শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কোন অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের বাংলা অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে। আফগান নেতা শেরশাহ ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে মুঙ্গেরের কাছে সুরজগড়ের যুদ্ধে বাংলা ও বিহারের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে সমগ্র বিহার দখল করেন । পরবর্তী সময়ে শেরশাহ বঙ্গদেশে সফল অভিযান পরিচালনা করে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। তার এরূপ শক্তিবৃদ্ধিতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে বাংলায় অভিযান পরিচালনা করেন। তুর্কি-মোঙ্গল বিজেতা তৈমুর লংয়ের ঘটনায়ও এ অভিযানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় । তৈমুর লং সিস্তান অভিযানে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন । সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। একইভাবে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের বিরুদ্ধে বাংলায় অভিযান চালান। হুমায়ুন গুজরাটে বাহাদুর শাহর বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত এমন সময় সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে আফগানরা মুঘলদের জন্য প্রচণ্ড হুমকি হয়ে দেখা দেয়। শেরশাহ বিহার দখল করে বাংলায় ২টি সফল অভিযান চালান। এতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করেন। এরপর তিনি গৌড় (১৫৩৮) অবরোধ করে বাংলা বিজয় সম্পন্ন করেন। হুমায়ুন সেখানে প্ৰায় ৬ মাস অলস সময় পার করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানে এ ঘটনার প্রতিচ্ছবিই প্রকাশিত হয়েছে।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমা…

উদ্দীপক

প্রাথমিক জীবনে তৈমুর লং সিস্তান অভিযানকালে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন । তৈমুর যখন নিশ্চিন্তে রাজধানীতে বিশ্রামরত তখন সিস্তানের সৈন্যরা চারদিক থেকে তাকে ঘিরে ফেলে। এরূপ অতর্কিত আক্রমণে তৈমুর লং পরাজিত হন এবং কোনোমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যান। এমনকি কিছুকালের জন্য তিনি রাজ্যহারা হন ।

Combined · 2019

উত্তর

সম্রাট হুমায়ুনের পিতার নাম জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।

উত্তর

তুর্কি ভাষায় রচিত মুঘল সম্রাট জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির নাম বাবরনামা । 'তুযুক-ই-বাবরি' বা 'বাবরনামা' গ্রন্থটি ভারতের ইতিহাস অধ্যয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ আকরগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। ভাষার অনন্যতা ও তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার জন্য এ গ্রন্থটি পণ্ডিত মহলের প্রশংসা লাভ করেছে। এ গ্রন্থে মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানের পাশাপাশি সমকালীন ভারতের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিচয় পাওয়া যায়। ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর এতে তার ব্যক্তিজীবনের নানা দিক যেমন: দোষ-গুণ, সুখ-দুঃখ এবং সাফল্য-ব্যর্থতার কথা সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন ।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানের সাথে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের বাংলা অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে। আফগান নেতা শেরশাহ ১৫৩৪ খ্রিষ্টাব্দে মুঙ্গেরের কাছে সুরজগড়ের যুদ্ধে বাংলা ও বিহারের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে সমগ্র বিহার দখল করেন । পরবর্তী সময়ে শেরশাহ বঙ্গদেশে সফল অভিযান পরিচালনা করে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। তার এরূপ শক্তিবৃদ্ধিতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে বাংলায় অভিযান পরিচালনা করেন। তুর্কি-মোঙ্গল বিজেতা তৈমুর লংয়ের ঘটনায়ও এ অভিযানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় । তৈমুর লং সিস্তান অভিযানে নির্বিঘ্নে রাজধানীতে প্রবেশ করেন । সিস্তান অধিপতি রাজধানী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। একইভাবে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনও শেরশাহের বিরুদ্ধে বাংলায় অভিযান চালান। হুমায়ুন গুজরাটে বাহাদুর শাহর বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত এমন সময় সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে আফগানরা মুঘলদের জন্য প্রচণ্ড হুমকি হয়ে দেখা দেয়। শেরশাহ বিহার দখল করে বাংলায় ২টি সফল অভিযান চালান। এতে হুমায়ুন শঙ্কিত হয়ে ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করেন। এরপর তিনি গৌড় (১৫৩৮) অবরোধ করে বাংলা বিজয় সম্পন্ন করেন। হুমায়ুন সেখানে প্ৰায় ৬ মাস অলস সময় পার করেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত তৈমুর লংয়ের সিস্তান অভিযানে এ ঘটনার প্রতিচ্ছবিই প্রকাশিত হয়েছে।

উত্তর

তৈমুর লংয়ের মতো সম্রাট হুমায়ুনও অদূরদর্শিতা ও কৌশলগত দুর্বলতার কারণে বাংলা বিজয় পরবর্তী চৌসার যুদ্ধে শেরশাহের কাছে পরাজিত হয়ে সাময়িকভাবে রাজ্যহারা হয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে চুনার দুর্গ আক্রমণ ও দখল করে বাংলা বিজয় সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বাংলায় প্রায় ৬ মাস আমোদ-প্রমোদে মত্ত থাকেন। এ সুযোগে শেরশাহ নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে হুমায়ুনকে আক্রমণ ও পরাজিত করেন। তৈমুর লংয়ের পরাজয়ের ক্ষেত্রেও হুমায়ুনের অদূরদর্শিতার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। তৈমুর লং সিস্তান দখল করে যখন নিশ্চিন্তে রাজধানীতে বিশ্রাম করছিলেন, তখন সিস্তানের সৈন্যরা তাকে চারদিক থেকে অতর্কিত আক্রমণ করে । ফলে তৈমুর লং পরাজিত হন এবং কোনোমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যান। একইভাবে হুমায়ুনও শেরশাহকে চুনার দুর্গে পরাজিত করে আমোদ-প্রমোদে মত্ত হয়ে পড়েন, যা চৌসার যুদ্ধে (১৫৩৯) তার পরাজয় ডেকে আনে । হুমায়ুন চুনার দুর্গ অধিকার করেন এবং বাংলা জয় করে সেখানে ছয় মাস অতিবাহিত করেন। কৌশলগত দিক থেকে এটি ছিল অপরিপক্ব এবং ভুল সিদ্ধান্ত। কেননা এর ফলে শেরশাহ নিজের ক্ষমতা সুসংহত করার সুযোগ পান এবং বাংলা দখল করেন। এ অবস্থায় হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে গৌড় অবরোধ করেন। কৌশলী শের খান মুঘল বাহিনীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়িয়ে গৌড় ত্যাগ করেন। হুমায়ুন গৌড় দখল করে সেখানে ছয় মাস আলস্য ও আমোদে সময় কাটান। সে সময়ে শেরশাহ বিহার, বারানসী, জৈনপুর ও কনৌজ দখল করেন। এভাবে হুমায়ুনের আলস্য ও ত্রুটিপূর্ণ কৌশলের কারণে শেরশাহ নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেন । এর ফলে চৌসার যুদ্ধে হুমায়ুন পরাজিত হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পরিশেষে বলা যায়, বাংলা জয়ের পর হুমায়ুনের আলস্য ও অদূরদর্শিতাই চৌসার যুদ্ধে তার পরাজয়ের ক্ষেত্র তৈরি করে। এমনকি, এর ফলে তাকে সাময়িকভাবে রাজ্যহারা হতে হয়।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 3 : ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল শাসন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুলতান সুলেমান সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য শাসনে পুরাতন ধ্যান-ধারণার সংস্কার করেন। তিনি প্রশাসন, বিচার ও সৈন্য বাহিনীর জন্য আলাদা বিভাগ ও পদ সৃষ্টি করেন। তিনি প্রত্যেকের পদ মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতা ও অবস্থান নির্ধারণ করে দেন। এতে উচ্চ রাজ কর্মকর্তাগণের মাঝে মর্যাদার বিরোধ নিরসন হয়। ফলে সাম্রাজ্য শাসনে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। তবে তার এ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত ছিল না।

Comilla · 2017

ক
সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?
খ
'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরের উক্ত পদক্ষেপও সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না।'- বক্তব্যটি সমর্থন কর কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হায়দার গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আলী হায়দার উত্তরাধিকারসূত্রে বিশাল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি পিতার মত সৌখিন, রুচিশীল ও স্থাপত্যের প্রতি দুর্বল ছিলেন। তিনি বসবাসের জন্য একটি বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেন। অফিসে বসার জন্য একটি মণিমুক্তা খচিত চেয়ার তৈরি করেন। তিনি তার স্ত্রীকে খুব ভালোবাসতেন। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। শোকাহত আলী হায়দার তার প্রিয়তমা স্ত্রীর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য অনেক টাকা খরচ করে একটি সমাধি সৌধ নির্মাণ করেন। বিশাল ধন- সম্পদের মালিক হয়েও সন্তানদের সংঘাতের কারণে তার শেষ জীবন সুখের হয়নি।

Comilla · 2017

ক
কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
খ
রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘল সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত কোন স্থাপত্য কীর্তির সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।' বক্তব্যটি কি সমর্থন কর? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

রাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

আকরাম সাহেব একটি বিখ্যাত কোম্পানির মালিক। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হলে কোম্পানির মালিকানা নিয়ে তার চারপুত্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এক ভাই অন্য ভাইয়ের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পিতার মন ভারাক্রান্ত করে তোলে। পরবর্তীকালে ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

Dhaka · 2017

ক
মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?
খ
আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাথে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

আইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও উদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থার মতো সম্রাট আকবরেউদ্দীপকে উল্লিখিত সামরিক ব্যবস্থাটি মুঘল সম্রাট আকবরের প্রতিষ্ঠিত কোন পদক্ষেপকে 'দ্বীন-ই-ইলাহি' এর প্রকৃত উদ্যেশ্য কী ছিল?সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের প্রকৃত নাম কী?'উদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দারের সন্তানদের মতো উক্ত সম্রাটের সন্তানগণও উত্তরাধিকাউদ্দীপকে উল্লিখিত আলী হায়দার কর্তৃক স্ত্রীর স্মরণে নির্মিত সমাধি সৌধের সাথে মুঘলরাজপুত নীতি বলতে কী বুঝায়?কোন সালে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উক্ত দ্বন্দ্বে সম্রাটের কোন পুত্র সফলতা লাভ করেছিল এবং কেন? বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্ব কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বের সাআইন-ই-আকবরী কী? ব্যাখ্যা করো।মুহাম্মদ বিন তুঘলক কয়টি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।