উদ্দীপকে B ও P এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তুলনা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়ায়- [গণিত] সুতরাং P হলো কপার [গণিত] ধাতু এবং B যৌগটি [গণিত] (গ থেকে)। নিচে এদের বিদ্যুৎ পরিবাহিতার তুলনা করা হলো- [গণিত] ও Cu এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতার তুলনা: [গণিত] আয়নিক যৌগ হওয়ায় কঠিন অবস্থায় এর ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নসমূহ কেলাস ল্যাটিসে নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে বলে এরা বিদ্যুৎ অপরিবাহী। কিন্তু জলীয় দ্রবণ বা দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নসমূহ কেলাস ল্যাটিস থেকে মুক্ত হয়ে ইতঃস্তত পরিভ্রমণ করে। [গণিত] এর দ্রবণে দুটি ইলেকট্রোড প্রবেশ করালে ঋণাত্মক আয়ন ( [গণিত] ) অ্যানোডের দিকে এবং ধনাত্মক আয়ন ( [গণিত] ) ক্যাথোডের দিকে আকৃষ্ট হয়। [চিত্র] [গণিত] ক্যাথোডে পৌঁছার পর তা থেকে 2টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে চার্জ নিরপেক্ষ ধাতুতে পরিণত হয়। বিজারণ প্রক্রিয়া: [গণিত] অপরদিকে, [গণিত] অ্যানোডে পৌঁছে 1টি ইলেকট্রন দান করে প্রথমে চার্জ নিরপেক্ষ হয় ও পরে নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে [গণিত] গ্যাসে পরিণত হয়। জারণ প্রক্রিয়া: [গণিত] এভাবে [গণিত] যৌগটির মধ্যে অ্যানোডে জারণ এবং ক্যাথোডে বিজারণ ঘটে এবং বিদ্যুৎ পরিবহন ঘটে। অপরদিকে, Cu একটি ধাতু। এ কারণে এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী। Cu ধাতব খণ্ডে মুক্তভাবে সঞ্চারণশীল ইলেকট্রনগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনের কাজ করে। একটি Cu খণ্ডের দুই প্রান্তের সাথে ব্যাটারির ধনাত্মক (+) ও ঋণাত্মক (-) প্রান্ত সংযুক্ত করলে ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে [গণিত] যৌগে তথা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে ও নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়; এক্ষেত্রে যৌগ দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে। কিন্তু Cu ধাতুতে ইলেকট্রন পরিবহনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে পরিবাহীতে (Cu ধাতু) সঞ্চারণশীল ইলেকট্রন বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
SSC রসায়ন অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · রসায়ন · অধ্যায়-৫ : রাসায়নিক বন্ধন · সৃজনশীল
উদ্দীপকে B ও P এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তুলনা করো।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
∴ A গ্যাসটি । যৌগটি অম্লীয়। নিচে উত্তরের পক্ষে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-
যে সকল পদার্থ ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে বা পানির সাথে বিক্রিয়া করে অম্ল তৈরি করে তাদেরকে অল্লীয় পদার্থ বলে । পানির সাথে বিক্রিয়ায় এসিড এবং ক্ষারের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। সুতরাং অল্লীয়।

উত্তর
ক্যাথোডে পৌঁছার পর তা থেকে 2টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে চার্জ নিরপেক্ষ ধাতুতে পরিণত হয়।
বিজারণ প্রক্রিয়া:
অপরদিকে, অ্যানোডে পৌঁছে 1টি ইলেকট্রন দান করে প্রথমে চার্জ নিরপেক্ষ হয় ও পরে নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে গ্যাসে পরিণত হয়।
জারণ প্রক্রিয়া:
এভাবে যৌগটির মধ্যে অ্যানোডে জারণ এবং ক্যাথোডে বিজারণ ঘটে এবং বিদ্যুৎ পরিবহন ঘটে।
অপরদিকে, Cu একটি ধাতু। এ কারণে এটি বিদ্যুৎ পরিবাহী। Cu ধাতব খণ্ডে মুক্তভাবে সঞ্চারণশীল ইলেকট্রনগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনের কাজ করে। একটি Cu খণ্ডের দুই প্রান্তের সাথে ব্যাটারির ধনাত্মক (+) ও ঋণাত্মক (-) প্রান্ত সংযুক্ত করলে ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ধনাত্মক প্রান্তের দিকে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ ধনাত্মক প্রান্ত থেকে ঋণাত্মক প্রান্তের দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যৌগে তথা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে ও নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়; এক্ষেত্রে যৌগ দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে। কিন্তু Cu ধাতুতে ইলেকট্রন পরিবহনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে পরিবাহীতে (Cu ধাতু) সঞ্চারণশীল ইলেকট্রন বিদ্যুৎ পরিবহন করে।