উদ্দীপকের [গণিত] নং বিক্রিয়ার উৎপাদ যৌগদ্বয় পানিতে দ্রবণীয় কি? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত [গণিত] নং বিক্রিয়াটি পূর্ণ করলে পাই- [গণিত] অর্থাৎ, [গণিত] নং বিক্রিয়ায় প্রাপ্ত উৎপাদগুলো হলো [গণিত] এবং [গণিত] । উপরোক্ত যৌগ দুটির মধ্যে একটি পানিতে দ্রবীভূত হলেও অপরটি পানিতে দ্রবীভূত হবে না। [গণিত] পানিতে দ্রবীভূত হলেও [গণিত] পানিতে দ্রবীভূত হবে না। এর কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো: [গণিত] পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতা [গণিত] পরমাণুর তড়িৎ ঋণাত্মকতার [গণিত] তুলনায় অধিক হওয়ায় [গণিত] বন্ধনে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন জোড় [গণিত] পরমাণু দ্বারা অধিক আকৃষ্ট হয়। ফলে [গণিত] পরমাণু আংশিক ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয় এবং [গণিত] পরমাণু আংশিক ধনাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। [গণিত] এভাবে সৃষ্ট ধনাত্মক প্রান্ত [গণিত] পানির ঋণাত্মক প্রান্ত [গণিত] দ্বারা আকৃষ্ট হয় এবং ঋণাত্মক প্রান্ত [গণিত] পানির ধনাত্মক প্রান্ত [গণিত] দ্বারা আকৃষ্ট হয় । ফলে [গণিত] পানিতে তীব্র দ্রবণীয়তা দেখায় । [চিত্র] অপরদিকে, কার্বন ও ক্লোরিন উভয়ই অধাতব হওয়ায় এরা তাদের কক্ষপথের ইলেকট্রন শেয়ার করে [গণিত] সমযোজী যৌগ গঠন করে। আমরা জানি, ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা কার্বন অপেক্ষা বেশি। তাই [গণিত] এর অণুর গঠনে প্রতিটি [গণিত] পরমাণু শেয়ারকৃত বন্ধন ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে চায়। কিন্তু কার্বন পরমাণু চারদিকে চারটি [গণিত] পরমাণু দ্বারা সুষমভাবে পরিবেষ্ঠিত থাকে। ফলে কেন্দ্রিয় কার্বন পরমাণুর চারদিকের ক্লোরিন পরমাণুর আকর্ষণের লব্ধি শূন্য হয়। তাই এতে কোনো আংশিক ধনাত্মক বা আংশিক ঋণাত্মক প্রান্তের সৃষ্টি হয় না। ফলে [গণিত] অণু সামগ্রিকভাবে অপোলার হয়। ফলে এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই বলা যায় [গণিত] পানিতে অদ্রবণীয় হলেও [গণিত] পানিতে দ্রবণীয়।
SSC রসায়ন অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · রসায়ন · অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন · সৃজনশীল
উদ্দীপকের নং বিক্রিয়ার উৎপাদ যৌগদ্বয় পানিতে দ্রবণীয় কি? যুক্তিসহ ব…
উদ্দীপক
Barisal · 2019
উত্তর
উত্তর

উত্তর
চিত্র: তাপমাত্রার সাথে নিশাদলের ভৌত অবস্থা পরিবর্তন
-এর ক্ষেত্রে তাপীয় বক্ররেখায় পদার্থের দুটি ভৌত অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাপ প্রয়োগে কঠিন এর তাপমাত্রা বেড়ে অবস্থাতে গেলে সেটি পুরোপুরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। তার কঠিন অবস্থা নির্দেশ করে। তারপর রেখা দ্বারা তার ভৌত অবস্থা পরিবর্তন বোঝায়। এ সময় সেটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এ সময় তার তাপমাত্রা স্থির থাকে। শুধু অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সুপ্ত তাপ গ্রহণ করে। বিন্দুতে পুরোপুরি গ্যাস হয়ে যায় এবং এরপর আরও তাপ দিলে গ্যাসীয় এর তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। গ্যাসীয় এর ক্ষেত্রেও ধাপগুলোও অবস্থা এইভাবেই পরিবর্তিত হয়।উত্তর
অপরদিকে, কার্বন ও ক্লোরিন উভয়ই অধাতব হওয়ায় এরা তাদের কক্ষপথের ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী যৌগ গঠন করে।
আমরা জানি, ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা কার্বন অপেক্ষা বেশি। তাই এর অণুর গঠনে প্রতিটি পরমাণু শেয়ারকৃত বন্ধন ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে চায়। কিন্তু কার্বন পরমাণু চারদিকে চারটি পরমাণু দ্বারা সুষমভাবে পরিবেষ্ঠিত থাকে। ফলে কেন্দ্রিয় কার্বন পরমাণুর চারদিকের ক্লোরিন পরমাণুর আকর্ষণের লব্ধি শূন্য হয়। তাই এতে কোনো আংশিক ধনাত্মক বা আংশিক ঋণাত্মক প্রান্তের সৃষ্টি হয় না। ফলে অণু সামগ্রিকভাবে অপোলার হয়। ফলে এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
তাই বলা যায় পানিতে অদ্রবণীয় হলেও পানিতে দ্রবণীয়।