শেয়ারFacebookWhatsApp

তথ্য কনিকা-১ এ উল্লিখিত দলিলটি প্রণয়নের পটভূমি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: তথ্যকণিকা-১ উল্লিখিত দলিলটি দ্বারা বাংলাদেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে। সংবিধান হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। সংবিধানের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য, আদর্শ ও লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়। ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে তা কার্যকর হয়। গণপরিষদে সংবিধানের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, "এই সংবিধান শহিদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।" উদ্দীপকের তথ্যকণিকা-১ এ বলা হয়েছে, এটি একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। যা ৩৪ জন ব্যক্তির ১০ মাসের নিরলস প্রচেষ্টার ফসল। এরূপ বর্ণনায় ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই সংবিধান প্রণয়ন করে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ' নামে একটি আদেশ জারি করেন। এ আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য হবেন। সংবিধান প্রণয়ন করাই হবে গণপরিষদের মূল লক্ষ্য। ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়। এই কমিটির ১০ মাসের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সংবিধান আত্মপ্রকাশ করে।

SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় · অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা · সৃজনশীল

তথ্য কনিকা-১ এ উল্লিখিত দলিলটি প্রণয়নের পটভূমি ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

তথ্য কনিকা-১: এটি একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল, যা ৩৪ জন ব্যক্তির ১০ মাসের নিরলস প্রচেষ্টার ফসল। তথ্য কনিকা-২ : মিছিলে খালি গায়ে এক যুবক যার পিঠে লেখা 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং বুকে লেখা 'স্বৈরাচার নিপাত যাক'।

Mymensingh · 2023

উত্তর

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি সামরিক অফিসার ও সৈনদের নিয়ে গঠিত নিয়মিত বাহিনীকে মুক্তিফৌজ বলে।

উত্তর

স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে উপদেশ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য মোট ৬ সদস্য নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়। মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রমে কার্যকর পরামর্শ দেওয়ার জন্য উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এই উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী (ভাসানী ন্যাপ), অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ (মোজাফফর ন্যাপ), কমরেড মণি সিং (কমিউনিস্ট পার্টি), শ্রী মনোরঞ্জন ধর (জাতীয় কংগ্রেস), তাজউদ্দীন আহমদ (প্রধানমন্ত্রী) ও খন্দকার মোশতাক আহমেদ (পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী)। তাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতাসম্পন্ন পরামর্শ মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তর

তথ্যকণিকা-১ উল্লিখিত দলিলটি দ্বারা বাংলাদেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে। সংবিধান হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। সংবিধানের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য, আদর্শ ও লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়। ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে তা কার্যকর হয়। গণপরিষদে সংবিধানের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, "এই সংবিধান শহিদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।" উদ্দীপকের তথ্যকণিকা-১ এ বলা হয়েছে, এটি একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। যা ৩৪ জন ব্যক্তির ১০ মাসের নিরলস প্রচেষ্টার ফসল। এরূপ বর্ণনায় ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এই সংবিধান প্রণয়ন করে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ' নামে একটি আদেশ জারি করেন। এ আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য হবেন। সংবিধান প্রণয়ন করাই হবে গণপরিষদের মূল লক্ষ্য। ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়। এই কমিটির ১০ মাসের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সংবিধান আত্মপ্রকাশ করে।

উত্তর

তথ্যকণিকা-২ এ ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের চিত্র ফুটে উঠেছে। এ ঘটনাটি গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রার একমাত্র নিয়ামক ছিল না। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত ছিল। ১৯৯০ সালে ৬ই ডিসেম্বর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ২৭শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা শুরু হয়। উদ্দীপকের তথ্যকণিকা-২ এ মিছিলে খালি গায়ে এক যুবক ছিল যার পিঠে লেকা গণতন্ত্র মুক্তিপাক, এবং বুকে লেখা স্বৈরাচার নিষ্পাত যাক। এ ঘটনাটি ছিল ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন যা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রার ভূমিকা রাখে। তবে এ ঘটনাটি ছাড়াও আরো অনেক ঘটনা গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রায় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করে। তিনি তার দীর্ঘ নয় বছর শাসনকালে প্রবল গণআন্দোলনের সম্মুখীন হন। এ আন্দোলনে রাজনৈতিক দল ছাড়াও ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিক, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করে। ১৯৮৭সালে এরশাদ সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে এবং শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশে সরকারি সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়, সেখানে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পান। এর বিরুদ্ধে দেশের জনগণ প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯০ সালের ১০ই অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলো সচিবালয় ঘেরাও করতে গেলে সেখানে ৫ জন নিহত হয়। সর্বশেষ ২৭শে নভেম্বর ডা. মিলনের মৃত্যুবরণের মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন চরম রূপ নেয়। ২৯শে নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ একযোগে পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংগঠিত হয় এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান। ফলে এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিল একজন আন্দোলনকারীর স্বৈরাচার বিরোধী স্লোগানের মাধ্যমে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে ঘটনার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ছাড়াও উপযুক্ত আন্দোলনগুলোও ১৯৯০ সালে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
SSCবাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়অধ্যায়-২ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?

মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধ বলার কারণ ব্যাখ্যা কর।'জাতীয় গণহত্যা দিবস' বলতে কী বোঝায়?বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি রাত কালরাত্রি হিসেবে পরিচিত। এ রাতকে কেন কালরাত্রি বলা হমুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকা কী ছিল?মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ কীভাবে ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো।স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে কীভাবে?কাদের নিয়ে যৌথ কমান্ড গড়ে তোলা হয়? এ বাহিনীর সফলতা কী ছিল?কোন কোন পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়? এ সরকার গঠনের লক্ষ্মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘ কেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি?২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত কেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।