শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্শ্ববর্তী দেশটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জনে কতটুকু ভূমিকা রেখেছিল? তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্শ্ববর্তী দেশটি হলো ভারত। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীনতা অর্জনে ভারত অসামান্য অবদান রেখেছিল। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতাকে বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করতে সহায়তা করে ভারত। লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, অস্ত্র সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে। উদ্দীপকে পাশ্ববর্তী দেশ বলতে ভারতের সরকার ও জনগণের সহযোগিতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত সুস্পষ্ট সমর্থন জানায়। দীর্ঘ নয় মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নারকীয় গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। ভারতীয় প্রচার মাধ্যম ও সংবাদ এটি বিশ্ববাসীর নিকট উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীকে রুখে দাঁড়ালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এসময় ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে সাহায্য করে। এপ্রিলের শেষ দিকে ত্রিপুরাসহ ভারতের মাটিতে বাঙালি তরুণ-যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়, যা নভেম্বর পর্যন্ত চালু ছিল। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম অত্যাচার থেকে বাঁচতে গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি বাঙালি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। এসব বাঙালি শরণার্থীকে সাহায্যের জন্য ভারত সরকার তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। পাশাপাশি কলকাতায় অবস্থান করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। আবার, মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় বাহিনী মিলিত হয়ে যৌথকমান্ড গঠন করে। এই যৌথবাহিনীর তীব্র আক্রমণের ফলে কোণঠাসা হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের দেশ অর্থাৎ ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল যা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্শ্ববর্তী দেশটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা…

উদ্দীপক

মুক্তিযুদ্ধের সময় ডা: আরমান একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রথমদিকে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের গোপনে চিকিৎসা দিতেন। পরবর্তীতে তিনি তার শিক্ষক ভাইকেসহ পার্শ্ববর্তী দেশে যান। সেখানে শিবিরে বাংলাদেশের শরণার্থীদের ওই দেশের চিকিৎসকের সাথে চিকিৎসা দেন। তবে তার ভাই ওখানে গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে পাকিস্তানিদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেন।

Jessore · 2024

উত্তর

১৫ই আগস্টে হত্যাকারীদের বিচারের হাত থেকে রেহাই দেওয়ার জন্য ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর খন্দকার মোশতাক সংবিধান বিরোধী যে অর্ডিন্যান্স জারি করেছিল, তা-ই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স।

উত্তর

শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচির প্রয়োজন হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ যখন ব্যস্ত তখন ১৯৭৩-৭৪ সালের বন্যার ফলে চরম খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়। দেশের অভ্যন্তরে মজুদদার, দুর্নীতিবাজ এবং ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তৎপর হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু সরকার জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শোষণহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে দেশের নতুন আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেয় যা 'দ্বিতীয় বিপ্লব' নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পেশাজীবী শ্রেণির মানুষের ভূমিকা ফুটে উঠেছে। সাধারণ অর্থে যারা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত তারাই হলেন পেশাজীবী। পেশাজীবীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদের ভূমিকা ছিল অনন্য ও গৌরবদীপ্ত। পেশাজীবীদের বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পেশাজীবীরা মুজিবনগর সরকারের অধীনে পরিকল্পনা সেল গঠন করে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সরবরাহ, সাহায্যের আবেদন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বক্তব্য প্রদান, শরণার্থীদের উৎসাহ প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পেশাজীবীদের মধ্যে অনেকে মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় ডা. আরমান একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রথমদিকে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের গোপনে চিকিৎসা দিতেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর শিক্ষক ভাইকেসহ পার্শ্ববর্তী দেশে যান। সেখানে শিবিরে বাংলাদেশের শরণার্থীদের ঐ দেশের চিকিৎসকের সাথে চিকিৎসা দেন। তবে তাঁর ভাই ওখানে গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে পাকিস্তানিদের বিপক্ষে যুদ্ধ করেন। এখানে ডা. আরমান এবং তার শিক্ষক ভাই যেহেতু পেশায় নিয়োজিত ছিল সুতরাং তারা পেশাজীবী ছিলেন। অর্থাৎ ডাঃ আরমান ও তার ভাই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পেশাজীবী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত পার্শ্ববর্তী দেশটি হলো ভারত। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীনতা অর্জনে ভারত অসামান্য অবদান রেখেছিল। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি সমর্থন জানায় প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতাকে বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করতে সহায়তা করে ভারত। লাখ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয়, মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, অস্ত্র সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে। উদ্দীপকে পাশ্ববর্তী দেশ বলতে ভারতের সরকার ও জনগণের সহযোগিতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারত সুস্পষ্ট সমর্থন জানায়। দীর্ঘ নয় মাসে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নারকীয় গণহত্যা, লুণ্ঠন ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। ভারতীয় প্রচার মাধ্যম ও সংবাদ এটি বিশ্ববাসীর নিকট উপস্থাপন করে। বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীকে রুখে দাঁড়ালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। এসময় ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করে সাহায্য করে। এপ্রিলের শেষ দিকে ত্রিপুরাসহ ভারতের মাটিতে বাঙালি তরুণ-যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়, যা নভেম্বর পর্যন্ত চালু ছিল। এছাড়া পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্মম অত্যাচার থেকে বাঁচতে গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে প্রায় ১ কোটি বাঙালি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। এসব বাঙালি শরণার্থীকে সাহায্যের জন্য ভারত সরকার তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। পাশাপাশি কলকাতায় অবস্থান করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপনে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। আবার, মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় বাহিনী মিলিত হয়ে যৌথকমান্ড গঠন করে। এই যৌথবাহিনীর তীব্র আক্রমণের ফলে কোণঠাসা হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। অতএব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের দেশ অর্থাৎ ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল যা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?

মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।