শেয়ারFacebookWhatsApp

মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

উত্তর: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প ভূমিকা: বর্তমান সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে বিষবাষ্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছে নেশার উপকরণ। নেশা সর্বনাশা জেনেও মানুষ এর প্রতি আসক্ত হয়। এর নীল দংশনে দংশিত হচ্ছে কোটি কোটি মানুষ। ড্রাগ বা মাদকাসক্তি অতি আধুনিক সভ্যতার ক্ষেত্রে এক নতুন অভিশাপ। নিজের প্রকৃতিকে বাইরের মাদক দ্বারা অপ্রকৃতিস্থ করার প্রবণতা চিরকালই মানুষের মধ্যে ছিল। কিন্তু যেহেতু মানুষ প্রকৃতির দাস নয়, এই আসক্তির বিপরীত সংস্কারও মানুষের মধ্যে আছে। তাই মানুষ অতীতে মাদকদ্রব্যে আসক্ত হয়েও বহু ক্ষেত্রে আবার তা পরিত্যাগ করে স্বাভাবিক হতে পেরেছে। আজও আমাদের এদিক থেকে সচেতন হতে হবে, ড্রাগের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে এদেশের তরুণ সমাজকে। মাদকদ্রব্যসমূহ: মাদকের নেশা খুব দ্রুত মানুষকে আসক্ত করে, আর এই আসক্তির আকর্ষণশক্তি এত তীব্র যে, একবার যাকে স্পর্শ করে তার পক্ষে আবার পূর্বের সহজ জীবনে ফিরে আসা দুষ্কর। নারকোটিক ড্রাগ একজাতীয় মাদকদ্রব্য। হেরোইন, ব্রাউন সুগার, এল-এস-ডি, স্ম্যাক ইত্যাদি নানা রকম এর নাম। মানুষের নেশার জন্য রয়েছে আরও অনেক ড্রাগ। যেমন: গাঁজা, আফিম, চরস, ভাং, পেথিডিন, মরফিন, হাসিস, কোকেন ইত্যাদি। এ ছাড়াও রয়েছে নানা রকম ঘুমের ট্যাবলেট। অধুনা আকাঁড়া কোকেনের সঙ্গে তামাক মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নতুন ধরনের মাদকদ্রব্য। এ নতুন ড্রাগ 'বাজুকো' নামে ইউরোপের বাজারগুলোতে এখন বেশ জমজমাট। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট, গোল্ডেন ওয়েজ হেরোইনের মূল উৎস আফিম। আর আফিম পাওয়া যায় পপি উৎপাদনের মাধ্যমে। সর্বনাশা নেশার উৎসভূমি: মাদকের উৎস বিদেশের নানান দেশে। আমেরিকা মহাদেশের কলম্বিয়া, বলিভিয়া, লাতিন আমেরিকায় নারকোটিক ড্রাগ তৈরির বিশাল বিশাল চক্র আছে। আমাজানের অববাহিকার গভীর জঙ্গলে 'ল্যান্ড অব ট্যাঙ্ককোয়েলিটি' নামক অঞ্চলে নারকোটিক ড্রাগ শিল্পের বেআইনি শহরটির কথা প্রসংগত স্মরণ করা যায়। এশিয়ার তিনটি এলাকায় প্রধানত পপি উৎপাদিত হয়। এলাকা তিনটি হলো- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ওয়েজ। বিভিন্ন ধরনের ড্রাগের কবলে বাংলাদেশ: ড্রাগের উৎপাদন বাড়ছে দ্রুতগতিতে। এবার তো বাজার দরকার। এই বাজারের অন্যতম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে। স্বাধীনতার কয়েক বছর পর থেকে বাংলাদেশে এই নেশা ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করেছিল। গাঁজা, চরস, হাসিস, হেরোইন, কোকেন, হেম্প, ব্রাউন সুগার, ওপিয়াম ডেরিভেটিস ইত্যাদি মাদকদ্রব্যে ছেয়ে গেছে দেশ। ১/১৬ গ্রাম হেরোইন বা ব্রাউন সুগার দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে সেই ব্যক্তি আর এ নেশা থেকে নিজেকে সহজে মুক্ত করতে পারে না। কৌতূহলের বশবর্তী হয়েও যারা এ নেশার কবলে একবার প্রবেশ করেছে, তারা হয়েছে নরকের কারাগারে বন্দি। মাদকাসক্তির কারণ: বেকারত্ব, হতাশা, বন্ধুবান্ধবের প্ররোচনায় কৌতূহল মেটাতেও মানুষ দু-একবার মাদক সেবন করতে গিয়ে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি সেই আসক্তি থেকে। কোথাও কোনো মানসিক আঘাত পেলে সাময়িকভাবে ভুলে থাকার জন্যও মানুষ মাদক সেবন করে, কিন্তু পরে তা নেশায় পরিণত হয়। তাছাড়া চিরন্তন নতুনত্বের নেশা, নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের দুর্নিবার আকর্ষণ এবং সাময়িক ভালো লাগার বশবর্তী হয়েও অনেকে আসক্ত হয়। দেশের বিশেষ সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থায় কেউ কেউ নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পেরে হতাশায় ভোগে এবং তা থেকে আসক্ত হতে শুরু করে। মাদকাসক্ত লোকসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ীরাও দূর থেকে কাজ করে। মাদকাসক্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ ও পরিণতি: মাদকাসক্ত হওয়ার পরিণতি খুবই ভয়াবহ। ড্রাগে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের আচার-আচরণের মধ্যে একটা খাপছাড়া ভাব পরিলক্ষিত হয়। চেহারাও হয়ে যায় রুক্ষ। ক্ষুধা না পাওয়া এবং দ্রুত ওজন হ্রাস এই আসক্তির প্রাথমিক লক্ষণ। দেখা যায়, তারা যখন-তখন নিজের ঘরে ফিরে আসছে। সেই সঙ্গে বইপত্র, খাতা-কলম ও অন্যান্য দ্রব্য হারিয়ে ফেলা, পায়খানা বা বাথরুমে বেশি সময় কাটানো, চোখের তারা ছোটো হয়ে যাওয়া, এমনকি চুরির অভ্যাসও দেখা যায়। এ সময় থেকেই অভিভাবকদের সাবধান হওয়া উচিত। চিকিৎসকদের মতে, এ ভালো লাগা থেকেই ধীরে ধীরে স্নায়ু অসাড় হয়ে যায়, কর্মক্ষমতা লোপ পায় এবং ক্রমে ক্রমে জীবনে মৃত্যুর ঘণ্টাধ্বনি বেজে ওঠে। প্রতিকার: আমাদের তরুণ সমাজই মাদকাসক্তির কবলে আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এটা থেকে তাদেরকে রক্ষা করতে না পারলে জাতির জন্য তা অভিশাপ হয়ে থাকবে। এর ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে বিশ্বজুড়ে তা প্রতিরোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্যের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রয় ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে বিশ্বের সব দেশে আইন তৈরি করা হয়েছে। শুধু মাদকাসক্তির -কুফলের কথা প্রচার করে বা উপদেশ দিয়ে এই ভয়ংকর ব্যাধির প্রতিকার করা যাবে না। এর হাত থেকে রক্ষার জন্য কঠোর আইন যেমন প্রয়োজন, তেমনই পারিবারিক ও সামাজিকভাবে প্রতিকার করা আবশ্যক। উপসংহার: মাদকাসক্তির ভয়াবহ দাবানল আমাদের তরুণ সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের রোগ নিরাময়ের দায়িত্ব সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। প্রধান দায়িত্ব হলো প্রশাসনের। মাদক ব্যাবসায় লিপ্ত ব্যক্তিদের কঠিন শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তবে সাধারণ মানুষ যদি এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে না আসে, যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দেয়, তবে এই কদর্য ব্যাধির অপসারণ সম্ভব নয়। তাই দেশের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকাসক্তির সর্বনাশা অভিশাপ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

SSC বাংলা ২য় পত্র পরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ২য় পত্র · পরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা · সৃজনশীল

মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Dhaka · 2026

উত্তর

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প ভূমিকা: একবিংশ শতাব্দীতে পর্যটন শিল্প একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদানে পরিণত হয়েছে। মানুষ চিরকালই সুন্দরের পূজারি, কৌতূহলী ও বৈচিত্র্যের প্রত্যাশী। অজানাকে জানতে, সুন্দরকে অবলোকন করতে, আবহমানকাল থেকে মানুষ ছুটে চলছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। মানুষের এ অদম্য উৎসাহ থেকেই পর্যটন শিল্পের জন্ম। আধুনিক বিশ্বে পর্যটন একটি বৃহৎ শিল্প হিসেবে বিবেচিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন শিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পর্যটন শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমাদের দেশে পর্যটন শিল্পের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে এই শিল্পের বিকাশে প্রত্যাশিত ও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে না। পর্যটন শিল্প: অজানাকে জানার, অচেনাকে চেনার, অদেখাকে দেখার আকাঙ্ক্ষায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক দেশ থেকে আরেক দেশে ভ্রমণ করাকে পর্যটন বলা হয়। বর্তমানে পর্যটন একটি শিল্প হিসেবে স্বীকৃত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পর্যটন শিল্প আজ নতুন রূপ পরিগ্রহ করেছে। পর্যটন শিল্পের মধ্য দিয়ে এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের যোগসূত্র গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশও আজ পর্যটন শিল্পে অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের আকর্ষণ: প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এ দেশ। অপরিমেয় সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে এ দেশের প্রতিটি আনাচে-কানাচে। প্রাকৃতিক, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, আত্মিক সব সম্পদেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধ। তাই যুগ যুগ ধরে বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশ এক স্বপ্নের দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু এবং প্রাচীন সভ্যতার একটি কেন্দ্র হওয়ার কারণে বহু বছর ধরে অনেক পর্যটকের আগমন ঘটছে এদেশে। বাংলাদেশের সুন্দরবন, সোনারগাঁও, কক্সবাজার, কাপ্তাই, কুয়াকাটা, রাঙামাটি, ময়নামতি, পাহাড়পুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সাজেক ভেলি প্রভৃতি স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে বিভিন্ন আদিবাসী। যেমন-চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, গারো, মণিপুরি, খাসিয়া প্রভৃতি। তাদের পোশাক, জীবনযাত্রা ও বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি পর্যটকদের এদেশের প্রতি আকর্ষণ করতে অন্যতম ভূমিকা পালন করে। এগুলো ছাড়াও বাংলাদেশের পর্যটন স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ষাটগম্বুজ। মসজিদ, হজরত শাহজালাল (রা)-এর মাজার, কান্তজির মন্দির, ঢাকেশ্বরী মন্দির, হোসেনি দালান, মহাস্থানগড়, সোনা মসজিদ প্রভৃতি। এতসব সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য দেশের মতো পর্যটন বাংলাদেশে এখনো শিল্প হিসেবে পূর্ণ বিকশিত হতে পারেনি। বর্তমান অবস্থা: ২০২৪ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৬,৫৫,০০০ বিদেশি পর্যটক এ দেশে এসেছেন। অথচ ২০২৫ সালে পর্যটক অনেক কমে গেছে। এতে ১ কোটি ৩০ লক্ষ ডলারের বেশি আর্থ কমেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের "Travel and Tourism Development Index 2024"-এ বাংলাদেশ ১১৯টি দেশের মধ্যে ১০৯তম অবস্থানে রয়েছে, যা এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে সর্বনিম্ন স্থানপ্রাপ্ত দেশগুলোর একটি। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য মূল চ্যালেঞ্জসমূহ: ১. রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা ইস্যু: ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থির হয়ে ওঠে। অন্যদিকে সরকার পরিবর্তন, বিরোধী দলের আন্দোলন এবং চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে KNF-এর (Kuki-Chin National Front) বিদ্রোহী তৎপরতা বিদেশি পর্যটকদের ভ্রমণে অনীহা তৈরি করেছে। ২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: ২০২৪ সালে সিলেটে তিন দফা বন্যায় পর্যটন কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হয় পর্যটন খাতে। ৩. 'পরিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটন সীমাবদ্ধতা: পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যার ফলে ব্যাবসা ও জীবিকায় প্রভাব পড়ছে স্থানীয়দের ওপর। ৪. অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও বিনিয়োগ প্রতিবন্ধকতা: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উচ্চ আমদানি শুল্ক (উদাহরণস্বরূপ, হোটেল সরঞ্জাম আমদানিতে ২৫ থেকে ৩০% শুল্ক), উচ্চ সুদের হার (১৪ থেকে ১৫%), এবং দুর্বল পরিবহণ কাঠামো এই খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে (Observer BD, 2024) । ৫. মানবসম্পদের ঘাটতি পর্যটন শিল্পে দক্ষ জনবল সংকট রয়েছে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ব্যবস্থাপনা, ট্র্যাভেল গাইডিং, ও ডিজিটাল বিপণন খাতে প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব রয়েছে (ILO, 2024)। বাংলাদেশে পর্যটকদের সুবিধা: বাংলাদেশ পর্যটন সংস্থার অধীনে কক্সবাজার, রাঙামাটি, কুমিল্লা, কুয়াকাটা, রংপুর, সিলেট প্রভৃতি স্থানে ছোট-বড় অভিজাত শ্রেণির হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্রীড়াকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসসহ নানা ধরনের যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের ব্যবস্থাও আছে। রাঙামাটি ও কাপ্তাইয়ে হাউসবোট ও স্পিডবোটের ব্যবস্থা রয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য পর্যটন সংস্থা ট্যুরিস্ট গাইডের ব্যবস্থা করেছে। পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা :পর্যটনকে বলা হয় 'Invisible Export Goods′Goods^{\prime} বা অদৃশ্য রপ্তানি পণ্য। পর্যটন এমন এক শিল্প যেখানে বিনিয়োগ, চাকরি ও আয়ের কোনো সীমা নেই। বিশেষত বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেকারত্ব যেখানে প্রধান সমস্যা, সেখানে স্বল্প পুঁজিতে পর্যটন শিল্পকে কাজে লাগাতে পারলে তা ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। তবে এজন্য প্রয়োজন জাতির মানসিক গঠন ও সেবাদানের উপযুক্ত দক্ষ জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে সুবিধা যেমন আছে তেমনই আছে বহুবিধ সমস্যা। পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো অনেক উপাদান থাকলেও নানাবিধ সমস্যার আবর্তে আমাদের পর্যটন শিল্প সংকটাপন্ন। ১৯৯২ সালে যে পর্যটন নীতিমালা ঘোষণা করা হয়েছে তারও সুচারু বাস্তবায়ন ঘটেনি। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সমস্যাগুলো হলো: ১. যোগাযোগ ও অবকাঠামো, ২. সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের অভাব, ৩. আকর্ষণীয় প্রচারের অভাব, ৪. দক্ষ গাইডের অভাব, ৫. পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য করণীয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা : ১. জাতীয় পর্যটন মাস্টার প্ল্যান (২০২৩-২০৪১): বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড একটি ১৮ বছরের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছে, যার লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বছরে ৫.৫৭ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাতে দুই কোটির বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করা (Press Xpress, ২০২৪)। ২. এআই ও ডেটা ব্যবস্থাপনা: UNDP ও BTB একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক জাতীয় পর্যটন ড্যাশবোর্ড তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মাধ্যমে পর্যটকদের প্রবাহ, চাহিদা, অবকাঠামোর সক্ষমতা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা যাবে (UNDP Bangladesh, 2024)। ৩. কমিউনিটি-বেজড পর্যটন (CBT): কমিউনিটি পর্যায়ে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে পর্যটন উন্নয়নের মাধ্যমে আয় বণ্টন নিশ্চিত এবং পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব, যা এখন UNDP ও ILO-এর সহায়তায় কিছু অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে (ILO, 2024) | উপসংহার: বাংলাদেশে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া, নৈসর্গিক দৃশ্য সবই পর্যটন শিল্পের অনুকূলে। এখন শুধু প্রয়োজন সুষ্ঠু বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। পাশাপাশি বাংলাদেশের নৈসর্গিক দৃশ্যগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থা করতে হবে। তবেই বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম উৎস হতে পারবে।

উত্তর

সময়ানুবর্তিতা ভূমিকা: কথায় আছে সময় এবং নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। সময় চির প্রবাহমান। মানুষকে সময়ে মূল্য দিতে হয়। কারণ পৃথিবীর 'পথিক' মানুষ সময়ের পথরেখা ধরে অগ্রসর হয়।সময়ের মতো মানবজীবন যদি অন্তহীন হতো, তাহলে মানুষের দুঃখ থাকত না। মানুষ চায় তার সংক্ষিপ্ত জীবনায়তনের মধ্যে বহুতর কর্মের উদ্যাপন। সময় তা মঞ্জুর করে না। কর্ম উদযাপনের আগেই তার বিদায়ের ডাক এসে পড়ে। মানুষের কাছে সময় তাই অমূল্য ধন। সময় চলে যায় নদীর স্রোতের মতো। চিরন্তন প্রবহমানতাই তার মূল বৈশিষ্ট্য। মুহূর্তের জন্যও কোথাও সে স্থির থাকে না, কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবন সময়ের ছন্দে বাঁধা। সময়ের অন্তহীন প্রবাহে মানুষ ছুটে চলেছে জন্ম থেকে মৃত্যুর অভিমুখে। সময়ের গুরুত্ব: সময়ের অস্থির ধাবমানতার জন্যই মানুষের কাছে জীবন মূল্যবান। সময় অনন্ত, কিন্তু জীবন সীমাবদ্ধ। তার এক প্রান্তে জন্ম, অন্য প্রান্তে মৃত্যু। এই জন্ম ও মৃত্যুর শাসনে জীবন সদা সংকুচিত। মানুষ চায় সময়ের অন্তহীনতার মতো অন্তহীন জীবন; কিন্তু পায় না। মানবজীবনের চরম ট্র্যাজেডি এখানেই। জীবন যা শুধু ঘণ্টা আর মিনিটের সমাহার মাত্র। জীবনের এই সীমাবদ্ধতার জন্যই সময় এত মূল্যবান। জীবন থেকে যে সময় একবার চলে যায় তা আর ফিরে পাওয়া যায় না। তাই সময়ানুবর্তিতার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকা একান্ত জরুরি। সময়ের অবহেলার পরিণাম: সময়ের যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমেই জীবন সার্থক এবং সুখময় হয়ে ওঠে। কাজেই জীবনের সংক্ষিপ্ত সীমায়তনের মধ্যে সময়কে অবহেলা করে সময়ের অপচয় করা উচিত নয় কারণ সময়ের অপচয়ের পরিণাম আমাদের জীবনে একদিন মর্মান্তিক দুঃখ আর অনুশোচনা নিয়ে আসবে। তখন বুকফাটা আর্তনাদ কিংবা এক সমুদ্র অশ্রুবর্ষণে কিংবা অনুতাপে দগ্ধ হলেও সেই আলস্যে অতিবাহিত সময় আর ফিরে পাওয়া যাবে না। সময়ের মূল্যবোধের অর্থ: প্রকৃতপক্ষে সময়ের যথার্থ মূল্যবোধই জীবনের সাফল্য অর্জনের সোপান। সময়ের মূল্যবোধ হলো, যে সময়ের যে কাজ, তা সেই সময়ে সম্পাদন করা। যে তা করে না, সে করে সময়ের অমর্যাদা এবং পরাজয়ই হয় তার জীবনের চরম পরিণতি। যে কৃষক ফসলের ঋতুতে ফসলের বীজ বপন না করে আলস্যে সময়। অতিবাহিত করে, সে কীভাবে ফসল ওঠার সময় খামার পূর্ণ ফসল আশা করতে পারে? সময় চলে গেলে তখন আর কান্নাকাটি করেও লাভ হয় না। মানবজীবনেও সেই একই কথা। আলস্যে অযথা সময় নষ্ট করে জীবন কাটালে শেষ বয়সে অবশ্যই দুঃখ ভোগ করতে হয়। সময়ের সদ্ব্যবহার: শৈশবই কর্মজীবনে প্রবেশের তোরণ দ্বার। এই সময়ই জীবনের প্রস্তুতির কাল। ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সব দায়িত্বভার বহনের যোগ্যতা এই সময়েই অর্জন করতে হয়। শৈশবকালের প্রতিটি ইহূর্তকে যথাযথভাবে ব্যবহার করলে এবং অমূল্য সময়ের অপচয় না করে তার প্রতিটি দুর্লভ মুহূর্তকে জীবনক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে পরবর্তীকালে সুখ ও শান্তি দুই-ই পাওয়া যাবে। শৈশবেই আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে,সময় অমূল্য সম্পদ। উপসংহার: সময়ের অপচয় মানে জীবনে দুঃখ বয়ে আনা। যারা সময় নষ্ট করে তারা জীবনে উন্নতি করতে পারে না। সময়ের যথার্থ মূল্যবোধই ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনের সাফল্যের সোপান। যেহেতু সময় জীবনের সমস্ত সাফল্য ও সুখের উৎস, তাই প্রত্যেককে সময়ের মূল্য সম্বন্ধে সচেতন হওয়া এবং তার সদ্ব্যবহার করা উচিত। তবেই জাতি পাবে গতি, দেশ হবে সমৃদ্ধ, জীবন হবে আনন্দময়।

উত্তর

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প ভূমিকা: বর্তমান সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে বিষবাষ্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছে নেশার উপকরণ। নেশা সর্বনাশা জেনেও মানুষ এর প্রতি আসক্ত হয়। এর নীল দংশনে দংশিত হচ্ছে কোটি কোটি মানুষ। ড্রাগ বা মাদকাসক্তি অতি আধুনিক সভ্যতার ক্ষেত্রে এক নতুন অভিশাপ। নিজের প্রকৃতিকে বাইরের মাদক দ্বারা অপ্রকৃতিস্থ করার প্রবণতা চিরকালই মানুষের মধ্যে ছিল। কিন্তু যেহেতু মানুষ প্রকৃতির দাস নয়, এই আসক্তির বিপরীত সংস্কারও মানুষের মধ্যে আছে। তাই মানুষ অতীতে মাদকদ্রব্যে আসক্ত হয়েও বহু ক্ষেত্রে আবার তা পরিত্যাগ করে স্বাভাবিক হতে পেরেছে। আজও আমাদের এদিক থেকে সচেতন হতে হবে, ড্রাগের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে এদেশের তরুণ সমাজকে। মাদকদ্রব্যসমূহ: মাদকের নেশা খুব দ্রুত মানুষকে আসক্ত করে, আর এই আসক্তির আকর্ষণশক্তি এত তীব্র যে, একবার যাকে স্পর্শ করে তার পক্ষে আবার পূর্বের সহজ জীবনে ফিরে আসা দুষ্কর। নারকোটিক ড্রাগ একজাতীয় মাদকদ্রব্য। হেরোইন, ব্রাউন সুগার, এল-এস-ডি, স্ম্যাক ইত্যাদি নানা রকম এর নাম। মানুষের নেশার জন্য রয়েছে আরও অনেক ড্রাগ। যেমন: গাঁজা, আফিম, চরস, ভাং, পেথিডিন, মরফিন, হাসিস, কোকেন ইত্যাদি। এ ছাড়াও রয়েছে নানা রকম ঘুমের ট্যাবলেট। অধুনা আকাঁড়া কোকেনের সঙ্গে তামাক মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নতুন ধরনের মাদকদ্রব্য। এ নতুন ড্রাগ 'বাজুকো' নামে ইউরোপের বাজারগুলোতে এখন বেশ জমজমাট। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট, গোল্ডেন ওয়েজ হেরোইনের মূল উৎস আফিম। আর আফিম পাওয়া যায় পপি উৎপাদনের মাধ্যমে। সর্বনাশা নেশার উৎসভূমি: মাদকের উৎস বিদেশের নানান দেশে। আমেরিকা মহাদেশের কলম্বিয়া, বলিভিয়া, লাতিন আমেরিকায় নারকোটিক ড্রাগ তৈরির বিশাল বিশাল চক্র আছে। আমাজানের অববাহিকার গভীর জঙ্গলে 'ল্যান্ড অব ট্যাঙ্ককোয়েলিটি' নামক অঞ্চলে নারকোটিক ড্রাগ শিল্পের বেআইনি শহরটির কথা প্রসংগত স্মরণ করা যায়। এশিয়ার তিনটি এলাকায় প্রধানত পপি উৎপাদিত হয়। এলাকা তিনটি হলো- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ওয়েজ। বিভিন্ন ধরনের ড্রাগের কবলে বাংলাদেশ: ড্রাগের উৎপাদন বাড়ছে দ্রুতগতিতে। এবার তো বাজার দরকার। এই বাজারের অন্যতম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে। স্বাধীনতার কয়েক বছর পর থেকে বাংলাদেশে এই নেশা ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করেছিল। গাঁজা, চরস, হাসিস, হেরোইন, কোকেন, হেম্প, ব্রাউন সুগার, ওপিয়াম ডেরিভেটিস ইত্যাদি মাদকদ্রব্যে ছেয়ে গেছে দেশ। ১/১৬ গ্রাম হেরোইন বা ব্রাউন সুগার দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলে সেই ব্যক্তি আর এ নেশা থেকে নিজেকে সহজে মুক্ত করতে পারে না। কৌতূহলের বশবর্তী হয়েও যারা এ নেশার কবলে একবার প্রবেশ করেছে, তারা হয়েছে নরকের কারাগারে বন্দি। মাদকাসক্তির কারণ: বেকারত্ব, হতাশা, বন্ধুবান্ধবের প্ররোচনায় কৌতূহল মেটাতেও মানুষ দু-একবার মাদক সেবন করতে গিয়ে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি সেই আসক্তি থেকে। কোথাও কোনো মানসিক আঘাত পেলে সাময়িকভাবে ভুলে থাকার জন্যও মানুষ মাদক সেবন করে, কিন্তু পরে তা নেশায় পরিণত হয়। তাছাড়া চিরন্তন নতুনত্বের নেশা, নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের দুর্নিবার আকর্ষণ এবং সাময়িক ভালো লাগার বশবর্তী হয়েও অনেকে আসক্ত হয়। দেশের বিশেষ সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থায় কেউ কেউ নিজের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পেরে হতাশায় ভোগে এবং তা থেকে আসক্ত হতে শুরু করে। মাদকাসক্ত লোকসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ীরাও দূর থেকে কাজ করে। মাদকাসক্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ ও পরিণতি: মাদকাসক্ত হওয়ার পরিণতি খুবই ভয়াবহ। ড্রাগে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের আচার-আচরণের মধ্যে একটা খাপছাড়া ভাব পরিলক্ষিত হয়। চেহারাও হয়ে যায় রুক্ষ। ক্ষুধা না পাওয়া এবং দ্রুত ওজন হ্রাস এই আসক্তির প্রাথমিক লক্ষণ। দেখা যায়, তারা যখন-তখন নিজের ঘরে ফিরে আসছে। সেই সঙ্গে বইপত্র, খাতা-কলম ও অন্যান্য দ্রব্য হারিয়ে ফেলা, পায়খানা বা বাথরুমে বেশি সময় কাটানো, চোখের তারা ছোটো হয়ে যাওয়া, এমনকি চুরির অভ্যাসও দেখা যায়। এ সময় থেকেই অভিভাবকদের সাবধান হওয়া উচিত। চিকিৎসকদের মতে, এ ভালো লাগা থেকেই ধীরে ধীরে স্নায়ু অসাড় হয়ে যায়, কর্মক্ষমতা লোপ পায় এবং ক্রমে ক্রমে জীবনে মৃত্যুর ঘণ্টাধ্বনি বেজে ওঠে। প্রতিকার: আমাদের তরুণ সমাজই মাদকাসক্তির কবলে আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এটা থেকে তাদেরকে রক্ষা করতে না পারলে জাতির জন্য তা অভিশাপ হয়ে থাকবে। এর ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে বিশ্বজুড়ে তা প্রতিরোধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্যের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রয় ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে বিশ্বের সব দেশে আইন তৈরি করা হয়েছে। শুধু মাদকাসক্তির -কুফলের কথা প্রচার করে বা উপদেশ দিয়ে এই ভয়ংকর ব্যাধির প্রতিকার করা যাবে না। এর হাত থেকে রক্ষার জন্য কঠোর আইন যেমন প্রয়োজন, তেমনই পারিবারিক ও সামাজিকভাবে প্রতিকার করা আবশ্যক। উপসংহার: মাদকাসক্তির ভয়াবহ দাবানল আমাদের তরুণ সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের রোগ নিরাময়ের দায়িত্ব সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। প্রধান দায়িত্ব হলো প্রশাসনের। মাদক ব্যাবসায় লিপ্ত ব্যক্তিদের কঠিন শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তবে সাধারণ মানুষ যদি এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে না আসে, যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দেয়, তবে এই কদর্য ব্যাধির অপসারণ সম্ভব নয়। তাই দেশের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকাসক্তির সর্বনাশা অভিশাপ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
SSCবাংলা ২য় পত্রপরিচ্ছেদ ৪৯ : প্রবন্ধ রচনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) জগদীশচন্দ্র বসু; (খ) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (গ) স্বদেশপ্রেম।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) জগদীশচন্দ্র বসু; (খ) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (গ) স্বদেশপ্রেম।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষি উদ্যোক্তা; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষি উদ্যোক্তা; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ; (খ) একটি ঝড়ের রাত; (গ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ; (খ) একটি ঝড়ের রাত; (গ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) বাংলাদেশের উৎসব; (খ) লঞ্চ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা; (গ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) বাংলাদেশের উৎসব; (খ) লঞ্চ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা; (গ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) একটি ঝড়ের রাত।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) একটি ঝড়ের রাত।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) স্বদেশপ্রেম; (খ) মাদকাসক্তি ও তার প্রতিকার; (গ) বিজ্ঞান ও আধুনিক জীবন।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) স্বদেশপ্রেম; (খ) মাদকাসক্তি ও তার প্রতিকার; (গ) বিজ্ঞান ও আধুনিক জীবন।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প; (গ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প; (গ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প।

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতিকার; (গ) বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Barisal · 2019

ক
জাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকা
গ
মানবকল্যাণে বিজ্ঞান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.বৃক্ষরোপণ অভিযান

বৃক্ষরোপণ অভিযান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকা

জাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো:

Jessore · 2019

ক
স্বদেশপ্রেম
খ
মানবকল্যাণে বিজ্ঞান
গ
পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) জগদীশচন্দ্র বসু; (খ) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষি উদ্যোক্তা; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্রতযেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ; (খ) একটি ঝযেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) বাংলাদেশের উৎসব; (খ) লঞ্চ ভ্রমণের অভিজ্যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) স্বদেশপ্রেম; (খ) মাদকাসক্তি ও তার প্রতিযেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো : (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) বাংলাদেশের পর্যটনযেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করো: (ক) কৃষিকাজে বিজ্ঞান; (খ) মাদকাসক্তি ও এর প্মানবকল্যাণে বিজ্ঞানবৃক্ষরোপণ অভিযানজাতি গঠনে নারীসমাজের ভূমিকাপরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।