সুবর্ণার প্রত্যক্ষ করা ভৌগোলিক বিষয়টির কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: সুবর্ণার প্রত্যক্ষ করা ডিসেম্বর ও জুন মাসের দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের এই হ্রাস-বৃদ্ধির মূল কারণ হলো পৃথিবীর বার্ষিক গতি এবং মেরুরেখার হেলানো অবস্থান। পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ঘুরতে ঘুরতে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে, যা বার্ষিক গতি। এই পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরুরেখা সর্বদা ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে। ফলে মেরুদ্বয় পর্যায়ক্রমে সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে বা দূরে সরে যায়, যা মূলত দিন-রাতের পার্থক্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে সুবর্ণা ডিসেম্বর মাসে দ্রুত সন্ধ্যা হতে এবং জুন মাসে দেরিতে সন্ধ্যা হতে দেখে। এর কারণ হলো, ২২শে ডিসেম্বরের দিকে উত্তর গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে হেলে থাকে। তখন সেখানে সূর্যরশ্মি অত্যন্ত তির্যকভাবে পড়ে বলে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়। তাই সুবর্ণার ডিসেম্বর মাসে তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হতে দেখাটা ভৌগোলিক নিয়মেরই অংশ। অন্যদিকে, ২১শে জুনের দিকে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে। তখন সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় দিন সবচেয়ে বড় হয়। বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় জুন মাসে সুবর্ণা বিকেলে বেশি সময় পায়। সুতরাং, পৃথিবীর হেলানো অক্ষ ও বার্ষিক গতির ফলেই সুবর্ণা দুই ভিন্ন মাসে সন্ধ্যার সময়ের এই তারতম্য প্রত্যক্ষ করেছে।
SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-৩ : সৌরজগৎ ও ভূমন্ডল CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-৩ : সৌরজগৎ ও ভূমন্ডল · সৃজনশীল
সুবর্ণার প্রত্যক্ষ করা ভৌগোলিক বিষয়টির কারণ বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
ডিসেম্বর মাসে সুবর্ণা বিকাল ৫ টায় স্কুল থেকে বাড়ি ফিরেই দেখে সন্ধ্যা হয়েছে, অথচ জুন মাসে বিকাল ৫ টায় স্কুল থেকে ফিরে সন্ধ্যার আগে অনেকক্ষণ সময় খেলতে পারত।Sylhet · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর