শেয়ারFacebookWhatsApp

প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি চিহ্নিতপূর্বক ইসলামের দৃষ্টিতে এর কুফল ও পরিণতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এর পরিণতি হিসেবে মহান আল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা এ বিশ্বজগতের একমাত্র অধিপতি ও মালিক। তিনি একক ও অদ্বিতীয় সত্তা। তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি অনন্য ও অতুলনীয়। আর এ বিশ্বাসটিকে অস্বীকার করে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করলে কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করলে সেটি হয় শিরক। শিরককারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। জনাব জেড-এর বিশ্বাসে এ জঘন্য অপরাধের চিত্রই ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে জনাব জেড নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবি করার পাশাপাশি হযরত ইসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র এবং মরিয়ম (আ.)-কে আল্লাহর স্ত্রী বলে বিশ্বাস করেন। তার এ দুটি বিশ্বাসই আল্লাহর সাথে অংশীদার করা তথা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শিরক আল্লাহর সাথে চরম জুলুম করার নামান্তর। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন- إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ অর্থাৎ, 'নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।' (সূরা লুকমান: আয়াত-৪) আল্লাহ তায়ালা শিরককারীদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। মহান আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।' (সূরা আন-নিসা: আয়াত-৪৮) প্রকৃতপক্ষে শিরক ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা নিজেই শিরকের অপরাধ ক্ষমা না করার এবং তাদের জন্য জান্নাত হারাম করার ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর এ ঘোষণা মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসকে ভয়াবহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে প্রমাণ করে। আল্লাহ তায়ালা শিরককারীর ভয়াবহ পরিণতির কথা ঘোষণা করে বলেন- 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।' (সূরা আল-মায়িদা : আয়াত-৭২) অতএব, শিরকের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটা থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।

SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-১ : আকাইদ ও নৈতিক জীবন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-১ : আকাইদ ও নৈতিক জীবন · সৃজনশীল

প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি চিহ্নিতপূর্বক ইসলামের দৃষ্টিতে…

উদ্দীপক

প্রেক্ষাপট-১: পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্রে দেখা যায়- অনেক মানুষ মহানবি (স.) কে নিয়ে কাল্পনিক ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে এবং আল-কুরআনে অনেক ভুলভ্রান্তি আছে বলেও মত প্রকাশ করে। প্রেক্ষাপট-২: জনাব জেড নিজেকে একজন মুসলিম হিসেবে দাবি করেন। তিনি এর পাশাপাশি হযরত ঈসা (আ.) কে আল্লাহর পুত্র এবং হযরত মরিয়ম (আঃ)-কে আল্লাহর স্ত্রী বলে বিশ্বাস করেন।

Comilla · 2023

উত্তর

মহান আল্লাহর সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শরিক করা কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলা হয়।

উত্তর

মহানবি (সা.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে আরব সমাজের লোকেরা নবি ও রাসুল এর শিক্ষা ভুলে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। তাদের আচার ব্যবহার ও চালচলন ছিল বর্বর ও মানবতাবিরোধী। তাই সে যুগকে 'আইয়্যামে জাহিলিয়্যা' বা অজ্ঞতার যুগ বলা হয়। সুষ্ঠু ও সুন্দর সামাজিক ব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই ছিল না। মানুষের জান, মাল, ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। নরহত্যা, রাহাজানি, খুন-খারাবি, ডাকাতি, মারামারি, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া, জুয়াখেলা, মদ্যপান, সুদ, ঘুষ, ব্যভিচার ছিল তখনকার প্রচলিত ব্যাপার। তৎকালীন সমাজে নারীর কোনো মর্যাদা ছিল না। এজন্য মহানবি (সা.) এর আগমনের পূর্ব যুগকে আইয়্যামে জাহেলিয়া বলা হয়।

উত্তর

প্রেক্ষাপট-১ এর বিষয়টিতে কুফুরি প্রকাশ পেয়েছে। কুফর শব্দের অর্থ- অস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা, অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ইত্যাদি। আল্লাহ তায়ালার মনোনীত দ্বীন ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো একটির প্রতি অবিশ্বাস করাকেই কুফর বলা হয়। এ ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে- আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব ও গুণাবলিকে অবিশ্বাস বা অস্বীকার করা, ইমানের সাতটি বিষয়কে অস্বীকার করা, ইসলামের মৌলিক ইবাদতকে অস্বীকার করা, হালালকে হারাম বা হারামকে হালাল মনে করা, ইচ্ছাকৃতভাবে কাফিরদের অনুকরণ করা, ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা প্রভৃতি। উদ্দীপকে দেখা যায়, পৃথিবীতে অনেক মানুষ মহানবি (সা.)-কে নিয়ে অনেক কাল্পনিক ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে এবং আল কুরআনে অনেক ভুলভ্রান্তি আছে বলেও মতপ্রকাশ করে। নিঃসন্দেহে এটা কুফুরির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বলা যায়, প্রেক্ষাপট-১-এ নির্দেশিত বিষয়টি হলো কুফর।

উত্তর

প্রেক্ষাপট-২ এ জনাব জেড এর বিশ্বাসটি শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। এর পরিণতি হিসেবে মহান আল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। আল্লাহ তায়ালা এ বিশ্বজগতের একমাত্র অধিপতি ও মালিক। তিনি একক ও অদ্বিতীয় সত্তা। তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি অনন্য ও অতুলনীয়। আর এ বিশ্বাসটিকে অস্বীকার করে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করলে কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করলে সেটি হয় শিরক। শিরককারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। জনাব জেড-এর বিশ্বাসে এ জঘন্য অপরাধের চিত্রই ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে জনাব জেড নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবি করার পাশাপাশি হযরত ইসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র এবং মরিয়ম (আ.)-কে আল্লাহর স্ত্রী বলে বিশ্বাস করেন। তার এ দুটি বিশ্বাসই আল্লাহর সাথে অংশীদার করা তথা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। শিরক আল্লাহর সাথে চরম জুলুম করার নামান্তর। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন- إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ অর্থাৎ, 'নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম।' (সূরা লুকমান: আয়াত-৪) আল্লাহ তায়ালা শিরককারীদের প্রতি খুবই অসন্তুষ্ট। তিনি অপার ক্ষমাশীল ও অসীম দয়াময় হওয়া সত্ত্বেও শিরকের অপরাধ ক্ষমা করেন না। মহান আল্লাহ বলেন, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।' (সূরা আন-নিসা: আয়াত-৪৮) প্রকৃতপক্ষে শিরক ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা নিজেই শিরকের অপরাধ ক্ষমা না করার এবং তাদের জন্য জান্নাত হারাম করার ঘোষণা দিয়েছেন। আল্লাহর এ ঘোষণা মাহমুদ সাহেবের বিশ্বাসকে ভয়াবহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে প্রমাণ করে। আল্লাহ তায়ালা শিরককারীর ভয়াবহ পরিণতির কথা ঘোষণা করে বলেন- 'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার আবাস জাহান্নাম।' (সূরা আল-মায়িদা : আয়াত-৭২) অতএব, শিরকের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটা থেকে আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
SSCইসলাম শিক্ষাঅধ্যায়-১ : আকাইদ ও নৈতিক জীবন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের উপায় ব্যাখ্য করো।

জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের উপায় ব্যাখ্য করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.আখিরাতের একটি স্তর ব্যাখ্যা কর।

আখিরাতের একটি স্তর ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'জান্নাত চরম সুখের আবাস'- ব্যাখ্যা করো।

'জান্নাত চরম সুখের আবাস'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?

আমরা নিফাক পরিহার করব কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কুফর কীভাবে হতাশার সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।

কুফর কীভাবে হতাশার সৃষ্টি করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8."আর তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।”- ব্যাখ্যা করো।

"আর তাদের সামনে বারযাখ থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.প্রাক-ইসলামি যুগে আরবের সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করো।

প্রাক-ইসলামি যুগে আরবের সামাজিক অবস্থা বর্ণনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নবি-রাসুলগণকে কেন পাঠানো হয়েছিল? বর্ণনা করো।

নবি-রাসুলগণকে কেন পাঠানো হয়েছিল? বর্ণনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আখিরাতে বিশ্বাস কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

আখিরাতে বিশ্বাস কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

ইমান ও ইসলামের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।