জুলহাসের কর্মকাণ্ডটি চিহ্নিতপূর্বক ইমাম সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: জুলহাসের কর্মকাণ্ডে ঘুষ প্রকাশ পেয়েছে, যার ইহকালীন ও পরকালীন পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ঘুষ অর্থ উৎকোচ। স্বাভাবিক প্রাপ্যের পরও অসদুপায়ে অতিরিক্ত সম্পদ বা সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করাকে ঘুষ বলে। এটি একটি অনৈতিক কাজ এবং অর্থনৈতিক অপরাধ। সুজন সাহেবের কাজে এটিই প্রকাশ পেয়েছে, যার জন্য তাকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। কর্মচারী নিয়োগের সময় জুলহাসের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা গ্রহণ করে নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতার বিচার না করে বরং তার থেকে অর্থ আদায় করেছেন। তাই তার এ কাজটি ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। ঘুষ একটি সম্পূর্ণ হারাম তথা অবৈধ কাজ। ঘুষ মানবসমাজে অশান্তি ডেকে আনে। ঘুষখোর ব্যক্তি নিজ দায়িত্ব-কর্তব্যে অবহেলা করে, আমানতের খিয়ানত করে। এর মাধ্যমে অসহায়-বঞ্চিতদের অধিকার হরণ করা হয়। সমাজে সৃষ্টি হয় হানাহানি ও দ্বন্দ্ব। ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত টাকা-পয়সা সম্পূর্ণ হারাম। আর হারাম টাকায় কেনা পোশাক-পরিচ্ছদ পরে ইবাদত করলে তা কুবল হয় না। নবি করিম (স) বলেছেন, 'ঘুষ গ্রহণকারী এবং ঘুষ প্রদানকারী উভয়ের ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত।' (বুখারি ও মুসলিম) পরকালে ঘুষের লেনদেনকারীর স্থান হবে জাহান্নাম। কিয়ামতের দিন এরা কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। উপরের আলোচনা থেকে প্রমাণিত হয়, সুজন সাহেবের কাজটি সমাজের জন্য ক্ষতিকর। আবার পরকালে এ ধরনের কাজের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। তাই এরূপ অনৈতিক কাজ তথা ঘুষ গ্রহণ থেকে সবার বিরত থাকা উচিত।
SSC ইসলাম শিক্ষা অধ্যায়-৪ : আখলাক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ইসলাম শিক্ষা · অধ্যায়-৪ : আখলাক · সৃজনশীল
জুলহাসের কর্মকাণ্ডটি চিহ্নিতপূর্বক ইমাম সাহেবের বক্তব্যের যথার্থতা …
উদ্দীপক
Rajshahi · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর