগতি সুনিশ্চিত হবে না বরং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতাগুলোও দূর করতে হবে। বাংলাদেশের অনগ্রসরতার পিছনে যেসকল কারণ রয়েছে তা হলো- ১. অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা; ২. কৃষিক্ষেত্রের প্রতিবন্ধকতা; ৩. শিল্পক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং ৪. আর্থসামাজিক প্রতিবন্ধকতা। ৫. সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতি; ৬. প্রকৃতি সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অশিক্ষার ব্যাপারে বলা হয়েছে। তাই শুধু এই প্রতিবন্ধকতার সমাধান করে দীর্ঘস্থায়ী অগ্রগতি ঘটানো অসম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে হলে সরকারি ও বেসরকারি সকল ক্ষেত্রে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্নীতি হ্রাস করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, বেকারত্ব হ্রাস প্রভৃতি আর্থসামাজিক পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে। শিল্পক্ষেত্রে মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্পের অনুপস্থিতির সুবিবেচনাপ্রসূত পদক্ষেপ নিতে হবে। শিল্পের প্রসারের সকল ধরনের ঘাটতি দূর-করতে হবে। কৃষি চাষাবাদে আধুনিক চাষাবাদ ব্যবস্থার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। অর্থনৈতিক উৎপাদন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে, যা বিশ্ব বাজারে স্থান তৈরি করবে। সর্বোপরি বলা যায়, শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অশিক্ষা নয় বরং সকল ক্ষেত্রের বাধা-বিপত্তি দূর করার দ্বারা বাংলাদেশের অগ্রগতি মসৃণ হবে।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-১১ : অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলতে কী বোঝ?

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক'।- ব্যাখ্যা করো।

'মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক'।- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জিডিপি ও জিএনপি-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

জিডিপি ও জিএনপি-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে পরিত্রাণের উপায় লেখো।

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে পরিত্রাণের উপায় লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মোট দেশজ উৎপাদন কীভাবে নির্ধারিত হয়?

মোট দেশজ উৎপাদন কীভাবে নির্ধারিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার পটভূমি ব্যাখ্যা করো।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার পটভূমি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'মৌলিক ও ভারী শিল্প' বলতে কী বোঝায়?

'মৌলিক ও ভারী শিল্প' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মোট জাতীয় উৎপাদন (আয়) বলতে কী বোঝ?

মোট জাতীয় উৎপাদন (আয়) বলতে কী বোঝ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.একটি দেশের জনসংখ্যা কখন সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়?

একটি দেশের জনসংখ্যা কখন সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.A অঞ্চলের জনসংখ্যা ৫০ হাজার। গত বছর উক্ত অঞ্চলের মোট জাতীয় আয় ছিল ২০ কোটি টাকা। এ অঞ্চলের জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করো।

A অঞ্চলের জনসংখ্যা ৫০ হাজার। গত বছর উক্ত অঞ্চলের মোট জাতীয় আয় ছিল ২০ কোটি টাকা। এ অঞ্চলের জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে অনগ্রসরতার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী?

বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে অনগ্রসরতার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এক নয় কেন?

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এক নয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলতে কী বোঝ?'মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক'।- ব্যাখ্যা করো।জিডিপি ও জিএনপি-এর মধ্যে পার্থক্য কী?দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে পরিত্রাণের উপায় লেখো।মোট দেশজ উৎপাদন কীভাবে নির্ধারিত হয়?বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার পটভূমি ব্যাখ্যা করো।'মৌলিক ও ভারী শিল্প' বলতে কী বোঝায়?মোট জাতীয় উৎপাদন (আয়) বলতে কী বোঝ?একটি দেশের জনসংখ্যা কখন সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হয়?A অঞ্চলের জনসংখ্যা ৫০ হাজার। গত বছর উক্ত অঞ্চলের মোট জাতীয় আয় ছিল ২০ কোটি টাকা। বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে অনগ্রসরতার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী?অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এক নয় কেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।