প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি চিহ্নিতপূর্বক ইসলামের দৃষ্টিতে এর কুফল ও পরিণতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এর পরিণতি হিসেবে মহান আল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা এ বিশ্বজগতের একমাত্র অধিপতি ও মালিক। তিনি একক ও অদ্বিতীয় সত্তা। তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি অনন্য ও অতুলনীয়। আর এ বিশ্বাসটিকে অস্বীকার করে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করলে কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করলে সেটি হয় শিরক। শিরককারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। জনাব জেড-এর বিশ্বাসে এ জঘন্য অপরাধের চিত্রই ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে জনাব জেড নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবি করার পাশাপাশি হযরত ইসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র এবং মরিয়ম (আ.)-কে আল্লাহর স্ত্রী বলে বিশ্বাস করেন। তার এ দুটি বিশ্বাসই আল্লাহর সাথে অংশীদার করা তথা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শিরক আল্লাহর সাথে চরম জুলুম করার নামান্তর। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন- إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ অর্থাৎ, 'নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।' (সূরা লুকমান: আয়াত-৪) আল্লাহ তায়ালা শিরককারীদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। মহান আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।' (সূরা আন-নিসা: আয়াত-৪৮) প্রকৃতপক্ষে শিরক ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা নিজেই শিরকের অপরাধ ক্ষমা না করার এবং তাদের জন্য জান্নাত হারাম করার ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর এ ঘোষণা মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসকে ভয়াবহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে প্রমাণ করে। আল্লাহ তায়ালা শিরককারীর ভয়াবহ পরিণতির কথা ঘোষণা করে বলেন- 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।' (সূরা আল-মায়িদা : আয়াত-৭২) অতএব, শিরকের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটা থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-১ : আকাইদ ও নৈতিক জীবন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-১ : আকাইদ ও নৈতিক জীবন · সৃজনশীল
প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি চিহ্নিতপূর্বক ইসলামের দৃষ্টিতে…
উদ্দীপক
Comilla · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর